Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Atishi

আপ সরকার নয়, ‘তিন মূর্তি’র দোষে আবগারিতে ২০০০ কোটির ক্ষতি, কার ঘাড়ে দায় ঠেললেন অতিশী?

কাদের দিকে আঙুল তুললেন অতিশী?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৫, ০৯:১৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৫, ০৯:১৭

options
link
আপ সরকার নয়, ‘তিন মূর্তি’র দোষে আবগারিতে ২০০০ কোটির ক্ষতি, কার ঘাড়ে দায় ঠেললেন অতিশী? zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ‘প্রাক্তন আপ সরকারের আবগারি নীতিতে কোনও ভুল ছিল না। ২০০০ কোটি টাকার ক্ষতি যদি হয়ে থাকে তবে তা হয়েছে তিনজনের জন্য। আম আদমি পার্টির সরকারের জন্য নয়।’ আবগারি ইস্যুতে বিজেপি সরকারের ক্যাগ রিপোর্টের পালটা এমনই দাবি করলেন বিরোধী দলনেতা অতিশী মারলেনা।

গত মঙ্গলবার দিল্লি বিধানসভায় আপের শাসনকালের ১৪টি বিষয়ের ক্যাগ রিপোর্ট বিধানসভায় জমা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্ত। বিজেপির দাবি, এই রিপোর্ট আপের দুর্নীতি বিস্তারিত খতিয়ান। সেখানেই দেখা যায়, অরবিন্দ কেজরিওয়াল সরকারের নয়া আবগারি কারণে রাজকোষের ২০০২ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। ২০১৭-১৮ থেকে ২০২০-২১ এই চার বছরে সরকারের ভুল নীতির কারণে ক্ষতি হয়েছে ২০০২ কোটি টাকা। রিপোর্ট অনুযায়ী, যে সব লাইসেন্স সারেন্ডার করা হয়েছিল সেগুলি পুনরায় চালু না করার কারণে সরকারের ক্ষতি হয় ৮৯০ কোটি টাকা। পাশাপাশি এই বিলম্বের কারণে সংশ্লিষ্ট মদের দোকানগুলি বন্ধ থাকার জেরে আরও ৯৪১ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। শুধু তাই নয়, করোনা পরিস্থিতির কারণ দেখিয়ে লাইসেন্সপ্রাপ্ত ব্যবসায়ীদের করছাড় দেওয়ার কারণে আরও ১৪৪ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। জোনাল লাইসেন্স ধারকদের থেকে নির্দিষ্ট সিকিউরিটি ডিপোজিট না নেওয়ার কারণে ক্ষতি হয়েছে ২৭ কোটি টাকার।

Advertisement

বিজেপির সরকার এই রিপোর্ট পেশ করতেই চাপে পড়ে আপ। এরপর সাংবাদিক বৈঠক করে গোটা ঘটনায় দায় তিন জনের উপর চাপান অতিশী। তিনি বলেন, “এই আর্থিক ক্ষতির দায় উপরাজ্যপাল, সিবিআই ও ইডির। এদের দখলদারির জন্যই আবগারি নীতি সঠিকভাবে লাগু করা যায়নি। যার জন্যই এই ক্ষতি। নীতি চালু করার আগেই এতে বাগড়া দেন উপরাজ্যপাল। ফলে একেবারে তৃণমূলস্তরে এটি লাগু করাই যায়নি। দ্বিতীয়ত নীতি লাগুর একবছরের মধ্যেই উপরাজ্যপালের নির্দেশ এফআইআর দায়ের করে সিবিআই। ইডি এই পলিসি শেষ হওয়ার একবছর আগেই ইসিআইআর করে। এই তিনজনের তৎপরতার জেরে আধিকারিকদের সাহস হয়নি এই নীতিতে নতুন করে সই করার। যার জেরেই এই ক্ষতি।” বিরোধী দলনেত্রীর দাবি, আবগারি নীতিতে সরকারের কোনও ভুল ছিল না। শুধুমাত্র এদের জন্যই এই ক্ষতি হয়েছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.