Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৯ আগস্ট ২০২৬
Airlines

দেশজুড়ে দ্রুত বন্ধ হয়ে যাবে পরিষেবা! কেন্দ্রের কাছে ‘বিপদবার্তা’ বিমানসংস্থাগুলির  

সরকারি হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়ে কেন্দ্রের অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রকে চিঠি লিখল দেশের বিমান সংস্থাগুলির সংগঠন ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়ান এয়ারলাইন্স (এফআইএ)।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৬, ২০২৬, ২০:০১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৬, ২০২৬, ২০:০১

options
link
দেশজুড়ে দ্রুত বন্ধ হয়ে যাবে পরিষেবা! কেন্দ্রের কাছে ‘বিপদবার্তা’ বিমানসংস্থাগুলির   zoom
কেন্দ্রকে চিঠি দিয়েছে ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়ান এয়ারলাইন্স।
Advertisement

পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের আবহে বদলে গিয়েছে ফ্লাইটের রুটম্যাপ। এর ফলে এয়ারলাইন্সগুলির খরচের বোঝা বেড়েই চলেছে। অন্যদিকে লাফিয়ে বাড়ছে জ্বালানির দাম। খরচ সামলে টিকিটের দাম নিয়ন্ত্রণ রাখা কঠিন হয়ে যাচ্ছে বিমানসংস্থাগুলির জন্য। এই অবস্থায় দেশজুড়ে বিমান পরিষেবা বন্ধ হয়ে যেতে পারে। জরুরি তৎপরতায় সরকারি হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়ে কেন্দ্রের অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রককে চিঠি লিখল দেশের বিমানসংস্থাগুলির সংগঠন ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়ান এয়ারলাইন্স (এফআইএ)।

এফআইএ-র সদস্য সংস্থাগুলির মধ্যে রয়েছে এয়ার ইন্ডিয়া, ইন্ডিগো এবং স্পাইসজেট প্রভৃতি। কেন্দ্রকে লেখা চিঠিতে জানানো হয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে বিমানের জ্বালানি বা এভিয়েশন টারবাইন ফুয়েলের (এটিএফ) দাম লাগামাহীন ভাবে বেড়েছে। সংগঠনের তরফে বলা হয়েছে, উড়ান খরচ বাড়ানোর কারণে একাধিক রুট আর্থিকভাবে অলাভজনক হয়ে গিয়েছে। এভাবেই যদি জ্বালানির দাম বাড়তে থাকে, তবে ভবিষ্যতে বিমান সংস্থাগুলি পরিষেবা বন্ধ করে দিতে বাধ্য হবে। উল্লেখ্য,মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের জেরে অশোধিত তেলের দাম বেড়েছে। ফলশ্রুতিতে জেট ফুয়েলের দাম পৌঁছেছে প্রতি কিলোলিটারে ২ লক্ষ টাকা ছাড়িয়ে গিয়েছে। 

Advertisement

জানা গিয়েছে, সাধারণ ভাবে উড়ানে ৩০-৪০ শতাংশ হল জ্বালানি খরচ। মূল্যবৃদ্ধির জেরে সেই খরচ পৌঁছেছে ৫৫-৬০ শতাংশে। এই পরিস্থিতি দিনের পর দিন সামাল দিতে পারছে না বিমানসংস্থাগুলি। চিঠিতে এফআইএ উল্লেখ করেছে, বিশেষ ভাবে আন্তর্জাতিক রুটগুলিতে উড়ানে খরচ বিপুল হারে বেড়েছে। চিঠিতে বিমান সংস্থাগুলি সতর্ক করেছে, জ্বালানির ক্রমাগত মূল্যবৃদ্ধির জেরে নগদ অর্থের প্রবাহে চাপ পড়ছে। ধুঁকছে গোটা ইন্ডাস্ট্রি। এই অবস্থায় সরকারের কাছে জরুরি দাবি জানানো হয়েছে। অন্যথায় অদূর ভবিষ্যতে একে একে বিমানসংস্থাগুলি পরিষেবা বন্ধ করে দিতে বাধ্য হবে।

এফআইএ পরামর্শ দিয়েছে, তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ হিসেবে ১১ শতাংশ আবগারি শুল্ক সাময়িকভাবে তুলে নেওয়া এবং রাজ্য-স্তরের ভ্যাট কমানো যেতে পারে। অন্যদিকে জেট ফুয়েলের দাম কমাতে সরকারি উদ্যোগের দাবি জানিয়েছে বিমানসংস্থাগুলির সংগঠন। তাদের বক্তব্য অশোধিত তেলের দাম কিছুটা কমলেও পরিশোধন খরচের কারণে শেষ পর্যন্ত এটিএফের দাম বেড়েই চলেছে। এর আগে সমস্ত প্রধান বিমানবন্দরগুলিতে ল্যান্ডিং ও পার্কিং চার্জ ২৫ শতাংশ কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিল এয়ারপোর্টস ইকোনমিক রেগুলেটরি অথরিটি অফ ইন্ডিয়া (AERA)। এই ছাড় পরবর্তী তিন মাসের জন্য প্রযোজ্য।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.