সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: শিব সেনা প্রতিষ্ঠাতা বাল ঠাকরের মারাঠা এবং হিন্দু আবেগ নিয়ে কখনওই প্রশ্ন ওঠেনি। বরং এই দুই আবেগই ছিল বালা সাহেবের রাজনৈতিক উত্থানের বেসক্যাম্প। মহারাষ্ট্রে হিন্দির আগ্রাসন তথা ভাষা বিতর্কের মধ্যে ভাইরাল হয়েছে ঠাকরের একটি পুরনো ভিডিও। যেখানে তাঁকে বলতে শোনা গিয়েছে, “মহারাষ্ট্রে আমি মারাঠি কিন্তু ভারতে একজন হিন্দু।”
উল্লেখ্য, রাজ্যভাষার উপর হিন্দি চাপিয়ে দেওয়ার অভিযোগ এনেছেন বাল ঠাকরের দুই উত্তরসূরি, পুত্র উদ্ধব ঠাকরে এবং ভাগ্নে রাজ ঠাকরে। এই বিষয়ে বিবাদ তৈরি হয়েছে ক্ষমতায় থাকা বিজেপির মহাযুতি জোটের সঙ্গে। এই বিতর্কের মধ্যেই ঠাকরের পুরনো ভিডিও ভাইরাল হওয়া তাৎপর্যপূর্ণ। ভিডিওটিতে দেখা গিয়েছে পরিচিত ‘ঠাকরে লুক’। গলায় রুদ্রাক্ষের মালা, কাঁধে গেরুয়া শালে বর্ষীয়ান নেতা। নিজের ‘মারাঠি’ এবং ‘হিন্দু’ পরিচয়ের কথা জানান তিনি। বলেন, “আমাদের ভাষাগত পরিচয় ডিঙিয়ে হিন্দুত্বকে আলিঙ্গন করতে হবে”।
ঠাকরের ভিডিও এক্স হ্যান্ডেলে ভাইরাল হয়েছে শনিবার রাতে। এর ঘণ্টা খানেক আগে উদ্ধব ও রাজের রাজনৈতিক পুনর্মিলনের সাক্ষী হয় মহারাষ্ট্র। দু’দশক পর এক মঞ্চে দেখা যায় দুই তুতো ভাইকে। মুম্বইয়ে ‘বিজয় মিছিলে’ অংশ নেন তাঁরা। মহারাষ্ট্রের স্কুলগুলিতে হিন্দি ভাষা পড়ানোর সরকারি নির্দেশ প্রত্যাহারের বিষয়টি উদযাপন করেন রাজ এবং উদ্ধব।
রবিবার উদ্ধব জানান, রাজ এবং তিনি মুম্বই পৌরনিগম নির্বাচনে একসঙ্গে লড়বেন। বাল ঠাকরের মারাঠির অষ্মিতার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, তুতো ভাই এবং তিনি বিজেপিকে ‘জনগণের উপর হিন্দি চাপিয়ে দিতে’ দেবেন না। মারাঠি জনগণকে ঐক্য়বদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান। অন্যদিকে হুঁশিয়ারির সুরে রাজ ঠাকরে বলেন, “মহারাষ্ট্রকে ছুঁয়ে দেখুক একবার.. তারপর কী হয় বুঝবে!” তাঁর অভিযোগ, জাতীয় শিক্ষানীতির দোহাই দিয়ে তিন ভাষা নীতি আসলে মুম্বইকে মহারাষ্ট্র থেকে আলাদা করার ষড়যন্ত্র।
সর্বশেষ খবর
-
দুই পুরুষ বন্ধুর সঙ্গে ট্রেকিংয়ে গিয়ে নিখোঁজ! উত্তর কাশীর এমবিএ পড়ুয়ার নিরুদ্দেশ ঘিরে ঘনাচ্ছে রহস্য
-
৩ বছর একই অফিসে কর্মরত পঞ্চায়েত কর্মীদের বদলির নির্দেশ, ১১,১৫৪টি শূন্য পদে দ্রুত নিয়োগ
-
সাইয়ের ২০০ কোটির প্রকল্প আটকে দিয়েছিল তৃণমূল! মমতা-অরূপকে কাঠগড়ায় তুলে বিস্ফোরক দিন্দা
-
খালি পায়ে সাড়ে তিন হাজার সিঁড়ি বেয়ে তিরুপতিতে জাহ্নবী, কেন এই কঠিন ব্রত?
-
সই-কাণ্ডে ফিরহাদের বাড়িতে সিআইডি, মিটিংয়ে কী ঘটেছিল? জিজ্ঞাসাবাদ মেয়রকে