Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Abhishek Banerjee

কর্নাটকে ভোটচুরির অভিযোগ রাহুলের, পাশে দাঁড়িয়ে মোদির বারাণসীতেও সমীক্ষার দাবি অভিষেকের

ভোটচুরিতে বারাণসী জয় মোদির? উঠছে প্রশ্ন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৮, ২০২৫, ১৯:৪১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৮, ২০২৫, ১৯:৪১

options
link
কর্নাটকে ভোটচুরির অভিযোগ রাহুলের, পাশে দাঁড়িয়ে মোদির বারাণসীতেও সমীক্ষার দাবি অভিষেকের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিজেপি এবং নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ২০২৪-এর লোকসভায় ভোটচুরির অভিযোগ তুলেছে কংগ্রেস। সম্প্রতি কর্নাটকের এক সমীক্ষার রিপোর্ট তুলে ধরে রাহুল গান্ধী ব্যাখ্যা করেছেন কীভাবে ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনে মহাদেবপুরা কেন্দ্রে কারচুপি করা হয়েছে। দিল্লিতে রাহুল গান্ধীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে এই ইস্যুতেই কংগ্রেসের পাশে দাঁড়াল তৃণমূল। দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি তুললেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বারাণসী কেন্দ্রেও একইরকম সমীক্ষা করা হোক। যার অর্থ, বারাণসীতেও ভোট কারচুপি হয়ে থাকতে পারে বলে সন্দেহ করছে বিরোধী শিবির।

লোকসভা নির্বাচনে কর্নাটকে ভোট চুরির উদাহরণ দিতে গিয়ে রাহুল গান্ধী জানিয়েছিলেন, ‘‘বেঙ্গালুরু সেন্ট্রাল লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত মহাদেবপুরা বিধানসভায় এক লক্ষেরও বেশি ভোট চুরি হয়েছে।’’ তিনি জানান, বেঙ্গালুরুর ওই লোকসভা কেন্দ্রে কংগ্রেস পেয়েছিল ৬ লক্ষ ২৬ হাজার ভোট। বিজেপি পেয়েছিল ৬ লক্ষ ৫৮ হাজার ভোট। হারজিতের ব্যবধান ছিল ৩২ হাজারের সামান্য বেশি। দাবি করা হয়েছে মহাদেবপুরা আসনে ১ লক্ষ ২৫০টি ভুয়ো ভোটার তৈরি করা হয়েছিল বিজেপিকে জেতাতে। এহেন চুরির অভিযোগ সামনে আসতেই স্বাভাবিকভাবে শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

Advertisement

সূত্রের খবর, বৃহস্পতিবার লোকসভার বিরোধী দলনেতার নৈশভোজ-বৈঠকে এই ইস্যুতে কথা হয় তৃণমূল কংগ্রেসের লোকসভার নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। সেখানে এই ভোটচুরি ইস্যুতে কংগ্রেসের পাশে থাকার বার্তা দেন অভিষেক। শুধু তাই নয়, বারাণসীতে মোদির জয় নিয়ে সন্দেহপ্রকাশ করে অভিষেক সেখানেও এই ধরনের সমীক্ষার বার্তা দেন। বারাণসী কেন্দ্রে প্রার্থী ছিলেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নেমেছিলেন কংগ্রেসের অজয় রাই। প্রায় দেড় লক্ষ ভোটে তাঁকে হারিয়ে দিয়েছিল বিজেপি। ভোট চুরির এমন গুরুতর অভিযোগ সামনে আসার পর স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে হাইভোল্টেজ এই কেন্দ্র নিয়েও। এবার সেই বোমার সলতেতে আগুন দিলেন বঙ্গের তৃণমূল সাংসদ।

তবে শুধু ভোট কারচুপি ইস্যু নয়, রাহুলের সঙ্গে অভিষেকের এই সাক্ষাতে কংগ্রেস ও তৃণমূলের ‘রাজনৈতিক তিক্ততা’ কাটানোর পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে। বিরোধীদের জোট ‘ইন্ডিয়া’-র বৈঠকে অংশগ্রহণ নিয়ে সাংবাদিকদের কাছে তৃণমূলের অবস্থান স্পষ্ট করেন অভিষেক। বলেন, “আমরা তো ইন্ডিয়া জোটের বৈঠকে কোনওদিন ‘না-যাওয়া’ করিনি। মমতাদি নিজে গিয়েছেন।” ২০২৫ সালের সংসদীয় নির্বাচনে ইন্ডিয়া জোটের শরিকদের সঙ্গে তৃণমূলের আসনরফা না হওয়া নিয়েও দলের তরফে ব্যাখ্যা দিয়েছেন লোকসভার নেতা। বলেছেন, “ইন্ডিয়া’র বৈঠকে আমরা আসন ভাগাভাগির কথা বলেছিলাম। ওরাই দেরি করে কিছু না জানানোয় আমরা একলা লড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম।” তৃণমূল যে ইন্ডিয়া জোটের ঐক্যের পক্ষেই সেটা আরও একবার স্পষ্ট করে দিয়ে দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক বলেছেন, “ওরা দু’পা হাঁটলে, তৃণমূল চার পা হাঁটবে।” ওই বৈঠকে যেভাবে রাহুল গান্ধী এবং সোনিয়া গান্ধী অভিষেক এবং ডেরেক ও ব্রায়েনকে অভ্যর্থনা জানিয়েছেন সেটাও তাৎপর্যপূর্ণ।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.