Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ৩১ আগস্ট ২০২৬
Prayagraj

প্রয়াগরাজে বায়ুসেনা ঘাঁটির কাছে ভয়ংকর বিস্ফোরণ! মৃত অন্তত ৮, ভাঙল ৭টি বাড়ি

বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই ছিল যে পার্শ্ববর্তী অন্তত ৮টি বাড়ি সম্পূর্ণ ধূলিসাৎ হয়ে গিয়েছে। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে তড়িঘড়ি উদ্ধারকাজ শুরু করেছে পুলিশ ও বায়ুসেনা কর্মীরা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৩১, ২০২৬, ১৬:৪০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৩১, ২০২৬, ১৬:৪০

options
link
প্রয়াগরাজে বায়ুসেনা ঘাঁটির কাছে ভয়ংকর বিস্ফোরণ! মৃত অন্তত ৮, ভাঙল ৭টি বাড়ি zoom
বিস্ফোরণের পর শুরু হয়েছে উদ্ধারকাজ।
Advertisement

উত্তরপ্রদেশের বায়ুসেনা ঘাঁটির কাছে এক বাজি কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ। সোমবার দুপুরে এই দুর্ঘটনার জেরে মৃত্যু হল অন্তত ৮ জনের। মৃতদের তালিকায় রয়েছে দুই শিশুও। পাশাপাশি অগ্নিদগ্ধ হয়েছেন আরও অন্তত ১৫ জন। বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই ছিল যে পার্শ্ববর্তী অন্তত ৭টি বাড়ি সম্পূর্ণ ধূলিসাৎ হয়ে গিয়েছে। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে তড়িঘড়ি উদ্ধারকাজ শুরু করেছে পুলিশ ও বায়ুসেনা কর্মীরা।

জানা যাচ্ছে, সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টা নাগাদ এই দুর্ঘটনা ঘটে প্রয়াগরাজ-কৌশাম্বী সীমান্তবর্তী কৌশাম্বী জেলার মহম্মদপুরে। দুর্ঘটনাস্থল থেকে মানুরি বিমানঘাঁটির দূরত্ব মাত্র ২ কিলোমিটার। দুর্ঘটনার সময় কারখানায় কাজ করছিলেন ১৫ জন শ্রমিক। পুলিশের তরফে জানা যাচ্ছে, বিস্ফোরণের জেরে পুরো কারখানা ভস্মীভূত হয়ে যায়। ৫০ মিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে থাকা ৭টি বাড়ি পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। বিরাট ধোঁয়ার কুণ্ডলী গোটা এলাকাকে ঢেকে ফেলে। এমনকী কারখানা থেকে ৭০ মিটার দূরে অবস্থিত একাধিক বাড়ি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। প্রায় ২ কিলোমিটার দূর পর্যন্ত শোনা যায় বিস্ফোরণের শব্দ।

Advertisement

দুর্ঘটনার কবল থেকে কোনওমতে বেঁচে যাওয়া এক কিশোরী সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে জানায়, “ঘটনার সময় বাড়িতে আমি, আমার মা আর ছোট ভাই ছিলাম। একমাত্র আমিই বের হতে পেরেছি। বাকি সবাই চাপা পড়েছে।”

স্থানীয়দের তরফে জানা যাচ্ছে, দুর্ঘটনার পর দুর্ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনা আসে পুলিশ ও দমকল বিভাগ। এমনকী পাশে থাকা বায়ুসেনা ঘাঁটি থেকে জওয়ানরা এসে উদ্ধারকাজে হাত লাগান। গ্রামবাসীরা আহতদের উদ্ধার করে খাটিয়ায় করে হাসপাতালে নিয়ে যান। ধ্বংসস্তূপ সরাতে সেখানে আনা হয়েছে বুলডোজার। দুর্ঘটনার কবল থেকে কোনওমতে বেঁচে যাওয়া এক কিশোরী সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে জানায়, “ঘটনার সময় বাড়িতে আমি, আমার মা আর ছোট ভাই ছিলাম। একমাত্র আমিই বের হতে পেরেছি। বাকি সবাই চাপা পড়েছে।”

কীভাবে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। জানা গিয়েছে, কারখানার মালিকের না আদিল। এই বাজি কারখানা সরকারি অনুমতি এবং পর্যাপ্ত সুরক্ষা ব্যবস্থা ছিল কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আহতদের অনেকের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গিয়েছে। ফলে আশঙ্কা করা হচ্ছে মৃতের সংখ্যা বাড়তে পারে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.