Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Bihar Election

‘এক আসন হলেও বেশি লড়ব’, বিহারে ‘ছোট ভাই’ বিজেপিকে শর্ত দিল জেডিইউ

বিহারে এনডিএর অন্দরে দড়ি টানাটানি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৬, ২০২৫, ১৪:০৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৬, ২০২৫, ১৪:০৮

options
link
‘এক আসন হলেও বেশি লড়ব’, বিহারে ‘ছোট ভাই’ বিজেপিকে শর্ত দিল জেডিইউ zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আড়াই মাস পর বিধানসভা নির্বাচন। এখনও বিহারে আসনরফা চূড়ান্ত করতে পারেনি এনডিএ শিবির। যার অন্যতম কারণ শরিকি বিবাদ। এনডিএ শিবিরে রীতিমতো দড়ি টানাটানি চলেছে আসন বণ্টন নিয়ে। ছোট শরিকদের বড় চাহিদা তো রয়েছেই, বিজেপি এবং জেডিইউ বড় দুই শরিকও নিজেদের মধ্যে দ্বন্দ্বে লিপ্ত।

২০২০ সালের বিধানসভা ভোটে বিহারে এনডিএ শিবিরে সবচেয়ে বেশি আসন পেয়েছিল ৭৪টি। জেডিইউ পেয়েছিল ৪৩টি। অর্থাৎ জেডিইউয়ের চেয়ে অনেকটাই বেশি আসন পায় গেরুয়া শিবির। তা সত্ত্বেও জোটের স্বার্থে নীতীশকেই মুখ্যমন্ত্রী করে বিজেপি। এবারও এনডিএর মুখ সেই নীতীশই। তাঁর নেতৃত্বেই লড়বে বিজেপি। সেটা প্রতিষ্ঠিত করার জন্য বিজেপিকে নাকি কড়া শর্ত দিয়ে ফেলেছে জেডিইউ। সাফ বলে দেওয়া হয়েছে, গেরুয়া শিবিরের চেয়ে বেশি আসনেই লড়বে নীতীশের দল। সেটা একটা আসন হলেও।

Advertisement

এনডিএ সূত্রের খবর, গত লোকসভা নির্বাচন নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে লড়েছিল এনডিএ। তাই বিজেপিকে এক আসন বেশি ছেড়েছিল জেডিইউ। লোকসভায় বিজেপি ১৭ এবং জেডিইউ ১৬ আসনে লড়াই করে। তেমনভাবেই বিধানসভায় লড়াই যেহেতু নীতীশ কুমারকে সামনে রেখে তাই বেশি আসন ছাড়তে হবে জেডিইউকে। সেই জেদে অনড় বিহারের শাসকদল। জেডিইউয়ের এক নেতা বলছেন, “জোটে আলোচনা চলছে। আমরা বিজেপির চেয়ে বেশি আসনে লড়ব। সেটা একটা হলেও।” বিজেপি নেতারাও জেডিইউয়ের এই যুক্তি জানেন এবং মানেন। সমস্যা হল, বিজেপির একাংশ নীতীশ কুমারের উপর আস্থা রাখতে পারছেন না। তাঁদের মনে হচ্ছে, নীতীশকে বেশি আসন ছাড়া মানে জোটকেই দুর্বল করা। তবে শেষ পর্যন্ত শরিকি চাপে জেডিইউয়ের দাবি মেনে নিতে পারে গেরুয়া শিবির।

প্রাথমিকভাবে যে আসনরফার ফর্মুলা পাওয়া যাচ্ছে তাতে জেডিইউ ১০২-১০৩ আসনে লড়তে পারে। বিজেপি লড়তে পারে ১০১-১০২ আসনে। বাকি ৪০ আসন ভাগাভাগি হবে চিরাগ পাসওয়ানের এলজেপি, জিতন রাম মাঝির হিন্দুস্তান আওয়াম মোর্চা, এবং উপেন্দ্র কুশওয়ার আরএলএমের মধ্যে। এর মধ্যে ২৫ থেকে ২৮ আসন পেতে পারে চিরাগের দল। কিন্তু এখনও পর্যন্ত যা খবর, তাতে চিরাগ পাসওয়ান বা জিতন রাম মাঝিরা সন্তুষ্ট নন। চিরাগ কোনওভাবেই ৩৫ আসনের নিচে নামতে রাজি নন। আবার মাঝিও ১০-এর কম মানতে চাইছেন না। কুশওয়াহর দাবি অন্তত ৭ আসন। কোন সমীকরণে এত চাহিদা পূরণ হবে, সেটাই এখন ভাবার বিষয় নীতীশ-মোদিদের।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.