বাংলার পাশাপাশি যে রাজ্যগুলির বিধানসভা নির্বাচন নির্বাচনের ফল একসঙ্গে প্রকাশিত হবে সেগুলির মধ্যে অসমে সবচেয়ে বেশি নজর রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের। হিমন্ত বিশ্বশর্মার রাজ্যে ভালোরকম সংগঠন রয়েছে তৃণমূলের। সে রাজ্যের বেশ কয়েকটি আসনে প্রার্থীও দিয়েছে শাসক দল। কিন্তু অসমে তৃণমূলের সবচেয়ে বড় মুখ সুস্মিতা দেব নিজেই তৃণমূলের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারেননি।
আসলে সুস্মিতা শিলচর কেন্দ্রের বাসিন্দা। ওই কেন্দ্রে তৃণমূলের কোনও প্রার্থী ছিল না। অসমে যে ২২ কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থী দিয়েছিল, সেগুলির মধ্যে শিলচর ছিল না। সেখানে মূল লড়াই কংগ্রেস ও বিজেপির। তবে দলের প্রার্থী না থাকলেও সপরিবারে সুস্মিতা ভোট দেন। সুস্মিতার মা তথা প্রাক্তন কংগ্রেস বিধায়ক বিথিকা দেবও ভোট দিয়েছেন।
আরও পড়ুন:
ভোট দেওয়ার দিনও সুস্মিতা বিজেপিকে তোপ দেগেছেন। তাঁকে বলতে শোনা গিয়েছে, “বিজেপি ফের ক্ষমতায় চলে এলে ফের এনআরসি করবে। বাংলার মতো রাজ্যে এসআইআরও করবে। অর্থাৎ বিজেপি আবার বৈধ ভোটারদের, বৈধ নাগরিকদের ভোটাধিকার বাতিল করার ষড়যন্ত্র করছে। তাই নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করা জরুরি।” ভোট দিতে গিয়ে শিলচর কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থীকে ‘কলাগাছ’ বলেও কটাক্ষ করেন তিনি। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, তৃণমূলের প্রার্থী নেই, বিজেপিকে তিনি গালমন্দ করছেন। তাহলে সুস্মিতা কি ভোটটা নিজের পুরনো দল কংগ্রেসকেই দিলেন। নেটিজেনদের অন্তত তেমনটাই দাবি।
আসলে সুস্মিতা একসময় কংগ্রেসের শীর্ষ স্তরের নেত্রী ছিলেন। হাত চিহ্নে লোকসভার সাংসদ হন। সর্বভারতীয় মহিলা কংগ্রেসের সভানেত্রী হন। তাঁর বাবাও প্রসিদ্ধ কংগ্রেস নেতা। মা-ও বিধায়ক ছিলেন। ফলে তিনি কংগ্রেসে ভোট দিতেই পারেন। অসমে মোট ২২টি আসনে প্রার্থী দিয়েছে তৃণমূল। সুস্মিতা নিজেই জানিয়েছিলেন, এমন কোথাও প্রার্থী দেওয়া হবে না যাতে বিজেপির সুবিধা হয়। দরকারে আরও কম আসনে লড়াই করা হবে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
অনুপ্রবেশকারী সন্দেহে গ্রেপ্তার, ফিল্মি কায়দায় মুর্শিদাবাদে পুলিশের গাড়ি থেকে চম্পট ২ বাংলাদেশির!
-
জন্মদিনেই অভিষেকের কান ধরে ওঠবসের ভিডিও পোস্ট গুরু যুবরাজের, কেন শাস্তি পেলেন?
-
দিনে ইঞ্জিনিয়ার, রাতে ক্রিকেটার! আইপিএল খেলাই স্বপ্ন দিল্লির তরুণ পেসারের
-
শ্রীশ্রী জন্মাষ্টমী মহোৎসব ঘিরে ভারত সেবাশ্রম সংঘে সপ্তাহব্যাপী অনুষ্ঠান
-
দুপুরে খাবার পরই চোখ জুড়িয়ে আসে? ‘ফুড কোমা’র আড়ালে কঠিন রোগ নেই তো?