Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ১৫ আগস্ট ২০২৬
Bhojshala

ভোজশালা মন্দিরই! রায় মধ্যপ্রদেশ হাই কোর্টের, বিকল্প প্রার্থনাস্থলের নির্দেশ মুসলিমদের

মধ্যপ্রদেশ প্রশাসনের কাছে আবেদন করতে বলা হয়েছে মুসলিমদের।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৫, ২০২৬, ১৬:৫৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৫, ২০২৬, ১৬:৫৬

options
link
ভোজশালা মন্দিরই! রায় মধ্যপ্রদেশ হাই কোর্টের, বিকল্প প্রার্থনাস্থলের নির্দেশ মুসলিমদের zoom
ফাইল চিত্র।
Advertisement

ভোজশালা মন্দিরের বিতর্কিত স্থানকে সরস্বতীর মন্দির বলে জানিয়ে দিল মধ্যপ্রদেশ হাই কোর্ট। সেই সঙ্গেই মুসলিমদের ওখানে প্রার্থনা করার যে নির্দেশ ২০০৩ সালে দিয়েছিল এএসআই, তাও বাতিল করা হল। যদিও ভোজশালার নিয়ন্ত্রণ রইল এএসআইয়ের হাতেই, তবুও সেখানে প্রার্থনার অধিকার পেলেন হিন্দুরা। পাশাপাশি মুসলিম পক্ষের মামলাকারীদের অন্যত্র উপাসনার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। সেজন্য মধ্যপ্রদেশ প্রশাসনের কাছে আবেদন করতে বলা হয়েছে তাদের।

জানা গিয়েছে, লন্ডনের জাদুঘরে রাখা সরস্বতীর প্রতিমা নিয়ে এসে ভোজশালায় স্থাপন করতে চান হিন্দুপক্ষের আবেদনকারীরা। প্রসঙ্গত, মধ্যপ্রদেশের ধার শহরের ভোজশালায় রয়েছে হাজার বছরের পুরানো একটি বিতর্কিত সৌধ। মুসলিমদের দাবি ওটি আসলে মসজিদ। অন্যদিকে হিন্দুদের দাবি ওই সৌধ রাজা ভোজের তৈরি সরস্বতী মন্দির। সরকারি নিয়ম মেনে সপ্তাহে দু’দিন দুই ধর্মের মানুষই এখানে পালন করে ধর্মীয় আচার। বাকি দিনগুলোতে এখানে প্রবেশের অনুমতি থাকলেও পুজো বা নমাজ নিষিদ্ধ। এই নিয়মে বদল চেয়ে ২০২২ সালে হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয় হিন্দুত্ববাদী সংগঠন। হিন্দু পক্ষের আইনজীবী হরিশংকর জৈন মধ্যপ্রদেশ হাই কোর্টকে জানান, ২০০৩ সালের একটি নোটিসের জেরে মুসলিমদের ভোজশালায় নমাজের অধিকার দেওয়া হয়েছিল ঠিকই কিন্তু এটি আসলে হিন্দু মন্দির। তাই এখানে শুধুমাত্র হিন্দুদের উপাসনার অনুমতি দেওয়া হোক।

Advertisement

এরপর ওই স্থানে ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণ (আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অব ইন্ডিয়া বা এএসআই)-কে বৈজ্ঞানিক সমীক্ষার নির্দেশ দিয়েছিল আদালত। সদ্য পেশ হয়েছে সেই সমীক্ষার রিপোর্ট। সেখানে একাধিক ঐতিহাসিক নমুনার পাশাপাশি পাওয়া যায় ৯৪ টি মূর্তি। অবশেষে এদিন এই রায় দিল উচ্চ আদালত। উল্লেখ্য, ওই রিপোর্টকে ‘পক্ষপাতদুষ্ট’ বলে দাবি করেছিল মুসলিম পক্ষ। 

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.