Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Aadhaar in Bihar voter list

বিহারে প্রামাণ্য নথি হিসাবে আধার অন্তর্ভুক্ত করতে হবে, SIR মামলায় ‘সুপ্রিম’ নির্দেশ

আধার কার্ড কি নাগরিকত্বের প্রমাণ? কী জানাল আদালত?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৮, ২০২৫, ১৭:০০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৮, ২০২৫, ১৭:০০

options
link
বিহারে প্রামাণ্য নথি হিসাবে আধার অন্তর্ভুক্ত করতে হবে, SIR মামলায় ‘সুপ্রিম’ নির্দেশ zoom

সোমনাথ রায়, নয়াদিল্লি: বিহারের ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর)-এর ক্ষেত্রে ১২তম প্রামাণ্য নথি হিসাবে আধার কার্ডকে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। সোমবার এসআইআর মামলায় নির্বাচন কমিশনকে এমনই নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। তবে একইসঙ্গে শীর্ষ আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, আধার কখনই নাগরিকত্বের প্রমাণ হিসাবে গণ্য করা হবে না।

এদিন বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বেঞ্চ সাফ জানিয়েছে, ভোটার তালিকায় নাম তোলার ক্ষেত্রে এবং ভোটারের পরিচয় প্রমাণের ক্ষেত্রে ১২তম নথি হিসাবে আধার কার্ডকে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। তবে আধার কখনই ভারতীয় নাগরিকত্বের প্রমাণ হিসাবে গণ্য করা হবে না। ভোটারের পরিচয়পত্র এবং নাগরিকত্বের মধ্যে স্পষ্ট পার্থক্য রয়েছে। বিহারের ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সমীক্ষায় এতদিন ১১টি নথির উল্লেখ করেছিল নির্বাচন কমিশন। কিন্তু এবার শীর্ষ আদালত ১২তম নথি হিসাবে আধারকেও অন্তর্ভুক্তির কথা বলল। তবে এই নিয়ম যে আপাতত বিহারের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য হবে, সেকথাও স্পষ্ট করে দিয়েছে আদালত। এর পাশাপাশি, সুপ্রিম কোর্ট আরও জানিয়েছে, ভোটার নিবন্ধন প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত সংস্থাগুলির আধার কার্ড যাচাইয়েরও অধিকার থাকবে। 

Advertisement

প্রসঙ্গত, এসআইআর-এর পর বিহারের খসড়া ভোটার তালিকায় ৬৫ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ গিয়েছে। বিরোধী দলগুলি অভিযোগ করেছে, এই ৬৫ লক্ষের মধ্যে বহু বৈধ ভোটার রয়েছে। শুরুতে নির্বাচন কমিশন বাদ পড়া এই ভোটারদের তালিকা আলাদা করে প্রকাশও করেনি। কিন্তু পরে সুপ্রিম কোর্টের রায়েই ওই তালিকা প্রকাশ করা হয়। কিন্তু সেই তালিকা প্রকাশের পরও রাজনৈতিক দলগুলি সেভাবে বাদ পড়াদের তালিকা থেকে বৈধ ভোটার খুঁজে এনে অভিযোগ দায়ের করতে পারেনি। এ পর্যন্ত নাম সংযোজনের জন্য আবেদন জমা পড়েছে মাত্র ২৯ হাজার।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.