Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৭ ভাদ্র ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ২৫ আগস্ট ২০২৬
Assam Assembly Election 2026

আরও এক রাজ্যে ইন্ডিয়া জোটে ভাঙন, কংগ্রেসকে বাদ দিয়ে একা লড়ার ঘোষণা শরিকের, হাসছে বিজেপি

ইন্ডিয়া জোটের অন্দরে কংগ্রেসকে কোণঠাসা করার চেষ্টা করছে শরিকরা। বাংলার ভোটে তৃণমূলকে নিঃশর্ত সমর্থনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে জেএমএম। কংগ্রেস ঝাড়খণ্ডে তাঁদের প্রত্যক্ষ জোটসঙ্গী হওয়া সত্ত্বেও হাত শিবিরকে সমর্থন করছেন না হেমন্ত।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৫, ২০২৬, ১৯:১৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৫, ২০২৬, ১৯:১৩

options
link
আরও এক রাজ্যে ইন্ডিয়া জোটে ভাঙন, কংগ্রেসকে বাদ দিয়ে একা লড়ার ঘোষণা শরিকের, হাসছে বিজেপি zoom
মল্লিকার্জুন খাড়গে ও রাহুল গান্ধী। ফাইল ছবি।
Advertisement

অসমের ভোটের মুখে বড় ধাক্কা কংগ্রেসের। সে রাজ্যে কংগ্রেসের সঙ্গে আসন সমঝোতা ভেস্তে যাওয়ায় একা লড়ার সিদ্ধান্ত নিল হেমন্ত সোরেনের দল ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা। অসমের ২১ আসনে প্রার্থী দেওয়ার সিদ্ধান্ত ঘোষণা নিয়েছে ঝাড়খণ্ডের শাসক দল। যা নিয়ে তুঙ্গে কংগ্রেস-জেএমএম বাদানুবাদ।

আসলে অসমে ঝাড়খণ্ডের বহু মানুষ পরিযায়ী শ্রমিক হিসাবে কাজ করতে যান। তাঁদের অনেকেই অসমের চা বাগান সংলগ্ন এলাকায় রয়ে গিয়েছেন। এদের অধিকাংশই তপশিলি উপজাতির। ফলে অসমের টি ট্রাইবে কিছুটা প্রভাব রয়েছে ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার। যদিও ২০১১ সালের পর ঝাড়খণ্ডে জেএমএম লড়েনি। কোনও না কোনও দলকে শুধু সমর্থন করেছে। এবারও সব ঠিক থাকলে জেএমএমের লড়াই করার কথা ছিল কংগ্রেসের শরিক হিসাবেই। কিন্তু কংগ্রেস হেমন্ত সোরেনদের জন্য ৩টির বেশি আসন ছাড়তে রাজি ছিল না। তাতে নারাজ জেএমএম। তাঁরা অন্তত পাঁচ আসনের দাবিতে অনড় ছিল।

Advertisement

শেষ পর্যন্ত দুই শিবিরের সমঝোতা হয়নি। একাই লড়ার সিদ্ধান্ত নেয় জেএমএম। আদিবাসী অধ্যুষিত ২১ আসনে প্রার্থী দিয়ে দেয় ঝাড়খণ্ডের শাসকদল। এর মধ্যে দুই আসনে অবশ্য তাঁদের মনোনয়ন বাতিল হয়েছে। শোনা যাচ্ছে, হেমন্ত সোরেনের এই একলা চলার সিদ্ধান্তে রীতিমতো ক্ষুব্ধ জোট শরিক কংগ্রেস। অসমের নেতারা তো বটেই, ঝাড়খণ্ডের কংগ্রেস নেতারাও এতে আপত্তি জানিয়েছেন। কিন্তু হেমন্ত মানতে নারাজ। তাঁর সাফ কথা, এর আগে বিহারে আসনরফার সময় তাঁদের গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। অসমেও দেওয়া হল না। জোট শরিক হিসাবে কংগ্রেসের কাছে প্রাপ্য সম্মানটুকুও পাচ্ছে না জেএমএম।

কেউ কেউ অবশ্য বলছেন, সবটাই কংগ্রেসকে কোণঠাসা করার চেষ্টা। জেএমএমের অসমে যা প্রভাব রয়েছে, তাতে কোনওভাবেই এত আসন দাবি করা যায় না। বরং বাংলার সীমানা লাগোয়া এলাকায় কিছু আসনে লড়াই করতে পারতেন ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু বাংলার ভোটে তৃণমূলকে নিঃশর্ত সমর্থনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে জেএমএম। কংগ্রেস ঝাড়খণ্ডে তাঁদের প্রত্যক্ষ জোটসঙ্গী হওয়া সত্ত্বেও হাত শিবিরকে সমর্থন করছেন না হেমন্ত। একই অবস্থান অরবিন্দ কেজরিওয়াল, অখিলেশ যাদবদেরও। তাঁরাও বাংলায় নিঃশর্ত সমর্থন করছে তৃণমূলকে। অথচ আপ অসমে বিজেপির বিরুদ্ধে কংগ্রেসকে সমর্থন না করে আলাদা লড়াই করছে। অখিলেশ নিজের রাজ্যে কংগ্রেসের জোটসঙ্গী। কিন্তু বাংলায় হাতের পাশে নেই। আসলে ইন্ডিয়া জোটের অন্দরে কংগ্রেস দিন দিন কোণঠাসা হচ্ছে। আর তৃণমূল হচ্ছে জনপ্রিয়। এই ঘটনাগুলি সেটারই প্রমাণ।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.