Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ২১ আগস্ট ২০২৬
NEET

‘পরজন্মে ঠিক ডাক্তার হব’, মা-বাবাকে চিঠি লিখে ‘আত্মঘাতী’ নিট পরীক্ষার্থী!

সম্প্রতি মহারাষ্ট্রের আরেক নিট পরীক্ষার্থী তরুণীও একই পথ বেছে নিয়েছিলেন!

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২০, ২০২৬, ২১:৪৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২০, ২০২৬, ২১:৪৯

options
link
‘পরজন্মে ঠিক ডাক্তার হব’, মা-বাবাকে চিঠি লিখে ‘আত্মঘাতী’ নিট পরীক্ষার্থী! zoom
ফাইল ছবি।
Advertisement

ফের আত্মঘাতী এক নিট পরীক্ষার্থী! জানা গিয়েছে, ১৯ বছর বয়সি ওই পরীক্ষার্থী মহারাষ্ট্রের বাসিন্দা। তিনি নিটের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। কিন্তু মা-বাবার উদ্দেশে একটি ছোট্ট চিরকুট লিখে রেখে মারা গিয়েছেন তিনি। প্রাথমিক তদন্তে মনে করা হচ্ছে আত্মহত্যাই করেছেন তিনি। পড়াশোনা ও ভবিষ্যৎ নিয়ে অত্যধিক মানসিক চাপের কারণেই সম্ভবত বেছে নিয়েছেন এই পথ।

জানা গিয়েছে, মৃত তরুণের নাম সুরজ সুভাষ শিন্ডে। মহারাষ্ট্রের ছত্রপতি সম্ভাজিনগর জেলার বৈজাপুর তালুকার খান্ডালায় তাঁদের বাড়ি। নিজের ঘরেই তাঁকে মৃত অবস্থায় পাওয়া গিয়েছে। সেই সঙ্গেই দুই লাইনের ছোট্ট চিরকুটটিও হাতে এসেছে পুলিশের। আবেগঘন সেই চিরকুটে তাঁকে লিখতে দেখা গিয়েছে- ‘মা-বাবা, আমাকে ক্ষমা কোরো… পরবজন্মে আমি তোমাদের জন্য অবশ্যই ডাক্তার হব। দয়া করে নিজেদের খেয়াল রেখো এবং ভালো থেকো।’ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সুরজ বাড়ির উপরতলার একটি ঘরে বসে দেশের অন্যতম কঠিন ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। সারাদিন ঘরবন্দি হয়ে পড়াশোনা- এটাই ছিল তাঁর নিত্যদিনের রুটিন। আচমকাই তিনি কেন এমন মর্মান্তিক পরিণতি ডেকে আনলেন নিজের জীবনের, তা ভেবে পাচ্ছে না পরিবার।

Advertisement

প্রসঙ্গত, জুলাইয়ের শেষ সপ্তাহে মহারাষ্ট্রের আহিল্যনগরে এক তরুণীর মৃত্যু হয়। তিনিও ছিলেন নিট পরীক্ষার্থী। মনে করা হচ্ছে, তিনিও আত্মহত্যা করেছেন। সুইসাইড নোটে লিখে যান, ‘মা, বাবা তোমরা আমাকে অনেক ভালোবাসা দিয়েছ। কিন্তু তোমাদের একটাও ইচ্ছা পূরণ করতে পারলাম না। আমাকে ক্ষমা কোরো। আমার এই সিদ্ধান্তের জন্য কেউ দায়ী নয়। আমার চলে যাওয়া নিয়ে মন খারাপ কোরো না। অনেক ত্যাগস্বীকার করেছি, কিন্তু ফল হল না।’

উল্লেখ্য, প্রশ্নপত্র আগেভাগে ফাঁস হওয়ার অভিযোগের জেরে মে মাসে নিট পরীক্ষা বাতিল করা হয়। এরপরই তীব্র ক্ষোভের জন্ম হয়। শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে যুবসমাজ পথে নামে। তিনি ইস্তফা করতেই ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ তাদের বিক্ষোভ কর্মসূচি প্রত্যাহার করে নেয়।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.