ডিজিটাল দুনিয়ার তীব্র গতি। কেরিয়ারের ইঁদুরদৌড়। আর সোশালাইজিংয়ের চাপ। সব মিলিয়ে আজকের তরুণ প্রজন্মকে গিলে ফেলছে এক অদ্ভুত একাকীত্ব। বাড়ছে ডিপ্রেশন। আর এই জায়গা থেকে বেরোতেই এবার জেন জি আকৃষ্ট হচ্ছে বাস্তু প্রতিবিধানে। কী অবাক হচ্ছেন?
না, শুধু ঘর সাজানোর আগ্রহ নয়, বাসস্থানকে পরিশুদ্ধ করে তুলতে আশ্রয় নিচ্ছে বাস্তুশাস্ত্রের। স্মার্টফোন আর সোশাল মিডিয়ার অতি-ব্যবহার এতদিন তরুণ মনে তৈরি করেছে এক ধরনের অদ্ভুত ক্লান্তি। বিশেষ করে যাঁদের ছোট ঘরটিতেই পড়াশোনা, ওয়ার্ক ফ্রম হোম আর ঘুমের ঠিকানা, তাঁদের ক্ষেত্রে যেন এই ক্লান্তি আরও জাঁকিয়ে বসছে। এই পরিস্থিতিতে মুশকিল আসান করছে বাস্তু বিধান। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাস্তু কেবল গৃহের বিশেষ সজ্জা নয়, এটি আসলে ঘরকে ইতিবাচকতায় ভরিয়ে রাখার প্রাচীন কৌশল। টিনেজরা আজ বুঝতে পারছে, চারপাশের পরিবেশের সঙ্গে মনের এক গভীর যোগ রয়েছে। ঘরের ইতিবাচক শক্তি মনোযোগ বাড়াতে আর মানসিক চাপ কমাতে ম্যাজিকের মতো কাজ করে। আর সেই কারণেই এই প্রজন্মের কাছে সেলফ-কেয়ার বা নিজের যত্নের এক নয়া কৌশল হয়ে উঠেছে বাস্তু।
আরও পড়ুন:
সবচেয়ে বড় কথা, এর জন্য কঠোর কোনও নিয়ম মেনে চলার দরকার পড়ে না। হস্টেলের ছোট্ট ঘর হোক বা ভাড়াবাড়ির এক চিলতে কোণ। সব স্থানেই বাস্তুর সহজ নিয়ম মেনে চলা সম্ভব। ঘর থেকে অপ্রয়োজনীয় আবর্জনা বা ক্ল্যাটার সরানো, দিনের আলো ঢোকার ব্যবস্থা করা, বিছানার চারপাশ পরিষ্কার রাখা আর সামান্য কিছু গাছপালা দিয়ে ঘর সাজানো—এই সামান্য বদলেই ঘরের ভোল পালটাবে। শান্ত হবে মন। সোশাল মিডিয়ার রিলস বা পডকাস্টের দৌলতে এই সহজ টিপসগুলো এখন যেকারোরই হাতের মুঠোয়। পড়তে বসার টেবিলটা গুছিয়ে রাখা কিংবা ঘরের এক কোণে নিজের জন্য একটা আকর্ষণীয় শান্ত পরিবেশ তৈরি করা—আজকের জেন জি-র কাছে এগুলোই হল ভালো থাকার সহজ পাঠ। ইনস্টাগ্রামে ঘরের ছবি সুন্দর দেখানোর চেয়েও, ঘরের আবহে নিজের মনকে শান্ত রাখাই এখন তাদের আসল লক্ষ্য।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
রেকর্ড বুকে কেন, গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ড, জিতেও নকআউটে কঠিন লড়াইয়ে ক্রোয়েশিয়া
-
সিআইডি সেজে ব্যবসায়ীকে প্রকাশ্য রাস্তা থেকে অপহরণ করে ডাকাতি, তদন্তে পুলিশ
-
‘আত্মঘাতী’ বিস্ফোরণে কাঁপল করাচির সেনা দপ্তর, চলল গুলি, মৃত্যু তিন পাক সেনার
-
লেনিন নয়, হৃদয় সম্রাট শিবাজি! ‘লাল’ যাদবপুরে পালিত ‘হিন্দু সাম্রাজ্য দিবস’
-
লিঙ্কডিনে ফুটবলার খুঁজে বিশ্বকাপের নকআউটে! কেপ ভার্দের স্বপ্নের সওদাগর যে মানুষটা