ঘরের ছাদকে শুধু কংক্রিটের আস্তরণ ভাবছেন? এমনটা আদৌ ভাববেন না। বাস্তুশাস্ত্রে এটি আসলে গৃহের ‘শিরোভাগ’। ছাদ যেমন রোদ-জল থেকে বাঁচায়, তেমনই মহাজাগতিক পজিটিভ এনার্জিকে ধরে রাখতেও বড় ভূমিকা নেয়। কিন্তু অজান্তেই আমরা সাধের ছাদটিকে আবর্জনার স্তূপ বানিয়ে ফেলি। আর তাতেই রুষ্ট হন ধনদেবী লক্ষ্মী। বাস্তুর সামান্য ভুলেই পরিবারে নেমে আসে চরম আর্থিক অনটন। থমকে যায় গৃহের শ্রী ও সমৃদ্ধি।

আরও পড়ুন:
বাস্তুতে ছাদ কেন গুরুত্বপূর্ণ?
তাই আগেভাগে সাবধান হওয়া জরুরি। বিশেষ করে ঝাড়ু দেওয়ার পর অনেকেই ছাদেই আবর্জনা ফেলে আসেন। শাস্ত্র মতে, খোলা ছাদে ঝাড়ু রাখা মানেই লক্ষ্মীকে বিদায় জানানো। একই রকম বিপদ ডেকে আনে যত্রতত্র পড়ে থাকা গিঁট বাঁধা দড়ির বান্ডিল। জামাকাপড় শুকনোর পর দড়ি খুলে ফেলাই শ্রেয়, অন্যথায় ঘরের উন্নতিতে বাধা আসে। অনেকে আবার বাতিল খবরের কাগজ, মরচে পড়া লোহা, ভাঙা কাঠের আসবাব ছাদে রেখে দেন। এগুলি আসলে নেগেটিভ এনার্জির আঁতুড়ঘর। এর ফলে হাতের কাজ শেষ মুহূর্তে এসে আটকে যায়।

কী করবেন?
তবে ছাদকে যদি বাস্তু মেনে সাজানো যায়, তবে ভাগ্যের চাকা ঘুরতেও সময় লাগে না। ছাদ ফাঁকা না রেখে সেখানে ছোট ছোট গাছ লাগাতে পারেন। তুলসী, গাঁদা, লিলি, পুদিনা বা সবুজ দুব্বো ঘাসের টব ঘরের উত্তর-পূর্ব বা পূর্ব দিকে রাখুন। উত্তর দিকে নীল রঙের ফুল ফোটালে পরিবারে অগ্রগতির পথ খোলে। তবে ছাদে বেশি ভারী টব বা বড় গাছ রাখবেন না। যদি রাখতেই হয়, তবে ছাদের দক্ষিণ বা পশ্চিম দিক বেছে নিন। বিশেষ করে পশ্চিম দিকে চাঁদনি, মোগরা বা চামেলির মতো সাদা ফুলের গাছ রাখলে সন্তানদের একাগ্রতা ও সৃজনশীলতা বৃদ্ধি পায়।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
জিরাফের চেয়েও লম্বা গলা! থাইল্যান্ডে খোঁজ মিলল নয়া তৃণভোজী ডাইনোসরের
-
অ্যাকাউন্ট তহবিল মামলায় পার্টি করার আর্জি, ‘আসল তৃণমূলে’র আবেদন খারিজ হাই কোর্টের
-
মিনিট কয়েকের জন্য এক চোখে ঝাপসা? অবহেলায় বাড়তে পারে স্ট্রোকের ঝুঁকি
-
ডাক্তারদের ‘৯৬ ঘণ্টা ডিউটি’ নিয়ে সুর নরম স্বাস্থ্যমন্ত্রীর! ‘অনুরোধ করেছি’, বললেন শারদ্বত
-
৮১ ফুটের রামমূর্তি নির্মাণে উদ্যোগী হন, বাংলাদেশে ‘মিথ্যা মামলা’য় গ্রেপ্তার সেই হরিদাস