Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Political twin murder case

কেরলে জোড়া খুনে ১০ জনকে ডবল যাবজ্জীবন, চার সিপিএম নেতার ৫ বছরের জেল

১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ সালে এই হত্যাকাণ্ড সাড়া ফেলে দিয়েছিল গোটা দেশে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৩, ২০২৫, ১৮:৪৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৩, ২০২৫, ১৮:৪৭

options
link
কেরলে জোড়া খুনে ১০ জনকে ডবল যাবজ্জীবন, চার সিপিএম নেতার ৫ বছরের জেল zoom
প্রতীকী ছবি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ৫ বছর আগে কেরলের পেরিয়ায় কংগ্রেসের দুই যুবনেতা খুনের ঘটনায় সাজা ঘোষণা করল আদালত। শুক্রবার এই মামলায় দোষী সাব্যস্ত ১৪ জন অপরাধীর মধ্যে ১০ জনকে দুবারের যাবজ্জীবন (Double Life Imprisonment) কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি এই মামলায় দোষী প্রাক্তন সিপিএম বিধায়ক-সহ ৪ জনকে ৫ বছরের কারাদণ্ড ও জরিমানা করা হয়েছে।

২০১৯ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি পেরিয়ায় কংগ্রেসের যুবনেতা কৃপেশ ও শরথলাল পিকে নামে দুইজনকে হত্যা করা হয়। অভিযোগ ছিল, ঘটনার দিন এলাকার সিপিএম ও কংগ্রেস কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক অশান্তি হয়। দুই রাজনৈতিক দলের কর্মীদের মধ্যে হাতাহাতি মারামারির পর্যায়ে যায়। সেই সময় নৃশংসভাবে হত্যা করা হয় ওই দুই কংগ্রেস কর্মীকে। এই হত্যাকাণ্ডের তদন্তে নেমে ২৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছিল সিবিআই। যার বেশিরভাগই ছিলেন সিপিএম নেতা। এই মামলায় অন্যতম অভিযুক্ত ছিলেন সিপিএমের প্রাক্তন বিধায়ক কেভি কুনহীরামন, কানহানগড় ব্লকের পঞ্চায়েত প্রধান মনিকান্দন-সহ ২৪ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট পেশ করে সিবিআই।

Advertisement

গত ৫ বছর ধরে বিচারপর্ব চলার পর শনিবার এই হত্যাকাণ্ডে ২৪ জন অভিযুক্তের মধ্যে ১০ জনকে খুন, প্রমাণ লোপাট ও ষড়যন্ত্র-সহ একাধিক ধারায় দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছিল। শুক্রবার তাঁদের দুবারের যাবজ্জীবন (Double Life Imprisonment) কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এই তালিকায় টি রণজিৎ ও এ সুরেন্দ্রনকে যাবজ্জীবনের পাশাপাশি তথ্য প্রমাণ লোপাটের অপরাধে ২ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়া সিপিএমের প্রাক্তন বিধায়ক কেভি কুনহীরামন-সহ ৪ সিপিএম নেতাকে ৫ বছরের সাজা ও ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। এই অপরাধীরা হত্যাকাণ্ডের পর প্রভাব খাটিয়ে অপরাধীদের পুলিশ হেফাজত থেকে মুক্ত করেছিল।

১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ সালে এই হত্যার পর ওই বছর ২৩ অক্টোবর মামলা তুলে দেওয়া হয় সিবিআইয়ের হাতে। পুলিশ প্রথমে এই মামলায় ১৪ জনকে অভিযুক্ত করলেও সিবিআই তদন্তভার নিয়ে ২৪ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট পেশ করে। যার মধ্যে ৬ জন ছিলেন সিপিএম নেতা। তবে মামলা চলাকালীন ২৪ জনের মধ্যে ১০ জনকে বেকসুর খালাস করেছে সিবিআইয়ের বিশেষ আদালত।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.