Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ আষাঢ় ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ৭ জুলাই ২০২৬
Jharkhand

৫ শিশুর পর ঝাড়খণ্ডে ফের HIV-র থাবা! খোঁজ মিলল ভাইরাস আক্রান্ত চার রক্তদাতার

প্রশ্ন উঠছে এই রক্তদাতাদের থেকে রক্ত নেওয়ার সময় নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছিল কি না?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৩১, ২০২৫, ১৬:২৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৩১, ২০২৫, ১৬:২৩

options
link
৫ শিশুর পর ঝাড়খণ্ডে ফের HIV-র থাবা! খোঁজ মিলল ভাইরাস আক্রান্ত চার রক্তদাতার zoom
ফাইল ছবি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ৫ থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত শিশু HIV আক্রান্ত হওয়ার পর ঝাড়খণ্ডে ফের উদ্বেগ। এবার খোঁজ মিলল মারণ রোগে আক্রান্ত ৪ রক্তদাতার। জানা যাচ্ছে, হাসপাতালে এসে রক্ত দেওয়া এই ৪ জন HIV ভাইরাসে আক্রান্ত। ঘটনা সামনে আসতেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে হাসপাতালের পরিকাঠামো নিয়ে।

গত ২৪ অক্টোবর জানা যায়, এইচআইভি ধরা পড়েছে থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত এক সাত বছরের শিশুর শরীরে। পরিবারের অভিযোগ, ‘ব্লাড ট্রান্সফিউশন’ করতে গিয়ে ঝাড়খণ্ডের চাইবাসার সদর হাসপাতালে ব্লাড ব্যাঙ্কের রক্ত থেকেই ছড়িয়েছে সংক্রমণ। খবর পেয়েই নড়েচড়ে বসে ঝাড়খণ্ড প্রশাসন। দ্রুত পাঁচ সদস্যের এক মেডিক্যাল টিম গঠন করা হয় বিষয়টি খতিয়ে দেখতে। কিন্তু পরদিনই আরও চার শিশুর রক্তে মেলে এইচআইভি-র উপস্থিতি। জানা গিয়েছে, একই হাসপাতালের ব্লাড ব্যাঙ্ক থেকে নিয়মিত ‘ব্লাড ট্রান্সফিউশন’ করানো হয় তাদেরও। এরপরই গুরুতর আকার নেয় পরিস্থিতি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

তদন্তে নেমে ২০২৩ সাল থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে হাসপাতালে যে ২৫৯ জন রক্ত দিয়েছিলেন তাঁদের রক্তের নমুনা পরীক্ষা করা হচ্ছে। সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা যাচ্ছে, মোট নমুনার মধ্যে ইতিমধ্যেই ৪৪টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। যার মধ্যে ৪ জনের নমুনায় এইচআইভির অস্তিত্ব পাওয়া গিয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে এই রক্তদাতাদের থেকে রক্ত নেওয়ার সময় নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছিল কি না? চিকিৎসকদের অনুমান, থ্যালাসেমিয়া চিকিৎসার জন্য শিশুদের যে রক্ত দেওয়া হয়েছিল সেখান থেকেই এই সংক্রমণ ছড়িয়ে থাকতে পারে। শুধু রক্ত নয়, সূচের থেকে সংক্রমণের আশঙ্কা এড়িয়ে যাচ্ছেন না তদন্তকারীরা।

উল্লেখ্য, জাতীয় এডস নিয়ন্ত্রণ সংস্থা (এনএসিও)-র রিপোর্ট অনুযায়ী, রক্তদানের আগে অবশ্যই দাতার ব্যক্তিগত এবং মেডিক্যাল স্ক্রিনিং রেকর্ড নথিভুক্ত করতে হয় পাশাপাশি এইচআইভি-সহ অন্যান্য সংক্রমণ রয়েছে কি না সেটাও পরীক্ষা করানো বাধ্যতামূলক। তবে এক্ষেত্রে সেই নিয়ম পালন করা হয়েছিল কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.