Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৯ আগস্ট ২০২৬
Arvind Kejriwal

লজ্জার হার, গদি খুইয়ে কেজরির গন্তব্য কি রাজ্যসভা! জল্পনা দিল্লির বাতাসে

তিনবার মুখ্যমন্ত্রী থাকার পরেও নিজের আসন বাঁচাতে পারলেন না কেজরি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২৫, ২১:২৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২৫, ২১:২৭

options
link
লজ্জার হার, গদি খুইয়ে কেজরির গন্তব্য কি রাজ্যসভা! জল্পনা দিল্লির বাতাসে zoom
ফাইল ছবি
Advertisement

নন্দিতা রায়, নয়াদিল্লি: বিজেপির কাছে পরাস্ত হলেন তো বটেই, তিনবার মুখ্যমন্ত্রী থাকার পরেও বাঁচাতে পারলেন না নিজের আসনটুকুও। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল এবারে কী করবেন! এবার কি তাঁকে রাজ্যসভাতে দেখা যাবে! দিল্লি ভোটের ফলাফল স্পষ্ট হওয়ার পর দিল্লির বাতাসে ভাসছে এমনই জল্পনা।

রাজ্যসভায় বর্তমানে দিল্লি ও পাঞ্জাব মিলিয়ে আপ-এর দশজন সাংসদ রয়েছেন। তার মধ্যে পাঞ্জাবের সাত জন সাংসদের মধ্যে কোনও একজন সাংসদকে পদত্যাগ করিয়ে নিয়ে সেই জায়গাতে কেজরি রাজ্যসভায় আসতে পারেন এমন সম্ভবনা খারিজ করে দেওয়া যায় না। রাজনীতির ময়দানে টিকে থেকে নিজের গুরুত্ব বজায় রাখার জন্য কেজরির কাছে রাজ্যসভাই সবচেয়ে সহজ রাস্তা বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। কারণ, আপের হাতে পাঞ্জাব থাকলেও মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত মান-কে সরিয়ে দিয়ে কেজরি সেখানকার মুখ্যমন্ত্রী হলে দিল্লিতে আপের অস্তিত্ব সংকট তৈরী হবে। আবার দিল্লির কোনও বিধায়ককে পদত্যাগ করিয়ে সেখান থেকে তিনি উপ-নির্বাচনে জিতে বিধায়ক হবেন এবং বিধানসভায় বিরোধী দলনেতার ভূমিকা পালন করবেন সেই সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। কারণ দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনে যেভাবে বিজেপির সুনামি আছড়ে পড়েছে তাতে উপ-নির্বাচনে দাঁড়ালেও আদৌও কেজরি জিততে পারবেন কিনা তা নিয়ে বড় প্রশ্নচিহ্ন রয়েছে। আর কেজরিও সেই ঝুঁকি নেবেন বলেও মনে হয় না। আবার কেজরি যে কোনও পদ ছাড়াই আপ সুপ্রিমো হয়েই থেকে যাবেন তেমনটা হওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ।

Advertisement

এই অবস্থায় রাজনীতিতে নিজের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে কেজরিওয়ালের কাছে একমাত্র বিকল্প দাঁড়াচ্ছে রাজ্যসভা। কোনওরকম প্রতিদ্বন্দ্বিতা এড়িয়ে সহজে জাতীয় রাজনীতিতে নিজের মুখ ভাসিয়ে রাখার সহজতম পন্থা। যদিও সেক্ষেত্রে নিজের রাজনৈতিক অস্তিত্ব টিকে থাকলেও ভবিষ্যতে লড়াইয়ের ময়দানেও নিজের লড়াকু ভাবমূর্তি খুন্ন হবে কেজরির। কারণ, ভোটের লড়াইয়ে প্রতিদ্বন্দ্বীকে হারিয়ে ক্ষমতায় আসা আর মনোনীত হয়ে রাজ্যসভায় আসা কোনওভাবেই এক নয়। যা দিল্লি ছাড়িয়ে দেশের নানা রাজ্যে ছড়িয়ে পড়ে সর্বভারতীয় দলের তকমা পাওয়া আপের জন্য খুব একটা সুখকর হবে না। রাজনৈতিক হিসেবের অঙ্কে রাজ্যসভাই আগামীদিনে কেজরির গন্তব্য হয়ে উঠতে চলেছে এমন সম্ভাবনাই প্রবল।

উল্লেখ্য, দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনে এবার রাজধানীতে গেরুয়া ঝড়ে খড়কুটোর মতো ভেসে গিয়েছে আম আদমি পার্টি। ৭০ আসনের দিল্লিতে ৪৮টি আসনে জয় পেয়েছে বিজেপি। অন্যদিকে মাত্র ২২ আসনে পেয়েছে আপ। ধরাশায়ী হয়েছেন আপের ভিভিআইপি সব মুখ। নয়াদিল্লি আসনে বিজেপির প্রবেশ বর্মার কাছে হেরেছেন আপ প্রধান অরবিন্দ কেজরিওয়াল। হেরেছেন আর এক দাপুটে আপ নেতা মণীশ সিসোদিয়াও।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.