Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Ajit Pawar Plane Crash

অজিতের বিমান ওড়ানোর কথা ছিল অন্য কারও! শেষ মুহূর্তে কেন বদল হয় পাইলট?

সুমিত অত্যন্ত অভিজ্ঞ পাইলট। ২০ হাজারের বেশি সময় বিমান ওড়ানোর অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। বিমান প্রযুক্তিতেও তিনি বিশেষভাবে দক্ষ। তাঁকে বোয়িং ৭৩৭-এর পরীক্ষক হিসাবেও নিয়োগ করেছিল জেট এয়ারওয়ে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৩০, ২০২৬, ১৪:২১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৩০, ২০২৬, ১৪:২১

options
link
অজিতের বিমান ওড়ানোর কথা ছিল অন্য কারও! শেষ মুহূর্তে কেন বদল হয় পাইলট? zoom
বিমান দুর্ঘটনায় প্রয়াত ক্যাপ্টেন সুমিত কাপুর। ফাইল ছবি

মর্মান্তিক বিমান দুর্ঘটনায় (Plane Crash) বুধবার সকালে মৃত্যু হয়েছে মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পওয়ারের (Ajit Pawar)। একইসঙ্গে প্রাণ হারিয়েছেন অজিতের নিরাপত্তারক্ষী, ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্ট ও দুই পাইলট ক্যাপ্টেন সুমিত ও তাঁর সহযোগী শাম্ভবী। তবে রিপোর্ট বলছে, ওইদিন ৮ আসন বিশিষ্ট অভিশপ্ত লিয়ারজেট ৪৫ চ্যাটার্ড বিমানটি চালানোর কথা ছিল অন্য কারও। শেষ মুহূর্তে পাইলট বদল করে দায়িত্ব দেওয়া হয় সুমিতকে।

সুমিতের এক বন্ধুর সঙ্গে কথা বলে চাঞ্চল্যকর এমনই রিপোর্ট সামনে এনেছে সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি। যেখানে দাবি করা হয়েছে, সুমিত কাপুর নামে ওই পাইলট কিছুদিন আগেই হংকং থেকে ফিরেছিলেন। অজিতের বিমান ওড়ানোর কথা ছিল না তাঁর। দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল অন্য এক পাইলটকে। তবে ঘটনার দিন সেই পাইলট যানজটে আটকে পড়েছিলেন। এই পরিস্থিতিতে শেষ মুহূর্তে সুমিতের উপর এসে পড়ে বিমান ওড়ানোর দায়িত্ব। এহেন তথ্য সামনে আসার পরই শোরগোল শুরু হয়েছে।

Advertisement

উল্লেখ্য, মঙ্গলবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে উপলক্ষে মুম্বই ছিলেন অজিত পাওয়ার (Ajit Pawar)। বুধবার বারামতীতে এক রাজনৈতিক সভা ছিল তার। সেখানে যোগ দিতেই বুধবার সকাল ৮টায় রওনা দিয়েছিলেন অজিত। ৮টা ৪৫ নাগাদ বারামতীতে আছড়ে পড়ে সেটি। প্রাথমিক তদন্তে দাবি করা হচ্ছে, দৃশ্যমানতা কম থাকার জেরে বিমান অবতরণে পাইলটের কোনও ‘ভুল সিদ্ধান্তের’ জেরে এই ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। যদিও সে দাবি পুরোপুরি খারিজ করেছেন সুমিতের বন্ধু ও সহকর্মীরা।

তাঁদের মতে, সুমিত অত্যন্ত অভিজ্ঞ পাইলট। ২০ হাজারের বেশি সময় বিমান ওড়ানোর অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। বিমান প্রযুক্তিতেও তিনি বিশেষভাবে দক্ষ। তাঁকে বোয়িং ৭৩৭-এর পরীক্ষক হিসাবেও নিয়োগ করেছিল জেট এয়ারওয়ে। যার অর্থ বিমান পরিবহণের পেশায় সর্বোচ্চ স্থানে পৌঁছনো। ৯০-এর দশকে সাহারা এয়ারলাইন্সের সবচেয়ে দক্ষ পাইলট ছিলেন তিনি। ফলে বিমান ওড়ানোয় তাঁর দক্ষতা প্রশ্নাতীত। গত ৫ বছর ধরে ভিএসআর অ্যাভিয়েশনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনি। তাঁর সঙ্গে সহ-পাইলটের আসনে থাকতেন শম্ভাবী পাঠক। দুর্ঘটনা প্রাণ কেড়েছে তাঁরও।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.