Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Bihar Elections

ভোটের ভেট! বিহারে ৭৫ লক্ষ মহিলাকে এককালীন ১০ হাজার টাকা, সূচনা খোদ মোদির

ভোট পেতে 'ঘুষ' দিচ্ছেন মোদি, দাবি বিরোধীদের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৫, ১২:০৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৫, ১২:০৬

options
link
ভোটের ভেট! বিহারে ৭৫ লক্ষ মহিলাকে এককালীন ১০ হাজার টাকা, সূচনা খোদ মোদির zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিধানসভা ভোটের মুখে মহিলাদের মন পেতে বিহারে বড়সড় খয়রাতি প্রকল্পের সূচনা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দিল্লি থেকে তিনি সূচনা করলেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী মহিলা রোজগার যোজনা প্রকল্পের। মুখ্যমন্ত্রীর নামে প্রকল্প হলেও তা চালু হল প্রধানমন্ত্রীর হাত দিয়ে।
এই প্রকল্পে বিহারের ৭৫ লক্ষ মহিলাকে একলপ্তে ব্যবসা-বাণিজ্য ও চাষবাস করার জন্য ১০ হাজার টাকা করে দেওয়া হচ্ছে। সফলভাবে কোনও মহিলা ব্যবসা-বাণিজ্য করতে পারলে এই প্রকল্পে তাঁকে পরবর্তীকালে ২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত রাজ্য সরকার অনুদান দেবে বলে ঘোষণা করে হয়েছে। পরিবারের একজন মাত্র মহিলা সদস্যই এই প্রকল্পে অর্থ পাবেন। প্রকল্পের জন্য মোট ব্যয় হচ্ছে সাড়ে সাত হাজার কোটি টাকা। স্বামী সরকারি চাকুরে বা আয়করদাতা হলে এই প্রকল্পে টাকা পাবেন না কোনও মহিলা। যেসব মহিলা আয়কর দেন বা সরকারি চাকরি করেন, তাঁরাও এই প্রকল্পের জন্য বিবেচিত হবেন না।

মোদি এদিন প্রকল্প চালু করতে গিয়ে বলেন, “মোদি ও নীতীশ, দুই ভাই মিলে বিহারের মহিলাদের জীবনযাত্রার মানের উন্নয়ন করব।” আরজেডি ও কংগ্রেসের অভিযোগ, বিধানসভা ভোটে নিশ্চিত হার বুঝতে পেরে মহিলা ভোটারদের কার্যত এইভাবে ঘুষ দিচ্ছেন নরেন্দ্র মোদিরা। এই প্রকল্পের সমালোচনা করে কংগ্রেস সাংসদ প্রিয়াংকা গান্ধী বলেন, “বিহারের মহিলাদের এটা বোঝার ক্ষমতা রয়েছে যে ভোটের আগে তাঁদের ঘুষ দেওয়া হচ্ছে। ভোটের পর কেউ আর এই টাকা পাবেন না।” বিরোধীদের অভিযোগ, একসময় যে মোদি জনকল্যাণমূলক প্রকল্পকে খয়রাতি বলে কটাক্ষ করতেন, এখন দেখা যাচ্ছে জেতার জন্য প্রতিটি ভোটের আগে তাঁরাই নানারকম ‘ভেট’ দিচ্ছেন।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.