Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
'সুপ্রিম' সওয়াল মমতার
Mamata Banerjee

নাম বিভ্রাটে এআই যোগ! বৈধ ভোটারের হয়রানি মেনে মমতাকে ধন্যবাদ প্রধান বিচারপতির

সওয়াল করতে গিয়ে মমতারও অভিযোগ, এসআইআর শুধু নাম বাদ দেওয়ার প্রক্রিয়া। বিভ্রান্তি শুরু পদবিতেই হচ্ছে না। গোটাটাই অপরিকল্পিত। মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, "ধরুন, কোনও মহিলার বিয়ে হয়েছে। বিয়ের পর উনি শ্বশুরবাড়িতে গিয়েছেন। সেখানে এখন স্বামীর পদবি ব্যবহার করেন। সেখানেও বিভ্রান্তি।"

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৪, ২০২৬, ১৫:৩৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৪, ২০২৬, ১৫:৩৬

options
link
নাম বিভ্রাটে এআই যোগ! বৈধ ভোটারের হয়রানি মেনে মমতাকে ধন্যবাদ প্রধান বিচারপতির zoom
সুপ্রিম কোর্টে সওয়াল করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

এসআইআরে নাম বিভ্রাটে হয়রানির শিকার হচ্ছেন অনেকে। সুপ্রিম কোর্টে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) দায়ের করা মামলায় সেই বিষয়টি রয়েছে। তা নিয়ে বাংলার মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানালেন প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত। তাঁর কথায় উঠে এলে এআই যোগের বিষয়টিও।

বুধবার এসআইআর মামলার (SIR Case) শুনানি ছিল শীর্ষ আদালতে। সেই শুনানিতে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা। সওয়ালও করেছেন। সেই সময় প্রধান বিচারপতি মমতার (Mamata Banerjee) উদ্দেশে বলেন, “আপনার পিটিশনে কিছু বিষয়ের কথা উল্লেখ করেছেন। আমি আপনাকে ধন্যবাদ জানাতে চাই এই বিষয়টি উত্থাপন করার জন্য যে, স্থানীয় ভাষায় জন্য কিছু সমস্যা হচ্ছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ব্যবহারে সমস্যা হচ্ছে এখন। আমরা কিছু একটা উপায় বার করব।”

Advertisement

মমতা বলেন, “ভোটের মুখে বাংলাকে নিশানা করা হচ্ছে। চার রাজ্যে ভোট। কেন ২৪ বছর পর এত তাড়াহুড়ো করে তিন মাসের মধ্যে এসআইআর শেষ করা হচ্ছে? ১০০ জনের বেশি মারা গিয়েছেন। মারা গিয়েছেন বিএলও-রা। অনেকে হাসপাতালে ভর্তি। অসমে কেন এসআইআর হচ্ছে না?”

প্রধান বিচারপতির এই পর্যবেক্ষণের আগেই নাম বিভ্রাটের বিষয়টি নিয়ে সওয়াল করেছিলেন মমতার আইনজীবী শ্যাম দেওয়ানও। তিনি বলেছিলেন, “কারও পদবি গাঙ্গুলি, রে বা চ্যাটার্জি। ২০০২ ভোটার তালিকা বাংলায় রয়েছে। ইংরাজি তর্জমায় বানান বদলে গিয়েছে। তাই এই বিভ্রাটকে লজিক্যাল ডিসক্রিপ্যান্সির তালিকায় রাখা যায় না।” তার প্রেক্ষিতেই প্রধান বিচারপতি কান্ত এআই যোগের কথা জানিয়ে বলেছেন, “এই বিষয়টি মাথায় রেখেই বলছি, কোনও বৈধ ভোটারের নাম যেন বাদ না যায়।”

সওয়াল করতে গিয়ে মমতারও অভিযোগ, এসআইআর শুধু নাম বাদ দেওয়ার প্রক্রিয়া। বিভ্রান্তি শুরু পদবিতেই হচ্ছে না। গোটাটাই অপরিকল্পিত। মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, “ধরুন, কোনও মহিলার বিয়ে হয়েছে। বিয়ের পর উনি শ্বশুরবাড়িতে গিয়েছেন। সেখানে এখন স্বামীর পদবি ব্যবহার করেন। সেখানেও বিভ্রান্তি।”

মমতার এই কথা শুনে প্রধান বিচারপতি বলেন, “এভাবে চলতে পারে না!” এর পরেই মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, “এটা ওরা (নির্বাচন কমিশন) করছে। বিয়ের পর যে সব মহিলা শ্বশুরবাড়িতে গিয়েছেন, তাঁদের অনেকের নাম বাদ গিয়েছে। গরিব মানুষেরাও স্থানান্তরিত হন। আপনারা আধার নিতে বলেছিলেন। বাংলার মানুষ খুব খুশি হয়েছিল। অন্য রাজ্যে ডমিসাইল সার্টিফিকেট, জাতি শংসাপত্রও নেওয়া হয়েছে। ভোটের মুখে বাংলাকে নিশানা করা হচ্ছে। চার রাজ্যে ভোট। কেন ২৪ বছর পর এত তাড়াহুড়ো করে তিন মাসের মধ্যে এসআইআর শেষ করা হচ্ছে? ১০০ জনের বেশি মারা গিয়েছেন। মারা গিয়েছেন বিএলও-রা। অনেকে হাসপাতালে ভর্তি। অসমে কেন এসআইআর হচ্ছে না?”

 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.