Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৯ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ২৭ আগস্ট ২০২৬
Ahmedabad Plane Crash

আহমেদাবাদ বিমান দুর্ঘটনার তদন্তে কোনও দুর্নীতি নেই, বিতর্ক উড়িয়ে দাবি কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর

আর কী বললেন তিনি?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৮, ২০২৫, ১৩:১১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৮, ২০২৫, ১৩:১১

options
link
আহমেদাবাদ বিমান দুর্ঘটনার তদন্তে কোনও দুর্নীতি নেই, বিতর্ক উড়িয়ে দাবি কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আহমেদাবাদ বিমান দুর্ঘটনার তদন্তে কোনও দুর্নীতি নেই। গোটা তদন্ত প্রক্রিয়াই স্বচ্ছ। বিতর্ক উড়িয়ে এমনটাই দাবি করলেন কেন্দ্রীয় অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রী কে রামমোহন নায়ডু। সম্প্রতি আহমেদাবাদ দুর্ঘটনার বিচারবিভাগীয় তদন্তের দাবি জানিয়েছিল পাইলটদের সর্বভারতীয় সংগঠন ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়ান পাইলটস। তাঁদের বক্তব্য, তদন্তের রিপোর্ট পক্ষপাতমূলক। অহেতুক নিশানা করা হচ্ছে পাইলটদের। এই আবহে নায়ডুর এই দাবি যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।

সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে নায়ডু বলেন, “গোটা তদন্তপ্রক্রিয়া স্বচ্ছ। কোথাও কোনও দুর্নীতি নেই। এয়ারক্র্যাফট অ্যাক্সিডেন্ট ইনভেস্টিগেশন ব্যুরো (এএআইবি) তদন্তের যে প্রাথমিক রিপোর্ট দিয়েছিল, তা স্বচ্ছ এবং স্বাধীন।” তিনি আরও বলেন, “যে কোনও বিমান দুর্ঘটনা হলে এএআইবি তার তদন্ত করে। তদন্তের ক্ষেত্রে তারা অত্যন্ত পুঙ্খানুপুঙ্খ, স্বচ্ছ এবং স্বাধীন পদ্ধতি অনুসরণ করে। কারও দ্বারা প্রভাবিত হয় না। বরং হাতে পাওয়া তথ্যগুলির বিশ্লেষণ ও বিবেচনা করে তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যায়।” তদন্তের চূড়ান্ত রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত প্রত্যেককে সংযত থাকারও আহ্বান জানিয়েছেন নাইডু। তাঁর কথায়, “যেহেতু এখনও পর্যন্ত শুধু প্রাথমিক রিপোর্টই প্রকাশ্যে এসেছে, তাই এবিষয়ে এখনই মন্তব্য করা সঠিক নয়। চূড়ান্ত রিপোর্টটি আসার জন্য অপেক্ষা করতে হবে।”

Advertisement

গত ১২ জুন আহমেদাবাদ থেকে লন্ডনগামী এয়ার ইন্ডিয়ার একটি বোয়িং ৭৮৭-৮ বিমান আকাশে ওড়ার কয়েক সেকেন্ড পর ভেঙে পড়ে একটি মেডিক্যাল কলেজের উপর। দুর্ঘটনার জেরে মৃত্যু হয় ২০০ জনের বেশি মানুষের। ঘটনার তদন্তে এয়ারক্রাফট অ্যাক্সিডেন্ট ইনভেস্টিগেশন ব্যুরোর প্রাথমিক রিপোর্টে দাবি করা হয়, আহমেদাবাদ দুর্ঘটনার আগের মুহূর্তে বিমানটি যখন উপরে ওঠার জন্য গতি পাচ্ছে, তখনই দু’টি ইঞ্জিনের জ্বালানি ‘কাটঅফ’ মুডে চলে যায়। ইঞ্জিনে জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। ইঞ্জিন বন্ধের ঠিক আগের মুহূর্তে একজন পাইলট অপরজনকে বলেন, ‘ইঞ্জিন বন্ধ করলে কেন?’ অপর পাইলট জবাব দেন, ‘আমি কিছু বন্ধ করিনি।’

আহমেদাবাদ বিমান দুর্ঘটনার যে প্রাথমিক তদন্ত রিপোর্ট এয়ারক্রাফট অ্যাক্সিডেন্ট ইনভেস্টিগেশন ব্যুরো দিয়েছে, তাতে দুর্ঘটনার দায় পাইলটের উপরে চাপানো হয়েছে। যদিও পাইলটদের সংগঠনের দাবি, ওই রিপোর্ট অসন্তুষ্ট। প্রাথমিক তদন্ত রিপোর্টে বহু তথ্য গোপন করা হয়েছে। জ্বালানি সুইচে সমস্যা ও যান্ত্রিক ত্রুটির ঘটনাগুলি এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে। ফলে ফলে আদালতের নজরদারিতে নিরপেক্ষভাবে দুর্ঘটনার তদন্ত হোক। এই পরিস্থিতিতে ফের মুখ খুললেন কেন্দ্রীয় অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রী।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.