Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৬ ভাদ্র ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ২৪ আগস্ট ২০২৬
Allahabad HC

স্বামীর শারীরিক অক্ষমতা নিয়ে মুখ খোলা অন্যায় নয়, মহিলার আবেদনে সাড়া দিল হাই কোর্ট

যদি কোনও মহিলা আইনি কারণে যথাযথ আধিকারিকের কাছে অভিযোগ দায়েরের সময়ে নপুংসক শব্দটি ব্যবহার করেন, তাহলে কোনও অন্যায় নেই। উপযুক্ত প্রমাণ এবং মেডিক্যাল নথিপত্রের ভিত্তিতে এমনটা বলতে পারেন যেকোনও মহিলা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২১, ২০২৬, ১৯:৪২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২১, ২০২৬, ১৯:৪২

options
link
স্বামীর শারীরিক অক্ষমতা নিয়ে মুখ খোলা অন্যায় নয়, মহিলার আবেদনে সাড়া দিল হাই কোর্ট zoom
ছবি এআই দ্বারা নির্মিত।
Advertisement

উপযুক্ত প্রমাণ থাকলে স্বামীকে নপুংসক বলতেই পারেন মহিলারা। এমনটাই রায় দিল এলাহাবাদ হাই কোর্ট। বৃহস্পতিবার একটি মামলার শুনানি চলছিল উচ্চ আদালতে। এক মহিলা স্বামীর শারীরিক অক্ষমতা নিয়ে প্রকাশ্যে মন্তব্য করায় তাঁকে নোটিস পাঠায় নিম্ন আদালত। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে এলাহাবাদ হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন ওই মহিলা। শেষ পর্যন্ত তাঁর পক্ষেই মুখ খুলল উচ্চ আদালত।

জানা গিয়েছে, ওই মহিলার বিয়ে হয় ২০২২ সালে। তারপর দু’বছর কেটে গেলেও স্বামীর সঙ্গে তাঁর শারীরিক সম্পর্ক হয়নি। তার অন্যতম কারণ মহিলার স্বামীর শারীরিক অক্ষমতা। ২০২৪ সালে এই বিষয়টি নিয়ে সরব হন ওই মহিলা। গার্হস্থ্য হিংসার মামলা দায়ের করেন স্বামী এবং শ্বশুরবাড়ির বিরুদ্ধে। ওই অভিযোগকারিণীর মতে, পণ চেয়ে স্বামী এবং শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা অত্যাচার চালাত তাঁর উপর। সঙ্গে স্বামীর নপুংসকতা তো আছেই। সবমিলিয়ে মামলা দায়ের করেন ওই মহিলা।

Advertisement

কিন্তু এই মামলার পালটা মানহানির মামলা দায়ের করেন ওই মহিলার স্বামী। তিনি দাবি করেন, প্রকাশ্যে নপুংসক বলে আসলে তাঁকে অপমান করেছে স্ত্রী। জীবনসঙ্গীর এহেন কাণ্ডে তাঁর ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে, এমনটাই দাবি করেন অভিযোগকারিণীর স্বামী। সেই বিষয়গুলি উল্লেখ করে দায়ের করেন মানহানির মামলা। মানহানির মামলার পাশাপাশি অভিযোগকারিণীর স্বামী দাবি করেন, তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া সমস্ত অভিযোগ প্রত্যাহার করতে হবে। মানহানি মামলার ভিত্তিতে মহিলাকে নোটিস পাঠায় নিম্ন আদালত।

ওই নোটিসের বিরোধিতা করে এলাহাবাদ হাই কোর্টে আবেদন করেন মহিলা। সেই আবেদনের ভিত্তিতে উচ্চ আদালত সাফ জানিয়েছে, অভিযোগকারিণী মোটেই খারাপ উদ্দেশ্যে তাঁর স্বামীকে নপুংসক বলেননি। যদি কোনও মহিলা আইনি কারণে যথাযথ আধিকারিকের কাছে অভিযোগ দায়েরের সময়ে নপুংসক শব্দটি ব্যবহার করেন, তাহলে কোনও অন্যায় নেই। উপযুক্ত প্রমাণ এবং মেডিক্যাল নথিপত্রের ভিত্তিতে এমনটা বলতে পারেন যেকোনও মহিলা। স্বামীর অক্ষমতার প্রমাণ দেখিয়ে বিবাহবিচ্ছেদের আবেদনও করতে পারেন তাঁরা।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.