Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৮ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ২৬ আগস্ট ২০২৬
Baba Ramdev

‘বাবরকে যাঁরা মহিমান্বিত করছেন তাঁরা গদ্দার’, বাংলায় বাবরি মসজিদের শিলান্যাসে ক্ষুব্ধ রামদেব

বেলডাঙায় বাবরি মসজিদের শিলান্যাস করেছেন বহিষ্কৃত তৃণমূল নেতা হুমায়ুন কবীর।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৭, ২০২৫, ১৬:২০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৭, ২০২৫, ১৬:২০

options
link
‘বাবরকে যাঁরা মহিমান্বিত করছেন তাঁরা গদ্দার’, বাংলায় বাবরি মসজিদের শিলান্যাসে ক্ষুব্ধ রামদেব zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: অযোধ্যায় করসেবকদের হাতে ধ্বংস হওয়া বাবরি মসজিদের নতুন করে শিলান্যাস হয়েছে বাংলার মুর্শিদাবাদে। এই ঘটনায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে গোটা দেশে। বাংলায় বাবরির শিলান্যাসে এবার সরব হলেন যোগগুরু বাবা রামদেব। কড়া সুরে জানালেন, ‘যারা বাবরকে মহিমান্বিত করছে তাঁরা গদ্দার।’

সংবাদ সংস্থা এএনআইকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রামদেব বলেন, ৬ ডিসেম্বরের দিনটি এই গোলামি দূর করার বিশেষ একটি দিন। দেশের জনতা সব দেখছে। কোনও বিদেশি হামলাকারীকে মহিমান্বিত করার চেষ্টা তাঁরা মেনে নেবেন না। রামদেবের কথায়, “এই ভারত বাবরের দেশ নয়। এটা মহারাণা প্রতাপ, ছত্রপতি শিবাজি, চন্দ্রশেখর আজাদ, রাজগুরু, ভগত সিং, সনাতন ও শিবের দেশ। বাবর একজন বিদেশি হামলাকারী, যারা তাঁকে মহিমান্বিত করার চেষ্টা করছে তাঁরা আসলে ভারতের গদ্দার। কখনই এইসব লোকেদের উদ্দেশ্য পূরণ হবে না।”

Advertisement

বাবা রামদেব আরও বলেন, “আমরা ইসলাম বা মুসলমানদের বিরুদ্ধে নই। কারণ বাবর ইসলামের অনুসারীও ছিলেন না, মুসলিমও ছিলেন না। তিনি কেবল একজন নিষ্ঠুর আক্রমণকারী ছিলেন। তাকে মহিমান্বিত করা উচিত নয়।”

উল্লেখ্য, গত ৬ ডিসেম্বর সংহতি দিবসে মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় বাবরি মসজিদের শিলান্যাস করেন বহিষ্কৃত তৃণমূল নেতা তথা বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। এই ঘটনায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে গোটা দেশে। ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানের পর সমাবেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে হুমায়ুন বলেন, “আমি অসাংবিধানিক কিছু করছি না। কেউ মন্দির তৈরি করতে পারে, কেউ গির্জা তৈরি করতে পারে, তাহলে আমি কেন মসজিদ তৈরি করতে পারব না? বলা হচ্ছে যে আমরা বাবরি মসজিদ তৈরি করতে পারি না। এটা কোথাও লেখা নেই। সুপ্রিম কোর্টের রায়ে বলা হয়েছে যে হিন্দুরা বাবরি মসজিদ ভেঙে ফেলেছে। হিন্দুদের অনুভূতির প্রতি শ্রদ্ধা রেখে সেখানে মন্দির তৈরির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তাহলে বাবরি মসজিদ তৈরিরও অধিকার রয়েছে আমাদের।”

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.