Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Rajnath Singh

‘দীর্ঘকালীন যুদ্ধের জন্য আমাদের প্রস্তুত হওয়া উচিত’, রাজনাথের বার্তায় কীসের ইঙ্গিত?

টানা ৫ বছর ধরে চলা যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত হওয়ার বার্তা রাজনাথের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৭, ২০২৫, ১৭:৪১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৭, ২০২৫, ১৭:৪১

options
link
‘দীর্ঘকালীন যুদ্ধের জন্য আমাদের প্রস্তুত হওয়া উচিত’, রাজনাথের বার্তায় কীসের ইঙ্গিত? zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পহেলগাঁও সন্ত্রাসকে কেন্দ্র করে ভারত-পাক সংঘাতের রেশ এখনও পুরোপুরি কাটেনি। এরইমাঝে সেনাকে প্রস্তুত হওয়ার বার্তা দিলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। তাঁর বার্তা, বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে গুরুত্ব দিয়ে দেশের সেনাকে সবরকম চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। তা সে স্বল্প মেয়াদের হোক বা টানা ৫ বছর ধরে চলা যুদ্ধ।

বুধবার মধ্যপ্রদেশের এক অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, “বর্তমান সময়ে যুদ্ধ ভীষণ আকস্মিকভাবে শুরু হয়। ফলে কবে যুদ্ধ শুরু হবে এবং তা কতদিন ধরে চলবে তা কেউ আগাম বলতে পারে না। যুদ্ধ দু’মাস, চার মাস, এক বছর, এমনকি ৫ বছর পর্যন্ত চলতে পারে। ফলে যে কোনও পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে আমাদের প্রস্তুত থাকা উচিত।” তবে এই ধরনের পরিস্থিতিতে ভারতের নীতি স্পষ্ট করে রাজনাথ বলেন, “ভারত কখনও কারও জমি দখল করতে চায় না। কিন্তু কেউ যদি আমাদের উপর আক্রমণ করে সেক্ষেত্রে ছেড়ে কথা বলার পাত্র আমরা নই। আমরা আমাদের সর্বোচ্চ ত্যাগের মাধ্যমে নিজেদের রক্ষা করতে প্রস্তুত।”

Advertisement

এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দেশের চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ জেনারেল অনিল চৌহান, বায়ুসেনা প্রধান এপি সিং ও নৌসেনার প্রধান দিনেশ ত্রিপাঠী। তাঁদের উপস্থিতিতেই অপারেশন সিঁদুরের ঢালাও প্রশংসা করেন রাজনাথ। “এই অভিযান ভারতের দেশিয় প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম, প্রযুক্তি এক উজ্জ্বল উদাহরণ। অপারেশন সিঁদুর দেখিয়ে দিয়েছে আত্মনির্ভরতা এখন শুধু একটি লক্ষ্য নয়, বরং ভবিষ্যতের অপরিহার্যতা। আমরা আত্মনির্ভরতার পথে অনেকটা এগিয়েছি, এখনও অনেক পথ হাঁটা বাকি।”

উল্লেখ্য, ২২ এপ্রিল পহেলগাঁওয়ে ২৬ নিরস্ত্রকে হত্যা করে লস্করের ছায়া সংগঠন টিআরএফের চার জঙ্গি। তাদের পথ দেখিয়ে নিয়ে যায় কাশ্মীরের স্থানীয় এক জঙ্গি। এই হামলার জবাবে ৭ মে ভোর-রাতে অপারেশন চালায় ভারত। গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় পাকিস্তান ও পাক অধিকৃত কাশ্মীরের নয়টি জঙ্গিঘাঁটি। এরপর ভারতের সীমান্তবর্তী রাজ্যগুলির জনবহুল এলাকা এবং সেনাঘাঁটিকে লক্ষ্য করে হামলা চালায় পাকিস্তান। সেই হামলা প্রতিহত করার পাশাপাশি প্রত্যাঘাত করে ভারত। তাতেই তছনছ হয়ে যায় পাকিস্তানের অন্তত ১১টি একাধিক বায়ু সেনাঘাঁটি। ভারতীয় সেনার অভিযানে নিহত হয় ১০০ জনের বেশি জঙ্গি ও ৩৫-৪০ জন পাক সেনা। শেষ পর্যন্ত ইসলামাবাদের আর্জিতে সংঘর্ষবিরতিতে রাজি হয় নয়াদিল্লি। তবে পাকিস্তান কোনওভাবেই বিশ্বাসযোগ্য নয়, ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখে এবার সেনাকে প্রস্তুত থাকার বার্তা রাজনাথের।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.