Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৯ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ২৭ আগস্ট ২০২৬
Pakistan

‘শিগগিরি সুযোগ আসবে…’, পাকিস্তানকে মানচিত্র থেকে মুছে ফেলার হুঙ্কার সেনাপ্রধানের

'অপারেশন সিঁদুর ১.০-এর সংযম পরের বার দেখাব না', বলছেন সেনাপ্রধান।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৩, ২০২৫, ১৮:৫৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৩, ২০২৫, ১৮:৫৬

options
link
‘শিগগিরি সুযোগ আসবে…’, পাকিস্তানকে মানচিত্র থেকে মুছে ফেলার হুঙ্কার সেনাপ্রধানের zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পাকিস্তান যদি চায় মানচিত্রে থাকতে, তাহলে তাদের সন্ত্রাসবাদে মদত দেওয়া বন্ধ করতে হবে। এমনই হুঁশিয়ারি সেনাপ্রধান উপেন্দ্র দ্বিবেদীর। পাশাপাশি তিনি স্পষ্ট জানালেন, অপারেশন সিঁদুরে শেষপর্যন্ত নয়াদিল্লি অব্যাহতি দিলেও পরবর্তী সময়ে আর তেমন কিছু হবে না। ভারতীয় সেনাকে তৈরি থাকার বার্তাও দিয়েছেন সেনাপ্রধান।

তাঁকে বলতে শোনা গিয়েছে, ”ভারত এবার সম্পূর্ণ প্রস্তুত। আর এবার, অপারেশন সিঁদুর ১.০-এর সময় যে সংযম দেখিয়েছিলাম তা দেখাব না। এবার আমরা এক ধাপ এগিয়ে যাব এবং এমনভাবে কাজ করব যা পাকিস্তানকে ভাবতে বাধ্য করবে যে তারা বিশ্ব মানচিত্রে থাকতে চায় কি না।” সেই সঙ্গেই সেনার প্রতি তাঁর বার্তা, ”নিজেদের প্রস্তুত রাখুন। ঈশ্বর চাইলে, সুযোগ শিগগিরি আসবে।”

Advertisement

অপারেশন সিঁদুরের পরও সন্ত্রাসবাদে মদত দেওয়া বন্ধ করেনি পাকিস্তান। সীমান্তে এখনও সমানতালে চলছে অনুপ্রবেশের চেষ্টা। সেনাপ্রধান উপেন্দ্র দ্বিবেদী আগেই এমন দাবি করেছিলেন। জানিয়েছিলেন, অপারেশন সিঁদুর ১০ মে শেষ হয়নি। ১০ মে-র পরও সবার অলক্ষে লড়াই চলেছে। গত ২২ এপ্রিল পহেলগাঁওয়ে ২৬ নিরস্ত্রকে হত্যা করে লস্করের সঙ্গী সংগঠন টিআরএফের চার জঙ্গি। তাদের পথ দেখিয়ে নিয়ে যায় কাশ্মীরের স্থানীয় এক জঙ্গি।

এই হামলার জবাবে ৭ মে ভোর-রাতে অপারেশন চালায় ভারত। গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় পাকিস্তান ও পিওকে-র নয়টি জঙ্গিঘাঁটি। এরপর ভারতের সীমান্তবর্তী রাজ্যগুলির জনবহুল এলাকা এবং সেনাঘাঁটিকে লক্ষ্য করে হামলা চালায় পাকিস্তান। সেই হামলা প্রতিহত করার পাশাপাশি প্রত্যাঘাত করে ভারত। তাতেই তছনছ হয়ে গিয়েছে পাকিস্তানের অন্তত ১১টি একধিক বায়ু সেনাঘাঁটি। জানা গিয়েছে, পর্যন্ত ভারতীয় সেনার অভিযানে নিহত হয়েছে ১০০ জনের বেশি জঙ্গি ও ৩৫-৪০ জন পাক সেনা। শেষ পর্যন্ত ইসলামাবাদের মিনতিতে সংঘর্ষবিরতিতে রাজি হয় নয়াদিল্লি। তবে এরপরও সন্ত্রাসে মদত দেওয়া বন্ধ করেনি পাকিস্তান।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.