Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Kerala

জীবদ্দশায় দেশের সেবা, মরেও ৭ জনের প্রাণ বাঁচিয়ে গেলেন কেরলের জওয়ান

কেরলের মুখ্যমন্ত্রী ভি ডি সাথিসান এক্স পোস্টে রাহুলের এই পদক্ষেপের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। পাশাপাশি উল্লেখ করতে ভোলেননি কেরল পুলিশের অবদানের কথাও।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬, ১৪:১২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬, ১৪:১২

options
link
জীবদ্দশায় দেশের সেবা, মরেও ৭ জনের প্রাণ বাঁচিয়ে গেলেন কেরলের জওয়ান zoom
কেরলের শহিদ জওয়ান রাহুল রাজীব।
Advertisement

সেবাই মূলমন্ত্র। জীবদ্দশায়। আবার মৃত্যুর পরও। সে কথাই যেন অক্ষরে অক্ষরে প্রমাণ করলেন রাহুল রাজীব। বছর তিরিশের রাহুল পেশায় জওয়ান ছিলেন। ‘মস্তিষ্কের মৃত্যু’র (ব্রেন ডেড) পর তাঁর অঙ্গদানে প্রাণ বেঁচেছে সাত জনের। অর্থাৎ জীবদ্দশায় হিমাচলের সৈনিক, রাহুল দেশের সেবা করেছেন। আবার মৃত্যুর পরও সেই সেবার মন্ত্রেই নিয়োজিত থেকেছেন সাতটি জীবন রক্ষা করে। দুটি কিডনি, লিভার, হার্ট ভালভ, চামড়া এবং কর্নিয়া দান করেছেন রাহুল।

কর্মজীবনেই দেহদানের অঙ্গীকার করেছিলেন তিনি। সেই লক্ষ্যে কেরল স্টেট অর্গান অ্যান্ড টিস্যু ট্রান্সপ্ল্যান্ট অর্গানাইজেশন (K-SOTTO)-এ নাম নথিবদ্ধ করেন। তিরুবনন্তপুরমের বেসরকারি এক হাসপাতালে তাঁর ‘ব্রেন-ডেড’ হওয়ার খবর জানতেই তাঁর পরিবার সেই অঙ্গীকারকে বাস্তব রূপ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। K-SOTTO-ই তখন সাহায্যের জন্য এগিয়ে আসে। মূলত তাদের উদ্যোগেই তিরুবনন্তপুরম-সহ আরএ কিছু শহরের হাসপাতালে রাহুলের দান করা অঙ্গ-সমূহ ‘গ্রিন করিডর’-এর মাধ্যমে পাঠানো হয়।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

জীবদ্দশায় হিমাচলের সৈনিক, রাহুল দেশের সেবা করেছেন। আবার মৃত্যুর পরও সেই সেবার মন্ত্রেই নিয়োজিত থেকেছেন সাতটি জীবন রক্ষা করে। দুটি কিডনি, লিভার, হার্ট ভালভ, চামড়া এবং কর্নিয়া দান করেছেন রাহুল।

কেরলের (Kerala) মুখ্যমন্ত্রী ভি ডি সাথিসান এক্স পোস্টে রাহুলের এই পদক্ষেপের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। পাশাপাশি উল্লেখ করতে ভোলেননি কেরল পুলিশের অবদানের কথাও। কারণ তাঁদের মাধ্যমেই তিরুবনন্তপুরম এবং তিরুভল্লার মধ্যে গ্রিন করিডর তৈরি করে, রাহুলের দান করা অঙ্গ-সমূহ পৌঁছে দেওয়া হয়েছিল একাধিক হাসপাতালে, যা থেকে উপকৃত হয়েছেন সাত জন রোগী। প্রাণরক্ষা হয়েছে তাঁদের।

জানা গিয়েছে, রাহুলের লিভার দেওয়া হয়েছিল কেআইএমএস হাসপাতালের এক রোগীকে। কিডনি গিয়েছিল পুষ্পগিরি মেডিকেল কলেজ এবং তিরুবনন্তপুরম মেডিকলে কলেজে। হার্ট ভালভস পৌঁছে দেওয়া হয়েছিল শ্রী চিত্র তিরুনাল ইনস্টিটিউট ফর মেডিকেল সায়েন্সেস অ্যান্ড টেকনোলজি। চামড়া (টিস্যু) দেওয়া হয়েছে তিরুবনন্তপুরম মেডিকেল কলেজ হসপিটালসের এক রোগীকে আর কর্নিয়া দেওয়া হয়েছে তিরুবনন্তপুরমেরই একটি চোখের হাসপাতালকে। সব মিলিয়ে রাহুলের এই মহান উদ্যোগ সত্যিই দেশের ইতিহাসে এক দৃষ্টান্ত হয়ে থাকল।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.