Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Bengali professor Delhi

হাড়হিম হত্যাকাণ্ড রাজধানীর বুকে! দিল্লির ফ্ল্যাটে উদ্ধার বাঙালি অধ্যাপিকার রক্তাক্ত দেহ

পূর্ব দিল্লির বসুন্ধরা এনক্লেভে বসবাস করতেন দেবস্মিতা। দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরাজির অধ্যাপিকা ছিলেন তিনি। বাঙালি অধ্যাপিকা একাই থাকতেন ওই ফ্ল্যাটে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৫, ২০২৬, ১০:০২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৫, ২০২৬, ১০:০২

options
link
হাড়হিম হত্যাকাণ্ড রাজধানীর বুকে! দিল্লির ফ্ল্যাটে উদ্ধার বাঙালি অধ্যাপিকার রক্তাক্ত দেহ zoom
দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপিকার মৃতদেহ উদ্ধার হল তাঁর ফ্ল্যাটের ঘর থেকে। ছবি: সংগৃহীত।

হাড়হিম হত্যাকাণ্ড রাজধানীর বুকে! দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপিকার মৃতদেহ উদ্ধার হল তাঁর ফ্ল্যাটের ঘর থেকে। জানা গিয়েছে, দিল্লিতে একাই থাকতেন অধ্যাপিকা দেবস্মিতা পাল। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে একাধিকবার ফোন করেও তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি। বাধ্য হয়ে পুলিশে খবর দেন দেবস্মিতার দিদি দেবারতি। ফ্ল্যাটের দরজা ভেঙে দেবস্মিতার দেহ উদ্ধার হয়। গোটা ঘটনায় প্রশ্ন উঠছে রাজধানীর নারী নিরাপত্তা নিয়ে।

জানা গিয়েছে, পূর্ব দিল্লির বসুন্ধরা এনক্লেভে বসবাস করতেন দেবস্মিতা। দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরাজির অধ্যাপিকা ছিলেন তিনি। তাঁর স্বামী থাকেন বেঙ্গালুরুতে। দেবস্মিতার বাবা-মাও দিল্লির ওই এলাকাতেই থাকতেন। বাঙালি অধ্যাপিকা একাই থাকতেন ওই ফ্ল্যাটে। পুলিশ সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার সকাল থেকে দেবস্মিতাকে বহুবার ফোন করেছিলেন তাঁর দিদি। কিন্তু সাড়া মেলেনি। বাধ্য হয়ে দুপুর আড়াইটে নাগাদ ফ্ল্যাটে যান দেবস্মিতার দিদি দেবারতি। দরজা বাইরে থেকে বন্ধ ছিল। দরজা ভেঙে ঢুকতেই দেবারতি দেখেন, পড়ে রয়েছে দেবস্মিতার রক্তাক্ত মৃতদেহ।

Advertisement

বোনের এমন অবস্থা দেখে সঙ্গে সঙ্গে পুলিশে খবর দেন দেবারতি। পুলিশ এসে মৃতদেহ উদ্ধার করে। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, মাথায় কোনও ভারী জিনিস দিয়ে আঘাত করা হয়েছে। ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্নও মিলেছে দেবস্মিতার দেহে। কিন্তু ডাকাতি হয়নি। কারণ দেবস্মিতার ঘর থেকে কোনও জিনিস চুরি হয়নি। তাঁর কানের দুলটাও চুরি হয়নি। আপাতত গোটা ঘটনার তদন্ত করছে পুলিশ। প্রশ্ন উঠছে, রাজধানীর বুকে এমন পরিণতি কেন? দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপিকাও কেন নিরাপদ নন?

আপাতত ময়না তদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে দেবস্মিতার দেহ। জানা গিয়েছে, স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদের প্রক্রিয়া চলছে তাঁর। এই খুনের সঙ্গে সেই বিষয়টির যোগ রয়েছে কিনা, সেটাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। উল্লেখ্য, বছর দশেক আগে জামিয়া মিলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডক্টরেট লাভ করেন দেবস্মিতা। দীর্ঘ দশ বছর ধরে তিনি যুক্ত ছিলেন শিক্ষকতার সঙ্গে। মাত্র ৪২ বছর বয়সে থেমে গেল তাঁর জীবন।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.