বাঙালির সোনাপ্রীতি চিরকালের। সোনা কেবল আভিজাত্যের বা সঞ্চয়ের প্রতীক নয়। হিন্দুধর্মে তা সাক্ষাৎ মা লক্ষ্মীর রূপ। এ কারণেই অল্প হলেও বাড়িতে সোনা রাখার পরামর্শ দেন জ্যোতিষীরা। ঘরে সোনা থাকা মানেই সমৃদ্ধির লক্ষণ। কিন্তু সোনা রাখলেই তো হল না। প্রশ্ন হল, কোথায় রাখবেন? কীভাবে রাখবেন। সুরক্ষার কথা ভেবে আমরা অনেকেই মহামূল্যবান সোনার গয়না লোহার সিন্দুকে বা লকারে রাখি। প্রায় ঘরে ঘরেই এই চেনা ছবি দেখা যায়। কিন্তু লৌহ দ্রব্যে সোনা রাখা কি শুভ? কী বলছে বাস্তু?
জ্যোতিষ বলছে, সোনার সঙ্গে দেবগুরু বৃহস্পতি এবং সূর্যদেবের সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে। বৃহস্পতি সৌভাগ্যের প্রতীক, আর সূর্য হল তেজের কারক। অন্যদিকে, লোহার অধিপতি হলেন শনিদেব। শনিদেব কর্ম, কঠোরতা, বিলম্ব ও সংগ্রামের প্রতীক। শনির সঙ্গে বৃহস্পতির সম্পর্ক সমভাবাপন্ন হলেও, তাদের স্বভাব একেবারে বিপরীত। আর সূর্যের সঙ্গে শনির চরম শত্রুতার কথা তো সর্বজনবিদিত। তাই লোহার সিন্দুকে সোনা রাখার অর্থ হল, পরম শত্রু দুই গ্রহকে এক জায়গায় বন্দি করে রাখা। এতেই বাড়ে বিপদ। গৃহে নেতিবাচক শক্তি মাথাচাড়া দেয় এবং আর্থিক সমস্যা বৃদ্ধি পায়।
আরও পড়ুন:
তাহলে সোনা রাখার সঠিক উপায় কী?
বাস্তুশাস্ত্র জানাচ্ছে, সোনার গয়না সবসময় কাঠের আলমারিতে রাখা উচিত। এটি অত্যন্ত শুভ বলে বিবেচিত হয়। তবে শুধু কাঠের আলমারিই নয়, সোনা রাখার বিশেষ নিয়মও রয়েছে। সোনার গয়না সবসময় পরিষ্কার লাল বা হলুদ রঙের কাপড়ে সযত্নে মুড়িয়ে রাখবেন।
সোনা রাখার ক্ষেত্রে দিক নির্ণয় করাটাও খুব জরুরি। বাড়ির পশ্চিম দিকে ভুলেও কখনও সোনার গয়না রাখবেন না। এতে প্রবল বাস্তুদোষ তৈরি হয়। সোনা রাখার জন্য সেরা এবং সবচেয়ে শুভ দিক হল উত্তর বা উত্তর-পূর্ব দিক। এই নির্দিষ্ট স্থানে সঠিক নিয়ম মেনে সোনা রাখলে ঘরে ইতিবাচক শক্তির সঞ্চার হয়। বজায় থাকে মা লক্ষ্মীর কৃপাদৃষ্টি।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
‘ভারতীয়রা দুধে চিনির মতো’, অস্ট্রেলিয়ায় মোদির মন্তব্যে উচ্ছ্বসিত প্রবাসীরা
-
কপালে তিলক-গলায় তুলসিমালা, ছাত্রীকে ‘বহিষ্কার’ করেও শিক্ষাদপ্তরের ‘চাপে’ ফেরাল স্কুল
-
বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পুরস্কার! রাজ্যসভার প্রার্থী ৩ প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ, জারি বিজ্ঞপ্তি
-
মোবাইলে আসক্তি বাড়ছে শিশুর! বাড়ি বাড়ি গিয়ে তদারকি করবেন আশাকর্মীরা
-
বন্যায় ডুবেছে চিন! জলে কিলবিল করছে শয়ে শয়ে বিষাক্ত সাপ, এক মহিলার মৃত্যু