দিল্লিতে লাল কেল্লার সামনে ভয়াবহ বিস্ফোরণের (Delhi Blast Case) নেপথ্যে রয়েছে আল কায়দাই! রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের একটি রিপোর্টে এমনটাই দাবি করা হয়েছে। পাশাপাশি, সতর্ক করা হয়েছে জঙ্গি সংগঠনটি ভারত-বাংলাদেশ এবং আফগানিস্তানে তাদের জাল বিছাতে শুরু করেছে। দিল্লি বিস্ফোরণের নেপথ্যে আল কায়েদা-যোগের কথা আগেই জানিয়েছিল ভারত। এবার ততেই সিলমোহর দিল রাষ্ট্রসংঘ।
সম্প্রতি নিরাপত্তা পরিষদের ‘অ্যানালিটিক্যাল সাপোর্ট অ্যান্ড স্যাংশনস মনিটরিং টিম’ একটি রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। সেখানে বলা হয়েছে, গত নভেম্বরে দিল্লি বিস্ফোরণের নেপথ্যে ছিল আল কায়েদার উপমহাদেশীয় শাখা, যার নাম ‘আল-কায়েদা ইন দ্য ইন্ডিয়ান সাবকন্টিনেন্ট’। সংগঠনটি দক্ষিণ-পূর্ব আফগানিস্তানে সক্রিয় রয়েছে। রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, সংগঠনটি বড় কোনও ইউনিট তৈরি করার পরিবর্তে ছোট ছোট ‘সেল’ গড়ে তুলছে। তার মধ্যেই রয়েছে লজিস্টিক ও আর্থিক নেটওয়ার্ক। শুধু তাই নয়, জেহাদিরা প্রতিবেশি বাংলাদেশেও তাদের জাল বিস্তার করেছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে রিপোর্টে। একইসঙ্গে বলা হয়েছে, সন্ত্রাসী সংগঠনগুলি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহারও বৃদ্ধি করেছে। বোমা তৈরি, টার্গেট নির্বাচন, তথ্য সংগ্রহ-সহ বিভিন্ন কাজে তারা চ্যাটজিপিটির সাহায্য নিচ্ছে।
আরও পড়ুন:
গত বছর ১০ নভেম্বর সন্ধ্যায় লালকেল্লার সামনে পরপর তিনটি গাড়িতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ হয়। বিস্ফোরণস্থলের পাশেই ছিল জৈন মন্দির ও উমাশঙ্কর মন্দির। বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে কেঁপে ওঠে ভূগর্ভস্থ মেট্রো স্টেশনও। সেই ঘটনায় মৃত্যু হয় ১৫ জনের। আহত হন আরও অনেকে। দিল্লি বিস্ফোরণের তদন্তে উঠে আসে ফরিদাবাদের ‘চিকিৎসক মডিউল’-এর তথ্য। জানা যায়, ফরিদাবাদের আল ফালা বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশ কয়েকজন ‘জেহাদি’ চিকিৎসক ছিল এই নাশকতার নেপথ্যে। বিস্ফোরণে মৃত্যু হয় হমলার মূল ষড়যন্ত্রী উমর-উন-নবির। এই ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে শনাক্ত করেছে। বিস্ফোরণে তিনি নিহত হন। সে আল ফালা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিন বিভাগের প্রাক্তন সহকারী অধ্যাপক ছিল।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
অনুশীলন সমিতি থেকে হিন্দুস্তান রিপাবলিকান আর্মির সদস্য! ফিরে দেখা ঝাড়গ্রামের বিস্মৃতপ্রায় বিপ্লবীকে
-
‘তোমার ইমেজটাই নষ্ট করে দেব’, বচ্চনবধূ ঐশ্বর্যকে ‘হুঁশিয়ারি’ বলি পরিচালকের!
-
নজরে ‘চিকেনস নেক’, নিরাপত্তার বজ্রআঁটুনি খতিয়ে দেখতে স্বাধীনতা দিবসের পরেই শিলিগুড়িতে শাহ!
-
সমাবর্তনে প্রধান বিচারপতিকে আমন্ত্রণের বিরোধিতার ‘শাস্তি’, প্রতিবাদীরা পাবে না ‘আইনজীবী’ স্বীকৃতি!
-
ভবিষ্যতের ভুল আগেই এড়ানো সম্ভব, শৈশবেই দেওয়া হোক আর্থিক শিক্ষার পাঠ