Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১৩ জুলাই ২০২৬
Allahabad High Court

‘সরকারি প্রকল্পের জন্য উপাসনাস্থল অধিগ্রহণে আইনি বাধা নেই’, মন্তব্য এলাহাবাদ হাই কোর্টের

মামলাকারীর অভিযোগ ছিল, রাস্তা সম্প্রসারণের জন্য তাঁদের উচ্ছেদ করা হচ্ছে এবং সেই সঙ্গে এলাকার ছয়টি প্রাচীন মসজিদও অধিগ্রহণ ও ভেঙে ফেলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৩, ২০২৬, ১২:২৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৩, ২০২৬, ১২:২৯

options
link
‘সরকারি প্রকল্পের জন্য উপাসনাস্থল অধিগ্রহণে আইনি বাধা নেই’, মন্তব্য এলাহাবাদ হাই কোর্টের zoom
বৈধ সরকারি প্রকল্পের জন্য ধর্মীয় স্থান অধিগ্রহণে আইনি বাধা নেই, জানাল হাই কোর্ট।

জনস্বার্থে রাস্তা নির্মাণ, অবকাঠামো উন্নয়ন বা অন্য কোনও বৈধ সরকারি প্রকল্পের জন্য ধর্মীয় স্থান অধিগ্রহণে ১৯৯১ সালের উপাসনাস্থল আইন বাধা সৃষ্টি করে না। এক জনস্বার্থ মামলার শুনানিতে এমনই মন্তব্য করেছে এলাহাবাদ হাই কোর্ট। বিচারপতি জে. জে. মুনির এবং বিচারপতি অরুণ কুমারের ডিভিশন বেঞ্চ বারাণসীর ডালমন্ডি এলাকায় রাস্তা সম্প্রসারণ ও সৌন্দর্যায়ন প্রকল্প সংক্রান্ত একটি জনস্বার্থ মামলার শুনানিতে এই পর্যবেক্ষণ করেছে। প্রকল্পটি উত্তরপ্রদেশ সরকারের কাশী বিশ্বনাথ ধাম করিডর উন্নয়ন পরিকল্পনার অংশ।

মামলাটি করেছিলেন ডালমন্ডি এলাকার ছয় জন দোকানদার ও ভাড়াটিয়া। তাঁদের অভিযোগ ছিল, রাস্তা সম্প্রসারণের জন্য তাঁদের উচ্ছেদ করা হচ্ছে এবং সেই সঙ্গে এলাকার ছয়টি প্রাচীন মসজিদও অধিগ্রহণ ও ভেঙে ফেলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আবেদনকারীদের দাবি ছিল, মসজিদগুলি ১৫ আগস্ট ১৯৪৭-এর আগে থেকেই রয়েছে। ফলে সেগুলি ১৯৯১ সালের উপাসনাস্থল আইন-এর সুরক্ষার আওতায় পড়ে এবং সেগুলির বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ করা যায় না। তাঁরা আরও যুক্তি দেন, এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে বহু মানুষের জীবিকা, বাসস্থান এবং উপাসনার অধিকার ক্ষুণ্ণ হবে। পাশাপাশি, প্রশাসনের পদক্ষেপ একটি নির্দিষ্ট সম্প্রদায়কে লক্ষ্য করেই নেওয়া হয়েছে বলেও তাঁরা অভিযোগ তুলেছিলেন।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

আদালত জানায়, ১৯৯১ সালের আইনের উদ্দেশ্য হল একটি ধর্মীয় স্থানের ধর্মীয় পরিচয়কে অন্য ধর্মে পরিবর্তন রোধ করা।

তবে হাই কোর্ট আবেদনকারীদের যুক্তি গ্রহণ করেনি। আদালত জানায়, ১৯৯১ সালের আইনের উদ্দেশ্য হল একটি ধর্মীয় স্থানের ধর্মীয় পরিচয়কে অন্য ধর্মে পরিবর্তন রোধ করা। কিন্তু জনস্বার্থে এবং আইন মেনে সরকার যদি কোনও জমি বা ধর্মীয় স্থান অধিগ্রহণ করে, তাহলে সেই অধিগ্রহণে এই আইন বাধা দেয় না। রাস্তা, সেতু বা অন্যান্য অবকাঠামো নির্মাণের মতো প্রকল্পের জন্য প্রয়োজনে ধর্মীয় সম্পত্তিও অধিগ্রহণ করা যেতে পারে।

প্রসঙ্গত, ১৯৯১ সালের উপাসনাস্থল আইন বদলাতে চেয়ে একাধিক মামলা হয়েছিল সুপ্রিম কোর্টে। কয়েক বছর আগে প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব খান্নার আমলে এ সংক্রান্ত একটি মামলার শুনানি হয়েছিল। সে সময় তৎকালীন প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব খান্না, বিচারপতি পি ভি সঞ্জয় কুমার এবং বিচারপতি কে ভি বিশ্বনাথনের বেঞ্চে উপসনাস্থল আইন মামলার শুনানি হয়। তখন আদালত জানিয়েছিল, দেশে মন্দির, মসজিদ বা অন্য উপাসনাস্থল নিয়ে যত মামলা চলছে, যত সমীক্ষা চলছে, তা আপাতত স্থগিত থাকবে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.