স্কুলেই শিক্ষকদের লালসার শিকার ছাত্রীরা! শুধু তাই নয়, সেই হেনস্তার ভিডিও সোশাল মিডিয়ায় আপলোডের অভিযোগ উঠেছে অভিযুক্ত শিক্ষকদের বিরুদ্ধে। শুধু তাই এই বিষয়টি কাউকে জানালে ভয়ংকর পরিণতি হবে বলেও হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ।ঘটনাটি বিহারের বক্সারের সরকারি বিদ্যালয়ের। ঘটনার পর দুই শিক্ষককে সাসপেন্ড করা হয়েছে। তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
স্কুল ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত দুই শিক্ষকের নাম বীরেন্দ্র প্রসাদ ও অরবিন্দ কুমার। তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, স্কুল ছাত্রীদের হেনস্তার পর তা ভিডিও করে সামাজিক মাধ্যমে আপলোড করেছেন। এই অত্যাচার মাস খানেকের বেশি সময় ধরে চালিয়ে গিয়েছেন। ভিডিওগুলি নির্যাতনের শিকার ছাত্রীদের পরিবারের নজরে পরে। তারপরই পরিবার ও গ্রামবাসী থানায় যান। অভিযুক্তদের কঠোর শাস্তির দাবি জানান। তাঁদের বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ, বিষয়টি কাউকে জানালে ভয়াবহ পরিণতি হবে বলে ছাত্রীদের হুমকি দিয়েছিলেন দুই অভিযুক্ত শিক্ষক। তারপরই থানার পক্ষ থেকে ডিএসপি ও এক ইন্সপেক্টর-সহ তিনজনের দল পাঠানো হয় স্কুলে। তাঁরা প্রাথমিক তদন্ত শুরু করেছে।
আরও পড়ুন:
এক উচ্চ আধিকারিক কে এস অনুপম বলেন, “বক্সার জেলার এসপির থেকে জানতে পারি, ৩ ছাত্রী সাসপেন্ড শিক্ষকদের বিরুদ্ধে হেনস্তার অভিযোগ জানাতে এসেছে। তাদের শারীরিক পরিক্ষার নির্দেশ দেওয়া হয়। ছাত্রীদের গোপন জবানবন্দিও নেওয়া হয়েছে।” বক্সারের জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা (ডিইও) ইন্দ্রজিৎ কুমার কর্ণ জানিয়েছেন যে, প্রাথমিক তদন্তে সোশাল মিডিয়ায় ভিডিও আপলোড করার অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করা হয়েছে। তিনি বলেন, “শিক্ষকদের বিরুদ্ধে আপত্তিকর ভিডিও তৈরি করে তা সোশাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে আপলোড করার অভিযোগ করা হয়েছে। আমরা সেই প্রমাণ পেয়েছি। অভিযুক্ত শিক্ষকদের সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এবং তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়েছে। যেহেতু পুলিশি তদন্ত চলছে, তাই এ বিষয়ে আমি আর কোনও মন্তব্য করতে পারব না।”
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
ভিটামিন সি-র ‘ছদ্মবেশে’ বিষাক্ত রাসায়নিক পাচার! আমেরিকায় কারাদণ্ড গুজরাটের ব্যবসায়ীকে
-
শহরের ‘উত্তম করিডরে’ তারকাখচিত পদযাত্রা, বাংলা ছবির অমৃতকাল ফেরানোর শপথ শুভেন্দুর
-
এবার আইএফএ শিল্ড খেলবে মোহনবাগান? শর্ত বেঁধে দিল গতবারের চ্যাম্পিয়নরা
-
টানা বৃষ্টিতে প্লাবন উত্তরপ্রদেশ, তিন জেলায় মৃত ৫, বিহারে বিপদসীমার উপরে বইছে গঙ্গা
-
খাঁ খাঁ ক্লাসরুম, নাম ডাকার খাতা হাতে বাঁকুড়ায় পড়ুয়াদের বাড়ি বাড়ি ঢুঁ শিক্ষকদের, ব্যাপারটা কী?