Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ১৪ জুন ২০২৬
Oman

ওমান উপসাগরে ফের ভারতীয় নাবিকদের জাহাজে হামলা! বিতর্কের মাঝেই মুখ খুলল নয়াদিল্লি

বুধবার ওমান উপসাগরে পালাউয়ের পতাকাবাহী এমটি সেট্টেবেল্লো নামে একটি বাণিজ্যতরীতে হামলা চালায় মার্কিন সেনা। অভিযোগ, বাণিজ্যতরীটিতে আছড়ে পড়ে একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র। সঙ্গে সঙ্গে আগুন লেগে যায়। জাহাজটিতে মোট ২৮ জন নাবিক ছিলেন। তাঁদের মধ্যে ২৪ জন ভারতীয়। হামলার পরই জাহাজ থেকে আপৎকালীন বার্তা পাঠানো হয়। উদ্ধার করা হয় ২১ জন ভারতীয়কে। বাকি তিন ভারতীয়র মৃত্যু হয়েছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৩, ২০২৬, ১৪:০০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৩, ২০২৬, ১৪:০০

options
link
ওমান উপসাগরে ফের ভারতীয় নাবিকদের জাহাজে হামলা! বিতর্কের মাঝেই মুখ খুলল নয়াদিল্লি zoom
ওমানে একের পর এক ভারতীয় নাবিক থাকা জাহাজে হামলার ঘটনায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে। প্রতীকী ছবি।

ওমানে একের পর এক ভারতীয় নাবিক থাকা জাহাজে হামলার ঘটনায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে। গত কয়েকদিনে মোট তিনটি বাণিজ্যতরীতে গোলাবর্ষণ করেছে মার্কিন সেনা। তার মধ্যেই দ্বিতীয় জাহাজে হামলায় মৃত্যু হয়েছে তিন ভারতীয় নাবিকের। এই পরিস্থিতিতে একাধিক রিপোর্টে দাবি করা হচ্ছে, ওমান উপসাগরে আরও একটি বাণিজ্যতরী মার্কিন হামলার শিকার হয়েছে।

গোটা বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক বাড়তেই মুখ খুলেছে নয়াদিল্লি। বিদেশমন্ত্রক সাফ জানিয়ে দিয়েছে, ওমানে আর কোনও ভারতীয় নাবিকদের জাহাজে হামলার ঘটনা ঘটেনি। বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, “বেশ কিছু রিপোর্টে দাবি করা হচ্ছিল ওমান উপসাগরে লিয়াকি ফ্রিডম নামে একটি জাহাজে হামলা হয়েছে। বাণিজ্যতরীটিতে বহু ভারতীয় নাবিক ছিলেন। কিন্তু সরকার জাহাজটির প্রধান আধিকারিকের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করে। তিনি নিশ্চিত করেছেন, এধরনের কোনও ঘটনা ঘটেনি। জাহাজের সকল নাবিক এবং কর্মী সুরক্ষিত রয়েছেন।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের বলি হচ্ছে ভারতীয়রাও। বুধবার ওমান উপসাগরে পালাউয়ের পতাকাবাহী এমটি সেট্টেবেল্লো নামে একটি বাণিজ্যতরীতে হামলা চালায় মার্কিন সেনা। অভিযোগ, বাণিজ্যতরীটিতে আছড়ে পড়ে একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র। সঙ্গে সঙ্গে আগুন লেগে যায়। জাহাজটিতে মোট ২৮ জন নাবিক ছিলেন। তাঁদের মধ্যে ২৪ জন ভারতীয়। হামলার পরই জাহাজ থেকে আপৎকালীন বার্তা পাঠানো হয়। উদ্ধার করা হয় ২১ জন ভারতীয়কে। বাকি তিন ভারতীয়র মৃত্যু হয়েছে। এর আগে গত সোমবার এমটি মারিভেক্স নামে মাদাগাস্কারের পতাকাবাহী একটি জাহাজেও হামলা চালায় মার্কিন সেনা। সেখানেও ২৪ জন ভারতীয় নাবিক ছিলেন। কিন্তু সৌভাগ্যবশত তাঁদের কোনও ক্ষতি হয়নি।

শুধু তা-ই নয়, গত বৃহস্পতিবারও ওমানের শিনাস বন্দরের কাছে একটি জাহাজটি হামলার মুখে পড়ে। জাহাজটির নাম এমটি জলবীর। তবে সেটি কোন দেশের পতাকাবাহী, সেটা জানা যায়নি। বাণিজ্যতরীটিতে মোট ২০ জন ভারতীয় নাবিক ছিলেন বলে সূত্রের খবর। তবে তাঁদেরও কোনও ক্ষতি হয়নি। এখনও পর্যন্ত ওমান উপসাগরে মোট তিন ‘ভারতীয়’ জাহাজ হামলার শিকার হয়েছে। সবকটি হামলার দায় স্বীকার করেছে আমেরিকা।

কেন বাণিজ্যতরীগুলিতে হামলা চালানো হল? তা নিয়ে ইতিমধ্যেই মুখ খুলেছে ওয়াশিংটন। মার্কিন সেনার তরফে জানানো হয়েছে, ওই জলপথে অবরোধ জারি করে রেখেছে আমেরিকা। কিন্তু তা সত্ত্বেও তাদের নির্দেশ অমান্য করে জাহাজগুলি ইরানের বন্দরের দিকে অগ্রসর হচ্ছিল। সেই কারণেই জাহাজগুলিকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, উপসাগরীয় অঞ্চলে ভারতীয় নাবিকদের দ্বারা পরিচালিত বাণিজ্যতরীতে হামলার ঘটনাকে বুধবার তীব্র নিন্দা করেছে ভারত। বিদেশমন্ত্রকের বিবৃতিতে এই ধরনের হামলার ঘটনাকে ‘গভীরভাবে উদ্বেগজনক’ বলা হয়েছে। বৃহস্পতিবার এই বিষয়ে বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, “গত কয়েকদিনে পশ্চিম এশিয়ায় ভারতীয় নাবিকদের নিয়ে বেশ কয়েকটি ঘটনা ঘটেছে। আমাদের নাবিকদের কল্যাণ ও মঙ্গলকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিই আমরা।” শুক্রবার মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে তলবও করেছে দিল্লি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.