উত্তরাখণ্ডের মতোই দুর্যোগে বিধ্বস্ত হিমালয়ের কোলের আরেক রাজ্য হিমাচল প্রদেশ। গত ৬৪ দিনে সেখানে মৃত্যু হয়েছে ২৫৯ জনের। বর্ষার মরসুমে টানা বৃষ্টির জেরে হড়পা বান এবং ধস নেমে অবরুদ্ধ ১৫০টি সড়ক। রাজ্য প্রশাসন জানিয়েছে, গত ৩০ জুন থেকে ১ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ১ হাজার ২০০ কোটি টাকার বেশি।
গোটা রাজ্যের যোগাযোগ ব্যবস্থা কার্যত ভেঙে পড়েছে। শুধু মান্ডিতেই ৭৮টি সড়ক বন্ধ হয়ে রয়েছে। ৩০ রাস্তা অবরুদ্ধ শিমলায়। একটানা বৃষ্টিতে রাজ্যের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে। ৩৭৪টি ট্রান্সফর্মার বিকল হয়ে গিয়েছে। এর মধ্যে মান্ডি জেলায় ১২৮টি, শিমলায় ৮৪টি এবং কুল্লুতে ৮১টি। বিদ্যুৎসংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ায় বিস্তীর্ণ অঞ্চলে জল সরবরাহেও বিঘ্ন ঘটছে।
আরও পড়ুন:
রাজ্য সরকারের তথ্য বলছে, বৃষ্টির কারণে ১০৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ধসে মৃত্যু হয়েছে ১৮ জনের। জলের তোড়ে ভেসে এবং জলে ডুবে মৃত্যু হয়েছে ১৩ জনের। ৩৪ জনের মৃত্যু হয়েছে গাছ এবং পাহাড় থেকে গড়িয়ে আসা পাথরের নিচে চাপা পড়ে। বর্ষায় সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে ১৫৩ জনের। সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে শিমলা এবং সিরমৌরে। এই দুই জেলার প্রতিটিতে মৃতের সংখ্যা ১৯। জানা গিয়েছে, পাহাড়ে আদিবাসী অধ্যুষিত জেলা লাহৌল এবং স্পিটিতে বর্ষাজনিত কারণে ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।
রাজ্যজুড়ে অসংখ্য বাড়ি, সেতু, বাজার, সরকারি ভবনের মতো পরিকাঠামো ভেঙে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ পৌঁছে গিয়েছে ১ হাজার ২০২ কোটি টাকায়। রাজ্য প্রশাসনের ‘পাবলিক ওয়ার্কস ডিপার্টমেন্ট’ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত (৯১৪ কোটি)। এর পরেই রয়েছে জলশক্তি বিভাগ। তাদের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ২৫৮ কোটি টাকা।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
৩৩০০ কর্মী ছাঁটাই করবে উবের! চালকহীন গাড়ির পথেই হাঁটছে সংস্থা
-
কেক-বেলুনে ঋতিকার জন্মদিন পালন, সোশাল মিডিয়ায় হিরণের নতুন পোস্টে ফের চর্চায় বিয়ে বিতর্ক
-
‘রক্ত-শোক ভোলার নয়’, বিয়ের আসরে মার্কিন হামলার নিন্দায় ইরান, ‘নীরব বিশ্ব’কে তোপ
-
প্রশাসনিক ভবনে বিক্ষোভে ‘না’, নোটিস প্রত্যাহারের দাবিতে উত্তেজনা কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয়ে
-
‘সংখ্যালঘু স্বাধীনতা রক্ষায় ব্যর্থ’, মাদ্রাসার জন্য মন্দির ভাঙায় পাকিস্তানকে তোপ ভারতের