Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ১৬ আগস্ট ২০২৬
21 July Shahid Diwas

‘কার্গিলের শহিদরাও শহিদ, গান্ধীজিও…’, রাজঘাটে এনসিপিআইয়ের ২১ জুলাই স্মরণে মন্তব্য কাকলির

মঙ্গলবার কলকাতার ৩টি মঞ্চের পাশাপাশি দিল্লিতেও পালিত হল একুশে জুলাই শহিদ দিবস।

নন্দিতা রায়
নন্দিতা রায়

শেষ আপডেট: জুলাই ২১, ২০২৬, ১৬:৫১

link
নন্দিতা রায়
নন্দিতা রায়

শেষ আপডেট: জুলাই ২১, ২০২৬, ১৬:৫১

options
link
‘কার্গিলের শহিদরাও শহিদ, গান্ধীজিও…’, রাজঘাটে এনসিপিআইয়ের ২১ জুলাই স্মরণে মন্তব্য কাকলির zoom
Advertisement

১৯৯৩ সালের ২১ জুলাই তৎকালীন যুব কংগ্রেসের মহাকরণ অভিযানের রক্তাক্ত ইতিহাস সবার জানা। আন্দোলন দমনে তখনকার পুলিশের নির্বিচার গুলিচালনায় ঝরেছিল ১৩টি তাজা প্রাণ। সেই ঘটনার স্মরণে প্রতি বছর ২১ জুলাই দিনটি শহিদ দিবস উদযাপন করে আজকের তৃণমূল কংগ্রেস। সেসময় তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছিলেন যুব কংগ্রেসের সভানেত্রী। তিনিও পুলিশি অত্যাচারের শিকার হন। সময়ের চাকা ঘুরে রাজ্যের ক্ষমতা থেকে সরে যাওয়ার পর এখন তৃণমূল কংগ্রেস ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে গিয়েছে। এবছর ২১ জুলাই শহিদ স্মরণে নানা মঞ্চ। তার মধ্যে একটি দিল্লির রাজঘাট। সেখানে তৃণমূলত্যাগী এনসিপিআই (21 July Shahid Diwas) সাংসদরা শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। সংসদ অধিবেশনের মাঝেই সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, শতাব্দী রায়, ইউসুফ পাঠান, কাকলি ঘোষ দস্তিদাররা। তবে এলেন না দেব, জুন মালিয়া, সায়নী ঘোষ-সহ ৯ জন।

বারাসতের সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার বললেন, ”শহিদ তো কার্গিলের যোদ্ধারাও, শহিদ তো মহাত্মা গান্ধীজিও। রাজঘাটে যখন আমরা শহিদ স্মরণ করছি, সবাইকেই শ্রদ্ধা জানাই।”

এনসিপিআই সাংসদরা আগেই জানিয়েছিলেন, এসময় তাঁরা সংসদ অধিবেশনের জন্য দিল্লিতে থাকবেন। তাই সেখানেই তাঁরা শহিদ স্মরণ অনুষ্ঠান করবেন। সেইমতো মঙ্গলবার বেলার দিকে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে ১২ জন সাংসদ রাজঘাটে পৌঁছন। কাকলি ঘোষ দস্তিদারের হাতে ছিল ফুলের ঝুড়ি। রাজঘাটে শহিদ বেদিতে পুষ্পার্ঘ্য দিয়ে তিরানব্বইয়ের শহিদদের শ্রদ্ধা জানান তাঁরা। অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বেলাগাম মন্তব্য করে বসলেন বারাসতের সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার! বললেন, ”শহিদ তো কার্গিলের যোদ্ধারাও, শহিদ তো মহাত্মা গান্ধীজিও। রাজঘাটে যখন আমরা শহিদ স্মরণ করছি, সবাইকেই শ্রদ্ধা জানাই।”

Advertisement

এদিকে, প্রায় একই সময়ে কলকাতায় বিড়লা তারামণ্ডলের কাছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়দের আয়োজিত একুশ স্মরণ মঞ্চ থেকে বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষ দলত্যাগীদের উদ্দেশে রীতিমতো বিষোদগার করেছেন। ‘গদ্দার’ বলে অ্যাখ্যা দিয়ে তাঁর হুঁশিয়ারি, ‘শেষ দেখে ছাড়ব।’ তা নিয়ে কাকলিকে প্রশ্ন করা হলে তাঁর সোজা জবাব, ‘‘কে কী বলছে, তার উত্তর দিতে যাব না। আমরা এখানে শহিদদের জন্য প্রার্থনা করছি। সকলের জন্যই আমাদের প্রার্থনা, ভালো থাকুন। উনিও (কুণাল ঘোষ)ভালো থাকুন।”

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.