Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Bill to remove Convicted CMs

অথৈ জলে ‘দাগি’ প্রধানমন্ত্রী-মুখ্যমন্ত্রীদের গদি কাড়ার বিল! কী বলছে কেন্দ্রের যৌথ সংসদীয় কমিটি?

কংগ্রেস-সহ গোটা বিরোধী শিবির বিলটির বিরোধিতা করেছে। ইন্ডিয়া জোটের বক্তব্য, এটা আসলে বিরোধীদের নির্বাচিত সরকার ফেলে দেওয়ার ষড়যন্ত্র।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৭, ২০২৬, ১৯:৫৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৭, ২০২৬, ১৯:৫৭

options
link
অথৈ জলে ‘দাগি’ প্রধানমন্ত্রী-মুখ্যমন্ত্রীদের গদি কাড়ার বিল! কী বলছে কেন্দ্রের যৌথ সংসদীয় কমিটি? zoom
ফাইল ছবি।

ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্ত প্রধানমন্ত্রী, মুখ্যমন্ত্রী বা অন্য মন্ত্রীদের অপসারণ সংক্রান্ত বিলের ভবিষ্যৎ যেন অথৈ জলে। ওই বিলের পর্যালোচনার জন্য যে যৌথ সংসদীয় কমিটি গঠন করা হয়েছিল, সেই জেপিসি এখনও রিপোর্ট দিতে পারেনি। সূত্রের খবর, যৌথ সংসদীয় কমিটি বলছে, এখনই বিলটি নিয়ে রিপোর্ট দেওয়া সম্ভব নয়।

জেপিসির তরফে সংসদে জানানো হয়ছে, আরও অন্তত মাসখানেক সময় লাগবে রিপোর্ট তৈরি হতে। সূত্রের খবর, বিজেপি সাংসদ অপরাজিতা সারেঙ্গীর নেতৃত্বাধীন কমিটি জানিয়েছে ওই বিল বিয়ে চূড়ান্ত রিপোর্ট আরও খানিকটা সময় লাগবে। তারপরই আগামী বাদল অধিবেশনের শেষ সপ্তাহের প্রথম দিন পর্যন্ত রিপোর্ট জমা করার সময় দেওয়া হয়েছে ওই কমিটিকে।

Advertisement

উল্লেখ্য, গত বছর অগস্টে সংসদের বাদল অধিবেশনের শেষদিন লোকসভায় তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিল পেশ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল প্রশাসন (সংশোধনী) বিল ২০২৫, সংবিধান (১৩০ তম সংশোধনী) বিল ২০২৫ এবং জম্মু ও কাশ্মীর পুনর্বিন্যাস (সংশোধনী) বিল ২০২৫। ওই বিলগুলি মূলত সংবিধান সংশোধনের লক্ষ্যে আনা। গুরুতর অপরাধের সঙ্গে জড়িত কোনও মন্ত্রী বা প্রধানমন্ত্রী বা মুখ্যমন্ত্রী নিজের পদের জন্য সাংবিধানিক রক্ষাকবচ না পান, সেটাই নিশ্চিত করা হবে ওই বিলে। প্রস্তাবিত ওই বিলে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বা কোনও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এবং মন্ত্রীপদে আসীন অবস্থায় কেউ যদি গুরুতর অপরাধে ৩০ দিনের বেশি জেলে থাকেন তাহলে তাঁকে পদ থেকে অপসারণ করা হবে।

কংগ্রেস-সহ গোটা বিরোধী শিবির বিলটির বিরোধিতা করেছে। ইন্ডিয়া জোটের বক্তব্য, এটা আসলে বিরোধীদের নির্বাচিত সরকার ফেলে দেওয়ার ষড়যন্ত্র। তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, এই বিল আসলে সুপার এমার্জেন্সি লাগু করার চেষ্টা। ভারতের গণতান্ত্রিক কাঠামোকে চিরতের ভেঙে দেওয়ার চেষ্টা করছে মোদি সরকার। ভারতীয় গণতন্ত্রের উপর হিটলারোচিত আঘাত হানা হচ্ছে এই বিলের মাধ্যমে। এটা আসলে গণতন্ত্রের মৃত্যুঘণ্টার শামিল। এবার সেই বিলের ভবিষ্যৎ নিয়েই প্রশ্ন উঠে গেল।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.