Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Bihar

আত্মসমর্পণের পরও এনকাউন্টার! গ্রেপ্তার অভিযুক্ত পুলিশকর্মী, সাম্প্রতিক অতীতে বেনজির

ওই ভিডিও প্রকাশ্যে আসার পরই বিহারজুড়ে আলোড়ন পড়ে যায়। জনতার রোষের মুখে এনকাউন্টারে অভিযুক্তকেই গ্রেপ্তার করল পুলিশ।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৩১, ২০২৬, ১৫:৩৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৩১, ২০২৬, ১৫:৩৬

options
link
আত্মসমর্পণের পরও এনকাউন্টার! গ্রেপ্তার অভিযুক্ত পুলিশকর্মী, সাম্প্রতিক অতীতে বেনজির zoom
ফাইল ছবি।
Advertisement

উত্তরপ্রদেশ থেকে শুরু করে অন্ধ্রপ্রদেশ। এমনকী বাংলার বারুইপুরেও। সাম্প্রতিক অতীতে ভারতে এনকাউন্টার যেন ট্রেন্ড হয়ে দাঁড়িয়েছে। যারা তথাকথিত সমাজবিরোধীদের এনকাউন্টারে জড়িত থাকেন সেইসব পুলিশ আধিকারিকরাও মোটামুটিভাবে ‘বীরে’র সম্মানই পান। কিন্তু এবার বিহার দেখল সম্পূর্ণ উলটো ছবি। এক এনকাউন্টারে জড়িত অভিযোগে পুলিশ আধিকারিককেই গ্রেপ্তার করা হল।

গত ১৭ জুন বিহারের ভোজপুরের শাহপুর থানা এলাকার বিলাউটি গ্রামে সংঘর্ষের ঘটনাটি ঘটে। ওই এনকাউন্টারে নিহত ব্যক্তির নাম ভরত ভূষণ তিওয়ারি। এই ভরতভূষণ তিওয়ারি এলাকায় তথাকথিত সমাজবিরোধী হিসাবে পরিচিত ছিলেন না। বরং তিনি পরিচিত ছিলেন সমাজকর্মী এবং ইনফ্লুয়েন্সার হিসাবে। এলাকার উন্নয়ন কাজ আটকে থাকার অভিযোগ মাঝে মাঝেই পুলিশ ও প্রশাসনের সঙ্গে বিবাদে জড়াতে দেখা গিয়েছে তাঁকে। সোশাল মিডিয়ায় সেসব ভিডিও-ও পোস্ট করেন তিনি। ময়নাতদন্তে দেখা যায় তার দেহে চারটি বুলেট বিদ্ধ হয়েছিল। ওই ঘটনায় ভরতের পরিবার এফআইআরে জগদীশপুরের তৎকালীন ডিএসপি রাজেশ শর্মা, শাহপুর থানার তখনকার ওসি রাজেশ মালাকার এবং এসটিএফের জওয়ান অক্ষয় কুমারের নাম উল্লেখ করে।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

কিন্তু ওই এনকাউন্টারের পরই টুইস্ট দেখা যায়। ঘটনার একটি ভিডিও সমাজ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এনকাউন্টার হওয়ার কিছুক্ষণ আগই ভরতভূষণ তিওয়ারি নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি ভিডিও পোস্ট করেন। যাতে দেখা যাচ্ছে, নিজের হাতে থাকা আগ্নেয়াস্ত্র তিনি পুলিশকর্মীদের দিকে ছুঁড়ে দিচ্ছেন। ওই ভিডিও দেখে অনেকেই দাবি করেন, ভরতভূষণ তিওয়ারি আত্মসমর্পণ করেছিলেন। কিন্তু পুলিশ ব্যক্তিগত রোষে তাঁকে ‘খুন’ করেছে।

ওই ভিডিও প্রকাশ্যে আসার পর বিহারজুড়ে আলোড়ন পড়ে যায়। তিওয়ারি-সহ সবর্ণদের একাংশ সরকারের ভূমিকায় অসন্তোষ প্রকাশ করে। তড়িঘড়ি সম্রাট চৌধুরী সরকার ওই এনকাউন্টারের তদন্ত শুরু করে। চার পুলিশকর্মীকে সাসপেন্ড করা হয়। এবার মূল অভিযুক্ত এসটিএফ জওয়ানকে গ্রেপ্তার করা হল। আরও চারজনের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে। সাম্প্রতিক অতীতে ভারতে এ ঘটনা বিরল।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.