Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Bihar Assembly Election 2025

কংগ্রেসকে ‘মুসলিম লিগ-মাওবাদী’ তকমা মোদির! বিহার জিতে হাত শিবিরকে ‘বোঝা’ বলেও কটাক্ষ

কী বললেন মোদি?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১৪, ২০২৫, ২০:৫৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১৪, ২০২৫, ২০:৫৫

options
link
কংগ্রেসকে ‘মুসলিম লিগ-মাওবাদী’ তকমা মোদির! বিহার জিতে হাত শিবিরকে ‘বোঝা’ বলেও কটাক্ষ zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিহার জয়ের পরই কংগ্রেসকে তীব্র আক্রমণ শানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। হাত শিবিরকে মুসলিম লিগ, মাওবাদী তকমা দিলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “কংগ্রেস এখন মুসলিম লিগ মাওবাদী কংগ্রেস পার্টি হয়ে গিয়েছে।” একইসঙ্গে হাত শিবিরকে বোঝা বলেও কটাক্ষ করেছেন মোদি।   

শুক্রবার দিল্লিতে বিজেপির সদর দপ্তরে ভাষণ দিতে গিয়ে মোদি বলেন, “বিহারে কংগ্রেস আর কোনও দিন ফিরবে না। কংগ্রেসে ভাঙন আসন্ন। কংগ্রেস এখন মুসলিম লিগ মাওবাদী কংগ্রেস পার্টি হয়ে গিয়েছে। ওদের সঙ্গে যারাই জোট করবে, তাদেরই ভরাডুবি হবে। কংগ্রেস এখন বোঝা হয়ে গিয়েছে।” তিনি আরও বলেন, “কংগ্রেস ইভিএম নিয়ে প্রশ্ন তোলে, নির্বাচন কমিশনকে অপমান করে, দেশের শত্রুদের সমর্থন করে। ভারতের উন্নয়নে কংগ্রেসের কোনও ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি নেই।” এখানেই শেষ নয়, কংগ্রেকে জঙ্গলরাজের সঙ্গেও তুলনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “জঙ্গলরাজ নিয়ে কিছু বললে গায়ে লাগত কংগ্রেসেরও।” তাঁর সংযোজন, “বিহারে এনডিএ রেকর্ড গড়েছে। বিহারের ভোটে আমাদের যত জন জিতেছেন, গত ছ’টা বিধানসভা মিলিয়েও কংগ্রেসের এত জন জিততে পারেননি।”

Advertisement

এই প্রতিবেদন যখন লেখা হচ্ছে, তখনও পর্যন্ত বিহারের ফলাফল বলছে, নীতীশ কুমারের নেতৃত্বাধীন এনডিএ দু’শোর বেশি আসনে এগিয়ে। আর তেজস্বী যাদবের নেতৃত্বাধীন মহাগটবন্ধন ৪০-এর গণ্ডিও পেরোতে পারেনি। আরজেডি, বাম, কংগ্রেস সবারই এক হাল। বিশেষ দুরবস্থা কংগ্রেসের।

বিহারে মহাগটনন্ধনের শুরুটা ভালোই হয়েছিল। রাহুল গান্ধীর ভোটার অধিকার যাত্রায় একসঙ্গে প্রচার শুরু করেছিলেন রাহুল-তেজস্বীরা। কিন্তু যাত্রা শেষ হতেই ছন্দপতন। আসন সমঝোতা নিয়ে রীতিমতো খেয়োখেয়ি করে বিরোধী শিবির। এমন পরিস্থিতি দাঁড়ায় যে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার দিন পেরিয়ে গেলেও আসন সমঝোতা চূড়ান্ত হয়নি। তেজস্বীকে মুখ্যমন্ত্রীর মুখ হিসাবে ঘোষণা করা হয় একেবারে শেষবেলায়। এই জটিলতার জেরে মাসখানেক কংগ্রেসের শীর্ষ নেতা, এমনকী আরজেডির শীর্ষ নেতাদেরকে প্রচারেই দেখা য়ায়নি। কিন্তু ততদিনে ঘর গুছিয়ে ফেলেছে এনডিএ। যার সুফল মিলেছে ভোটের ফলে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.