Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ আষাঢ় ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ৭ জুলাই ২০২৬
Birbaha Hansda

ত্রিপুরায় বীরবাহার কেক কাটা নিয়ে কটাক্ষ বিজেপির, ‘আমি আদিবাসী বলে…’ পালটা জবাব মন্ত্রীর

বীরবাহার কাছে বিজেপি নেতাদের ক্ষমা চাওয়ার দাবি তৃণমূলের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৯, ২০২৫, ১৭:০১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৯, ২০২৫, ১৭:০১

options
link
ত্রিপুরায় বীরবাহার কেক কাটা নিয়ে কটাক্ষ বিজেপির, ‘আমি আদিবাসী বলে…’ পালটা জবাব মন্ত্রীর zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ত্রিপুরায় ‘গেরুয়া সন্ত্রাস’। বিজেপি নেতা-কর্মীদের তাণ্ডবে তছনছ তৃণমূল কার্যালয়। তা সরেজমিনে দেখতে ত্রিপুরায় তৃণমূল প্রতিনিধি দল। তারই মাঝে বীরবাহা হাঁসদার কেক কাটা নিয়ে তুঙ্গে বিতর্ক। সোশাল মিডিয়ায় ভিডিও প্রকাশ করে তৃণমূলকে কটাক্ষ গেরুয়া শিবিরের। পালটা বিজেপিকে তোপ দাগেন বনমন্ত্রী বীরবাহা হাঁসদার। আদিবাসী বলে তাঁর কেক কাটাকে ইস্যু করে অযথা শাসক শিবিরকে কালিমালিপ্ত করার চেষ্টা বলেই দাবি তাঁর।

বুধবার সন্ধেয় অগ্নিমিত্রা পল-সহ একাধিক বিজেপি নেতানেত্রী বীরবাহার কেক কাটার ভিডিও সোশাল মিডিয়ায় শেয়ার করেন। তাঁর সঙ্গে থাকা দলীয় নেতাদের কেক কেটে খাইয়ে দিতেও দেখা গিয়েছে। গেরুয়া শিবিরের খোঁচা, “কুমিরের কান্না দিবস পালন হচ্ছে।” পালটা তার জবাব দিয়েছেন মন্ত্রী বীরবাহা হাঁসদা। তিনি বলেন, “ভোর চারটে নাগাদ বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলাম। বিমানবন্দরে পৌঁছলাম। খুব খিদে পেয়েছিল। আমি কাপ কেক কিনেছিলাম। সহকর্মীরা আমাকে শুভ জন্মদিন বলে। আমার খাওয়া কেক একটু করে খাইয়েছিলাম। আমার খারাপ লাগল। আমি আদিবাসী মেয়ে বলে আমার কেক খাওয়াটা ওদের গায়ে লেগেছে।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জন্মদিন পালনের প্রসঙ্গ তুলে তিনি আরও বলেন, “দিনের পর দিন পার্টি অফিস, রাস্তাঘাটে মোদির জন্মদিন পালন করা হয়, তখন কেউ আপত্তি করে না। কারণ, তিনি তো আদিবাসী নন। আমি আদিবাসী তাই কেক খাওয়া বারণ। আমি ভদ্রতার খাতিরে কেক খাইয়েছি। ওদের রুচিবোধ নেই। তাই ছোট্ট জিনিসকে ভাইরাল করা হচ্ছে। দিল্লিতে বসে থাকা বিজেপি নেতারা এদের দিয়ে বাংলা দখল করার ভাবছেন। এদের দিয়ে আর যাই হোক বাংলা দখল হবে না। এটা দিল্লির বিজেপি নেতারা যত তাড়াতাড়ি বোঝে, সেটাই মঙ্গল।”

এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন তৃণমূলের অন্যতম রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ। তিনি বলেন, “বাড়ির বাইরে ছোট্ট কাপকেক খাওয়া অপরাধ হলে বিজেপি নেতাদের আধার কার্ডে যে ঠিকানা লেখা আছে, তার বাইরে কোথাও জন্মদিন পালনের অধিকার নেই। কেক যেন না কাটেন তাঁরা। শুভেন্দু আগেই বিজেপির মানসিকতা বুঝিয়ে দিয়েছেন। উনি আগেই বলেছেন, বীরবাহা জুতোর নিচে থাকবে। সে জায়গা থেকে বীরবাহার অভিমান হচ্ছে।” যাঁরা এই ভিডিও সোশাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছেন তাঁদের বীরবাহার পায়ে হাত দিয়ে ক্ষমা চাওয়ার আর্জিও জানিয়েছেন কুণাল।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.