Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৯ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ২৭ আগস্ট ২০২৬
Assam

অসমে বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত গাইল কংগ্রেস! ‘মিয়া প্রেম’, তোপ বিজেপির

কংগ্রেসেনেতা গৌরব গগৈ জানিয়েছেন, 'রবীন্দ্রসঙ্গীত আমার সোনার বাংলা গেয়েছেন বিধু ভূষণ।'

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৯, ২০২৫, ১৮:৫৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৯, ২০২৫, ১৮:৫৬

options
link
অসমে বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত গাইল কংগ্রেস! ‘মিয়া প্রেম’, তোপ বিজেপির zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: অসমে ফের বিপাকে কংগ্রেস। এবার দলীয় অনুষ্ঠানে ‘আমার সোনার বাংলা’ গেয়ে সমস্যায় জড়ালেন স্থানীয় কংগ্রেস নেতা। এই ভিডিও ভাইরাল হতেই অসমের বিজেপি নেতৃত্ব কংগ্রেসের তীব্র সমালোচনা করেছে। কংগ্রেসকে বিঁধে বিজেপি-র দাবি বাংলাদেশিদের প্রতি সহানুভূতিশীল রাহুলের দল। সম্প্রতি, বাংলাদেশ সফররত পাক সেনার এক জেনারেলকে ‘অখন্ড বাংলাদেশে’র মানচিত্র উপহার দিয়েছেন ইউনুস। সেখানে ভারতের উত্তর-পুর্বের সাত রাজ্যকে বাংলাদেশের অংশ হিসেবে দেখানো হয়েছে। এই ঘটনার পরেই বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত গেয়ে সমস্যা বাড়ালেন খোদ কংগ্রেস নেতা।

জানা গিয়েছে, অসমের বরাক উপত্যকার শ্রীভূমি জেলায় এই ঘটনা ঘটেছে। বরাক উপত্যকায় কংগ্রেসের বর্ষীয়ান নেতা বিধু ভূষণ দাস দলীয় সভায় এই গান গেয়ে বিপাকে জড়িয়েছেন।

Advertisement

অসমের কংগ্রেস নেতা এবং লোকসভায় কংগ্রেসের সহকারি দলনেতা গৌরব গগৈ জানিয়েছেন, ‘বিজেপি এই গানের ঐতিহাসিক এবং সাংস্কৃতিক গুরুত্ব বোঝে না। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা বাংলা গান আমার সোনার বাংলা গেয়েছেন বিধু ভূষণ।’ তিনি আরও বলেছেন, “দুর্ভাগ্যবশত, বিজেপি দাবি করছে যে এটি মুসলিম সম্প্রদায়ের গান এবং বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত। এই গান নোবেল জয়ী এবং ভারতের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর লিখেছিলেন।’

যদিও কংগ্রেসকে আক্রমণ করা থামায়নি বিজেপি। বিজেপির দাবি, এর থেকে বড় প্রমাণ আর কিছু হতে পারে না। মাত্র কয়েকদিন আগে বাংলাদেশ সমগ্র উত্তর-পূর্ব ভারতকে জুড়ে একটি মানচিত্র প্রকাশের সাহস দেখিয়েছে। এখন বাংলাদেশপ্রেমী কংগ্রেস অসমে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত গাইছে।’ অসমের মন্ত্রী অশোক সিঙ্ঘাল নিজের পোস্টে লিখেছেন, ‘এখন বোঝা যাচ্ছে কেন কংগ্রেস কয়েক দশক ধরে অসমে অবৈধ মিয়া অনুপ্রবেশের অনুমতি দিয়েছিল। কংগ্রেস ভোট-ব্যাংকের রাজনীতির জন্য রাজ্যের জনসংখ্যার বিন্যাস পরিবর্তন করেছে।’ প্রসঙ্গত, অসমে সংখ্যালঘু মুসলিমদের মিয়া বলা হয়।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.