Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৮ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ২৬ আগস্ট ২০২৬
বঙ্গে পালাবদল
Amit Shah

জুনেই বঙ্গে শাহী সফর, জমি হস্তান্তরের মধ্যেই সীমান্ত পরিদর্শনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক সূত্রের খবর, বাংলাদেশ লাগোয়া একাধিক সীমান্ত অঞ্চল সরেজমিন পরিদর্শনের পাশাপাশি সীমান্ত নিরাপত্তা নিয়ে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করবেন শাহ।

Advertisement
নন্দিতা রায়
নন্দিতা রায়

শেষ আপডেট: মে ২৬, ২০২৬, ১২:২১

link
নন্দিতা রায়
নন্দিতা রায়

শেষ আপডেট: মে ২৬, ২০২৬, ১২:২১

options
link
জুনেই বঙ্গে শাহী সফর, জমি হস্তান্তরের মধ্যেই সীমান্ত পরিদর্শনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী zoom

আগামী জুনের মাঝামাঝি পশ্চিমবঙ্গ সফরে যাবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। আর সেই সফরের কেন্দ্রবিন্দুতেই থাকছে রাজ্যের সীমান্ত এলাকা। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক সূত্রের খবর, বাংলাদেশ লাগোয়া একাধিক সীমান্ত অঞ্চল সরেজমিন পরিদর্শনের পাশাপাশি সীমান্ত নিরাপত্তা নিয়ে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করবেন শাহ। ইতিমধ্যেই দিল্লিতে এই সফর ঘিরে প্রশাসনিক তৎপরতা শুরু হয়েছে। সূত্রের দাবি, সীমান্তে অনুপ্রবেশ, গবাদি ও মাদক পাচার, জাল নোট চক্র এবং সীমান্তবর্তী এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থার ফাঁকফোকর- সব কিছু নিয়েই বিস্তারিত পর্যালোচনা করতে চান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। বিএসএফের শীর্ষ আধিকারিকদের পাশাপাশি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী-সহ প্রশাসনিক কর্তাদের সঙ্গেও তাঁর বৈঠকের সম্ভাবনা রয়েছে। সীমান্তবর্তী জেলাগুলির জেলা প্রশাসন ও পুলিশকর্তাদেরও প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে বলে খবর।

রাজনৈতিক মহলের মতে, এই সফর নিছক প্রশাসনিক নয়, অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ রাজনৈতিক বার্তাও বহন করছে। বিধানসভা নির্বাচনের পরপরই সীমান্ত নিরাপত্তা ইস্যুকে ফের সামনে আনতে চাইছে বিজেপি নেতৃত্ব। বিশেষ করে অনুপ্রবেশ ও সীমান্ত অপরাধ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই পূর্বতন রাজ্য সরকারকে আক্রমণ শানিয়ে এসেছে গেরুয়া শিবির। শাহের এই সফর তারই প্রতিফলন বলেই মনে করা হচ্ছে। বঙ্গ সফরের আগে অবশ্য একাধিক সীমান্তবর্তী রাজ্যে সফরে যাচ্ছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। রবিবার রাজস্থানের বিকানেরের পর সোমবার বিএসএফের সাঞ্চ সীমান্ত চৌকি পরিদর্শন ও নিরাপত্তা বৈঠক করেছেন তিনি। ২৯ মে গুজরাতের ভুজ সফরে যাবেন। সেখানে হারামি নালা এলাকা ঘুরে দেখবেন শাহ।

Advertisement

এরপর ৫ জুন ত্রিপুরা সীমান্ত সফরের কর্মসূচিও রয়েছে তাঁর। কেন্দ্রীয় সূত্রের বক্তব্য, দেশের আন্তর্জাতিক সীমান্তে নজরদারি আরও শক্তিশালী করা, প্রযুক্তিনির্ভর নিরাপত্তা ব্যবস্থা বাড়ানো এবং সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সঙ্গে সরাসরি সমন্বয় গড়ে তুলতেই এই ধারাবাহিক সফরসূচি নেওয়া হয়েছে। তবে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, পশ্চিমবঙ্গ সফর ঘিরেই এখন সব চেয়ে বেশি আগ্রহ দিল্লি ও রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.