সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ফের রণক্ষেত্র উত্তরপ্রদেশের হাথরস। ৭ বছরের এক নাবালিকাকে গণধর্ষণের ঘটনায় অপরাধীর শাস্তির দাবিতে পথে নামল ক্ষুব্ধ জনতা। ধর্মীয়স্থানে পাথর ছোড়ার অভিযোগ উঠল উন্মত্ত ভিড়ের বিরুদ্ধে। গুরুতর এই পরিস্থিতি সামাল দিতে বিরাট সংখ্যায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এলাকায়। এই ঘটনায় মূল অভিযুক্তকে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ। গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এই ঘটনা হাথরসের সাদাবাদ কতোয়ালি এলাকার। গত শনিবার রাতে এই গ্রামের ৭ বছরের এক বালিকা কিছু কিনতে স্থানীয় একটি দোকানে যায়। সেই সময় ওই গ্রামেরই এক নাবালক তাকে সেখান থেকে তুলে নিয়ে যায়। অভিযোগ নির্জন জায়গায় নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করা হয় তাকে। রাতেই বিস্তর খোঁজাখুঁজির পর পর গুরুতর অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ভর্তি করা হয় হাসপাতালে। ঘটনার কথা প্রকাশ্যে আসার পর রাতেই অভিযুক্তকে হেফাজতে নেয় পুলিশ। জানা যায়, নির্যাতিতা একজন হিন্দু বালিকা এবং অভিযুক্ত ওই নাবালক ধর্ষক মুসলিম সম্প্রদায়ের। ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই গোটা বিষয়টি সাম্প্রদায়িক রূপ নেয়।
রবিবার সকালে পরিস্থিতি গুরুতর আকার নেয়। বন্ধ করে দেওয়া হয় বাজার। উন্মত্ত জনতার ভিড় হামলা চালায় নিকটবর্তী মসজিদে। পাথর ছোড়ার পাশাপাশি মসজিদের দরজা ভেঙে ভিতরে ভাঙচুর চালানো হয়। খবর পেয়ে তড়িঘড়ি সেখানে আসে পুলিশ। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন খোদ হাথরসের পুলিশ সুপার। আশেপাশের আরও বেশ কয়েকটি থানা থেকে পুলিশ বাহিনী আনা হয় ঘটনাস্থলে। এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা চলছে। ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়েছেন সাদাবাদের বিধায়ক প্রদীপ চৌধুরী।
হাথরসের এসপি চিরঞ্জীব নাথ সিং বলেন, পরিস্থিতি এখন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এই ঘটনায় মূল অভিযুক্তকে ইতিমধ্যেই হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। পুলিশ পুলিশের মতো করে গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।
সর্বশেষ খবর
-
তাইল্যান্ড-কলকাতা মাদক চালান! পর্যটক সেজে মারাত্মক ‘মলি’ পাচারে এসে গ্রেপ্তার দুই বিদেশিনী
-
দিনেদুপুরে যুবককে গাড়িতে তুলে চম্পট! সল্টলেকে ‘ফিল্মি কায়দা’য় অপহরণের কিনারা পুলিশের
-
‘ছাত্রক্ষোভ রাজনৈতিক ফায়দা তোলার হাতিয়ার’, রাহুল গান্ধীকে তোপ কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর
-
স্বাস্থ্য ভবনে পদোন্নতির ঝড়, মুখ্যমন্ত্রীর জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকের বড় প্রমোশন
-
দায়িত্ব নিয়েছিলেন ১৮ দিন আগে, কামারহাটি পুরসভার চেয়ারম্যান পদ থেকে ইস্তফা লকেটের দাদার