Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ২৯ জুন ২০২৬
Ram Mandir

রামমন্দিরে ‘চুরি’ করেই বাড়ি, ফার্মহাউজ, গাড়ি! ফুলেফেঁপে উঠেছিল শ্যালক-জামাইবাবু জুটি

রামমন্দিরে নগদ প্রণামী জমা পড়েছে ৩,৫০০ কোটি টাকারও বেশি, সঙ্গে অগণিত সোনা-রুপোর গয়না৷ এই ধনরাশির একটা বড় অংশের কোনও হদিশ মিলছে না৷

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৯, ২০২৬, ১১:১০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৯, ২০২৬, ১১:১০

options
link
রামমন্দিরে ‘চুরি’ করেই বাড়ি, ফার্মহাউজ, গাড়ি! ফুলেফেঁপে উঠেছিল শ্যালক-জামাইবাবু জুটি zoom
ছবি এআই দ্বারা নির্মিত

রামমন্দিরে ভক্তদের অনুদান চুরি করে রাতারাতি ‘বড়লোক’ হয়ে উঠেছিলেন! প্রাসাদের মতো বাড়ি, ফার্ম হাউজ থেকে গাড়ি-সমস্ত কিছুই কিনে ফেলেছিলেন খুব অল্প সময়ের মধ্যে। রামমন্দিরে কয়েকশো কোটির চুরির অভিযোগে উত্তাল গোটা দেশ। সেই ঘটনায় উঠে আসছে একের পর এক বিস্ফোরক তথ্য। ইতিমধ্যে গ্রেপ্তার হয়েছেন আটজন। তাঁদের মধ্যে রয়েছে শ্যালক-জামাইবাবু জুটি অনুকল্প মিশ্র এবং লবকুশ মিশ্র। তাঁদের কীর্তি দেখে চোখ কপালে উঠছে আমজনতার।

জানা গিয়েছে, অযোধ্যার বাসাভ গ্রামের বাসিন্দা অনুকল্প। প্রতিবেশীরা জানাচ্ছেন, কয়েক বছর আগেও কার্যত দিন আনি দিন খাই দশা ছিল। কিন্তু বর্তমানে গ্রামের বাড়িটা প্রাসাদে পরিণত করে ফেলেছেন অনুকল্প। বলা যেতে পারে, গ্রামের সবচেয়ে বড় বাড়ি এই প্রাসাদটিই। শুধু তাই নয়, গ্রামের বাইরে বিশাল ফার্মহাউজও বানিয়েছেন অনুকল্প। প্রায় ৬৫ লক্ষ টাকায় অযোধ্যায় একটি বাড়িও কিনেছিলেন তিনি। বুক করে ফেলেছেন স্করপিও এসইউভিও।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

জানা গিয়েছে, বছরতিনেক আগে রামমন্দিরের অনুদান গোনার কাজ শুরু করেছিলেন অনুকল্প। কয়েকদিন পরে জামাইবাবু লবকুশ মিশ্রকেও দলে টানেন তিনি। বর্তমানে লবকুশ ভাড়া বাড়িতে থাকলেও সম্প্রতি লক্ষাধিক টাকা দিয়ে বাইক কিনেছেন বলে জানিয়েছেন প্রতিবেশীরা। ফলে স্বভাবতই ইঙ্গিত উঠছে, আচমকা এত অর্থের জোয়ার এল কোথা থেকে? রামমন্দিরের অনুদান সরিয়েই কি ফুলে ফেঁপে উঠেছিল শ্যালক-জামাইবাবুর জুটি? উল্লেখ্য, অনুকল্পের আয়োজিত সভায় হাজির ছিলেন রামজন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের প্রধান, বিশ্ব হিন্দু পরিষদের ঘনিষ্ঠ চম্পত রাই স্বয়ং।

সূত্রের খবর, চম্পত-সহ ট্রাস্টের একাধিক শীর্ষকর্তা জানতেন মন্দিরের অনুদান চুরির বিষয়টি। কিন্তু পুলিশে কেন অভিযোগ দায়ের হল না? তাহলে কি চুরির ঘটনা আড়াল করতে চাইছিল মন্দির কর্তৃপক্ষ? কার স্বার্থে বা কাকে বাঁচাতে অভিযোগ দায়ের হয়নি? সিটের রিপোর্টে উঠে এসেছে, রামমন্দিরে নগদ প্রণামী জমা পড়েছে ৩,৫০০ কোটি টাকারও বেশি, সঙ্গে অগণিত সোনা-রুপোর গয়না৷ এই ধনরাশির একটা বড় অংশের কোনও হদিশ মিলছে না৷ নগদ টাকা এবং গয়নার পাশাপাশি মন্দিরের হেফাজত থেকে গায়েব দানে পাওয়া রুপোর তৈরি ভূষূণ্ডির কাকও৷

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.