Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Sheesh Mahal

কেজরির ‘রাজপ্রাসাদ’ এবার সাধারণের নাগালে, বিতর্কিত ‘শিশমহল’ সাংবাদিকদের ঘুরিয়ে দেখাবে বিজেপি

দিল্লির নির্বাচনে সবচেয়ে প্রভাবী ইস্যুগুলির মধ্যে অন্যতম 'শিশমহল'।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৫, ২০২৫, ১৩:৫০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৫, ২০২৫, ১৩:৫০

options
link
কেজরির ‘রাজপ্রাসাদ’ এবার সাধারণের নাগালে, বিতর্কিত ‘শিশমহল’ সাংবাদিকদের ঘুরিয়ে দেখাবে বিজেপি zoom

বুদ্ধদেব সেনগুপ্ত: দিল্লি জয়ের পরও শিশমহল বিতর্কের আঁচ নিভতে দিতে চায় না বিজেপি। পূর্ব ঘোষণামতো কেজরিওয়ালের ‘রাজপ্রাসাদ’ সাধারণ নাগরিকদের সামনে খুলে দিতে চায় বিজেপি, আপাতত বিতর্কিত ওই সাংবাদিদের ঘুরে দেখানো হবে। আর সেটা দেখাবেন খোদ দিল্লির মন্ত্রী তথা কেজরিওয়ালকে হারানো বিজেপি নেতা প্রবেশ বর্মা।

সোমবার তিনি জানিয়েছেন, দিল্লির সিভিল লাইন্সের ফ্ল্যাগস্টাফ রোডের ওই বাংলোটি ঘুরে দেখানো হবে সাংবাদিকদের। তাতে গাইড হবেন তিনি নিজে। প্রবেশ সোমবার বলেন, “সাধারণ জীবনযাপনের আড়ালে আপ সরকার কী ভাবে মুখ্যমন্ত্রীর বিলাসবহুল জীবনযাপনের খরচ জোগাতে করদাতাদের অর্থ নয়ছয় করেছে, তা সবার জানা উচিত। আমি নিজে সাংবাদিকদের বাংলোর ভিতরে নিয়ে যাব।” প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের আসল রূপ মানুষের সামনে তুলে ধরতে শিশমহল জনসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে শাসকদল। উপরাজ্যপালের অনুমতি এলেই সাধারণের জন্য শিশমহলের দরজা খুলে দেওয়া হবে বলে গেরুয়া শিবিরের তরফে জানান হয়েছে।

Advertisement

২০১৫ সাল থেকে দিল্লির ৬, ফ্ল্যাগশিপ রোডের বাংলোর অধিবাসী হন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। আবগারি মামলার জেরে মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার পর ২০২৪ সালের অক্টোবরে বাংলো খালি করেন তিনি। এই বাংলো ঘিরেই একধিক নিয়ম ভঙ্গের অভিযোগ। বিজেপির দাবি, আট একর জমিতে বিস্তৃত বাংলোটির সংস্কারের সময় জমি অধিগ্রহণে আইনকে বুড়ো আঙুল দেখানো হয়েছে। ক্ষমতা বলে সরকারি জমি দখল করেন কেজরি। এই মর্মে লেফ্‌টেন্যান্ট গভর্নর ভিকে সাক্সেনাকে চিঠি লিখে অভিযোগ করেছেন বিজেপি নেতা বীরেন্দ্র সচদেবা।

কেবল অবৈধ জমি অধিগ্রহণ নয়, পূর্ত দপ্তরের একটি রিপোর্ট থেকে জানা যায়, একাধিক বিলাসবহুল আসবাব, যন্ত্র, গেজেট রয়েছে শিশমহলের ভিতরে। সব মিলিয়ে সরকারি পয়সায় বিলাস ও ফুর্তির জীবনযাপনের অভিযোগ ওঠে কেজরিওয়ালের বিরুদ্ধে। এমনকী ভোটের মুখে এই নিয়ে সরব হন খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেন, “আমিও শিশমহল তৈরি করতে পারতাম। কিন্তু আমি দেশের গরিব মানুষদের জন্য চার কোটির বেশি বাড়ি বানিয়েছি।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.