Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১১ আগস্ট ২০২৬
Arvind Kejriwal

বন্ধু হেমন্ত, নাকি আন্দোলনরত পড়ুয়া! সমর্থনের ধর্ম সংকটে মধ্যবর্তী রাস্তা নিলেন কেজরিওয়াল

পড়ুয়াদের উপর পুলিশি লাঠিচার্জ, কাঁদানে গ্যাস, জলকামান চললেও একটি শব্দও খরচ করেননি আপ প্রধান। অথচ সোমবার যখন রাঁচির রাস্তায় এত কাণ্ড হচ্ছে তখন মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনকে শুভেচ্ছা জানাতে দেখা যায় তাঁকে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১১, ২০২৬, ১৫:০৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১১, ২০২৬, ১৫:০৩

options
link
বন্ধু হেমন্ত, নাকি আন্দোলনরত পড়ুয়া! সমর্থনের ধর্ম সংকটে মধ্যবর্তী রাস্তা নিলেন কেজরিওয়াল zoom
ঝাড়খণ্ডে ছাত্র আন্দোলনে মুখে কুলুপ কেজরির!
Advertisement

গতমাসে দিল্লির যন্তর মন্তরে ককরোচ আন্দোলনে তেড়েফুঁড়ে মাঠে নামতে দেখা গিয়েছিল আম আদমি পার্টির প্রধান অরবিন্দ কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal)। তবে ঝাড়খণ্ডে পড়ুয়াদের আন্দোলনে সেই তিনি মুখে কুলুপ এঁটেছেন। গত সোমবার ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনের জন্মদিনে শুভেচ্ছাবার্তা দিলেও আন্দোলনে পুলিশি পদক্ষেপ নিয়ে একটি শব্দও উচ্চারণ করেনি। ফলে বিষয়টা স্পষ্ট যে, বন্ধুত্ব ও আদর্শের কোনও একটি বাছতে গিয়ে ধর্ম সংকটে পড়েছেন কেজরিওয়াল। এই পরিস্থিতিতে মধ্যবর্তী রাস্তায় হাঁটার সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি। মঙ্গলবার ছাত্র আন্দোলন প্রসঙ্গে ঝাড়খণ্ড সরকারের উদ্দেশে একটি শব্দ খরচ না করেই জানালেন পড়ুয়াদের উপর হিংসা কোনওভাবেই গ্রহনযোগ্য নয়।

নিটের প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় কেন্দ্রের বিরুদ্ধে আক্রমণে কোনও খামতি রাখেননি তিনি। এমনকী যন্তর মন্তরে ককরোচ জনতা পার্টির সভামঞ্চে গিয়ে পড়ুয়াদের উৎসাহ দেওয়ার পাশাপাশি শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে সরব হন। সিজেপি-র বিক্ষোভের পরপরই ঝাড়খণ্ডের জেপিএসি নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়মের ঘটনা সামনে আসে। একই ধাঁচে শুরু হয় আন্দোলন। এতেই বিপাকে পড়েন কেজরি। সোশাল মিডিয়ায় নেটিজেনদের তরফে কটাক্ষ করা হয় এবার কেজরি কোথায় গেলেন? পড়ুয়াদের উপর পুলিশি লাঠিচার্জ, কাঁদানে গ্যাস, জলকামান চললেও একটি শব্দও খরচ করেননি আপ প্রধান। অথচ সোমবার যখন রাঁচির রাস্তায় এত কাণ্ড হচ্ছে তখন মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনকে শুভেচ্ছা জানাতে দেখা যায় তাঁকে।

Advertisement

হেমন্ত সোরেন সরকারের সমালোচনা নয়, বরং ‘ধরি মাছ, না ছুঁই পানি’ সুলভ ভঙ্গিতে তিনি লেখেন, ‘আমি ঝাড়খণ্ডের প্রতিবাদী ছাত্রদের দাবিকে সমর্থন করি এবং সরকারকে অবিলম্বে তাদের সমস্যার সমাধান করার জন্য আবেদন জানাচ্ছি। ছাত্রদের ওপর হিংসা অগ্রহণযোগ্য।’

অরবিন্দ কেজরিওয়ালের এমন দু’মুখো মানসিকতায় সোশাল মিডিয়ায় সমালোচনার ঝড় উঠতেই মঙ্গলবার নীরবতা ভাঙলেন তিনি। তবে হেমন্ত সোরেন সরকারের সমালোচনা নয়, বরং ‘ধরি মাছ, না ছুঁই পানি’ সুলভ ভঙ্গিতে তিনি লেখেন, ‘আমি ঝাড়খণ্ডের প্রতিবাদী ছাত্রদের দাবিকে সমর্থন করি এবং সরকারকে অবিলম্বে তাদের সমস্যার সমাধান করার জন্য আবেদন জানাচ্ছি। ছাত্রদের ওপর হিংসা অগ্রহণযোগ্য।’

উল্লেখ্য, অরবিন্দ কেজরিওয়াল ও হেমন্ত সোরেনের বন্ধুত্ব অনেকদিনের। উভয় নেতাই একাধিক মামলায় কেন্দ্রীয় এজেন্সি দ্বারা গ্রেপ্তার হয়েছেন। রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের অভিযোগে সোচ্চার হয়েছেন মোদি সরকারের বিরুদ্ধে। হেমন্তের গ্রেপ্তারির পর কেজরিওয়ালের স্ত্রী সুনিতা কেজরিওয়াল ২০২৪ সালের এপ্রিলে রাঁচিতে জেএমএম-এর আয়োজিত একটি সমাবেশ যোগ দেন। একদিকে ঘনিষ্ঠ বন্ধু আর অন্যদিকে রাজনৈতিক আদর্শ দু’ইয়ের মাঝে পড়ে নাজেহাল অবস্থা কেজরিওয়ালের।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.