Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১২ আগস্ট ২০২৬
Indian citizenship passport

এই দেশেতে জন্ম যেন এই দেশেতেই মরি… মার্কিন নাগরিকত্ব ত্যাগ, ভারতীয় হলেন ৯৪-এর বৃদ্ধা!

নানা পারিপার্শ্বিক কারণে জন্মভূমি থেকে তাঁকে পাড়ি দিতে হয়েছিল মার্কিন মুলুকে। কিন্তু বিদেশে বসেও শিকড়ের টানকে অগ্রাহ্য করতে পারেননি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৬, ২০২৬, ১৩:৫৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৬, ২০২৬, ১৩:৫৫

options
link
এই দেশেতে জন্ম যেন এই দেশেতেই মরি… মার্কিন নাগরিকত্ব ত্যাগ, ভারতীয় হলেন ৯৪-এর বৃদ্ধা! zoom
কোন্দ্রাগুন্তা মহালক্ষমাম্মার জন্ম অন্ধ্রপ্রদেশে।
Advertisement

আমার এই দেশেতেই জন্ম যেন এই দেশেতেই মরি। দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের এই গান গেয়ে বেড়ে ওঠেন আপামর বঙ্গবাসী। এবার সেই গানকেই নিজের জীবনে সার্থক করে তুললেন অন্ধ্রপ্রদেশের এক বৃদ্ধা। নানা পারিপার্শ্বিক কারণে জন্মভূমি থেকে তাঁকে পাড়ি দিতে হয়েছিল মার্কিন মুলুকে। কিন্তু বিদেশে বসেও শিকড়ের টানকে অগ্রাহ্য করতে পারেননি। তাই ৯৪ বছর বয়সে এসে তিনি ফিরলেন জননী জন্মভূমিতে। জানালেন, জীবনের শেষ সময়টুকু নিজের দেশেই কাটাতে চান।

কোন্দ্রাগুন্তা মহালক্ষমাম্মার জন্ম অন্ধ্রপ্রদেশে। সেখানেই বেড়ে ওঠা। জীবনের সোনালি সময়টা কাটিয়েছেন প্রিয় জন্মভূমি চিন্তাগুম্পালা গ্রামে। কিন্তু আচমকা জীবনে নেমে আসে বিপর্যয়। স্বামীকে হারান কোন্দ্রাগুন্তা। তারপরে আর দেশের মাটিতে থাকা হয়নি। মার্কিন মুলুকে চলে যান ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ ছেলের কাছে। সেখানেই সারাজীবন থাকবেন, এমনটাই পরিকল্পনা ছিল। ২০০০ সালের জুলাই মাসে আমেরিকার নাগরিকত্বও পেয়ে যান কোন্দ্রাগুন্তা।

Advertisement

কিন্তু বার্ধক্যের সঙ্গে সঙ্গেই চাগাড় দিয়ে ওঠে দেশে ফেরার ইচ্ছে। প্রায় ২০ বছরেরও বেশি সময় মার্কিন মুলুকে কাটানোর পর ২০১৮ সালে দেশে ফিরে আসেন কোন্দ্রাগুন্তা। আবারও বসবাস শুরু করেন চিন্তাগুম্পালা গ্রামে। এবার মার্কিন নাগরিকত্ব ত্যাগ করে ভারতীয় হওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করলেন তিনি। প্রথামাফিক শপথ নিয়েছেন, সংবিধান মেনে ভারতীয় নাগরিকের সমস্ত কর্তব্য পালন করবেন। যাবতীয় নথিপত্রে সইও করে দিয়েছেন।

ভারতীয় হওয়ার শপথ নিয়ে কোন্দ্রাগুন্তা বলছেন, জীবনের একেবারে শেষ প্রান্তে দাঁড়িয়ে রয়েছেন তিনি। বাকি জীবনটুকু নিজের জন্মভূমিতেই কাটাতে চান। তাঁর শেষকৃত্য ভারতেই হোক, চাইছেন কোন্দ্রাগুন্তা। গোটা ঘটনায় আপ্লুত বাপতালা জেলার কালেক্টর ভি বিনোদ কুমার। জানিয়েছেন, “এমন মুহূর্তের সাক্ষী থাকতে পেরে আমরা খুবই খুশি। ছেলের সঙ্গে অফিসে এসে সমস্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছেন তিনি। কোন্দ্রাগুন্তার আবেদনপত্র এবং অন্যান্য নথি পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকে। নাগরিকত্ব আইনের আওতায় খতিয়ে দেখা হবে এই আবেদনপত্র।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.