Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ৮ জুন ২০২৬
Yamuna River Froth

যমুনা ঢেকেছে সাদা ফেনায়! পারস্পরিক দোষারোপে মত্ত আপ-বিজেপি

বিশেষজ্ঞরা সকলকে সতর্ক করে জানাচ্ছেন, এই সময় কেউ যেন নদীতে স্নান না করেন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২১, ২০২৪, ১৩:৪৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২১, ২০২৪, ১৩:৪৫

options
link
যমুনা ঢেকেছে সাদা ফেনায়! পারস্পরিক দোষারোপে মত্ত আপ-বিজেপি zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ফের দূষণের কবলে দিল্লি। যমুনা(Yamuna River) ঢেকেছে সাদা ফেনায়(Froth)। দূর থেকে দেখলে মনে হবে যেন বরফে ঢাকা পড়েছে রাজধানীর এই নদী। আর এই দূষণ নিয়ে পারস্পরিক দোষারোপ শুরু করেছে আপ ও বিজেপি। পূর্ব দিল্লির সাংসদ হর্ষ মালহোত্রার দাবি, যমুনা পরিষ্কার রাখাটা তাঁর দায়িত্বের মধ্যে পড়ে না। অন্যদিকে এর জন্য বিজেপিকেই দায়ী করেছে কেজরিওয়ালের দল।

কালিন্দী কুঞ্জে যমুনার পরিস্থিতি পরিদর্শনে গিয়েছিলেন হর্ষ। তাঁর সঙ্গে ছিলেন স্থানীয় কাউন্সিলর ব্রহ্ম সিং এবং বিজেপির মুখপাত্র অনিল গুপ্তা। নদীর বুকে মোটা ফেনার স্তর দেখে তাঁর মন্তব্য, ”অরবিন্দ কেজরিওয়ালর সরকার কেবলই যমুনা পরিষ্কার রাখা নিয়ে মিথ্যে প্রচার চালায়। যখন লেফটেন্যান্ট গভর্নর নিজে উদ্যোগ নিয়ে যমুনা পরিষ্কার করার পরিকল্পনা করলেন, কেজরি সরকার সুপ্রিম কোর্টে গেল তাঁকে আটকাতে। নদীকে পরিষ্কার রাখা ওদের কাছে একটা রাজনৈতিক বিষয়। কখনওই সেটা অগ্রাধিকার পাওয়ার বিষয় নয়।”

Advertisement

তাঁর এহেন অভিযোগের জবাবে আপ সরকারের তরফে একটি বিবৃতি পেশ করে বলা হয়েছে, ‘বিজেপি কেবলই নোংরা রাজনীতি করতে পারে। আম আদমি পার্টি সরকার যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে দূষণের বিরুদ্ধে লড়াই করছে। অন্যদিকে বিজেপি সরকারই যমুনাকে দূষিত করছে উত্তরপ্রদেশ থেকে নোংরা জল পাঠিয়ে।”

শুক্রবার সকাল থেকে দেখা যায় যমুনা নদী ঢেকে গিয়েছে পুরু সাদা ফেনার স্তরে। বিশেষজ্ঞরা সকলকে সতর্ক করে জানাচ্ছেন, এই সময় কেউ যেন নদীতে স্নান না করেন। যমুনায় অক্সিজেন স্তরও নেমে গিয়েছে। সামনেই ছটপূজা। ততদিনে কী পরিস্থিতি থাকে সেদিকেই নজর রয়েছে তাঁদের। এদিকে আপ সরকার জানিয়েছে, গোটা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখছে তারা। যদিও বিজেপির অভিযোগ, আপ সরকারের কাছে দূষণ রোখার জন্য ১ হাজার কোটি টাকা রয়েছে। কিন্তু তবুও কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না। তাহলে ওই তহবিলের কী হল, সেটাই জানতে চায় গেরুয়া শিবির।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.