Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৪ জুলাই ২০২৬
Vastu Tips

বাথরুমে আয়না বসানোর আগে জানুন বাস্তুর নিয়ম, এড়ান মারাত্মক এই ভুল

বাথরুমে আয়না লাগানো একেবারেই নিষিদ্ধ নয়, তবে তার জন্য প্রয়োজন সঠিক দিশা ও পরিমিতিবোধ। ভুল বিন্যাসে দর্পণের উপস্থিতি পুরো বাড়ির সুখ-শান্তি তছনছ করে দিতে পারে এক লহমায়।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৪, ২০২৬, ১৭:০০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৪, ২০২৬, ১৭:০০

options
link
বাথরুমে আয়না বসানোর আগে জানুন বাস্তুর নিয়ম, এড়ান মারাত্মক এই ভুল zoom
স্নানঘরের আয়না নিয়ে কী বলছে বাস্তুশাস্ত্র? ছবি: সংগৃহীত

আধুনিক গৃহসজ্জায় স্নানঘর কেবল প্রয়োজন মেটানোর জায়গা নয়। বরং তা হয়ে উঠেছে রুচি ও আভিজাত্যের প্রকাশ মাধ্যম। সেখানে জায়গা করে নিচ্ছে বাহারি আলো। দামি ফিটিং। এবং অবশ্যই নানা আকৃতির স্টাইলিশ আয়না। কিন্তু শখ করে বাথরুমে যে দর্পণটি বসাচ্ছেন, তা কি আদৌ শুভ? বাস্তুশাস্ত্র অনুযায়ী, গৃহের প্রতিটি কোণের একটি নিজস্ব ‘এনার্জি ফ্লো’ থাকে। বাথরুমকে মূলত নেতিবাচক শক্তির আধার হিসেবে গণ্য করা হয়। তাই এই অংশের স্পন্দনকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে কিছু নিয়ম মেনে চলা অত্যন্ত জরুরি। বাথরুমে আয়না লাগানো একেবারেই নিষিদ্ধ নয়, তবে তার জন্য প্রয়োজন সঠিক দিশা ও পরিমিতিবোধ। ভুল বিন্যাসে দর্পণের উপস্থিতি পুরো বাড়ির সুখ-শান্তি তছনছ করে দিতে পারে এক লহমায়।

ছবি: সংগৃহীত

বাস্তুবিদদের মতে, বাথরুমে আয়না বসানোর ক্ষেত্রে দিক নির্বাচন সবচেয়ে সংবেদনশীল বিষয়। শুভ শক্তির প্রবাহ ধরে রাখতে সবসময় উত্তর বা পূর্ব দিকের দেওয়ালে আয়না লাগানো উচিত। এই দুই দিক ইতিবাচকতার প্রতীক। বিপরীতে, দক্ষিণ বা পশ্চিম দেওয়ালে দর্পণ স্থাপন করা ঘোর অশুভ। শুধু দেওয়াল নয়, আয়নার অবস্থানও সমান গুরুত্বপূর্ণ। বাথরুমের প্রবেশদ্বার, কমোডের ঠিক সামনে কিংবা দরজার পাশে আয়না রাখা বাস্তুমতে বড় ভুল। এর ফলে বাথরুমের অন্দরে পুঞ্জীভূত নেতিবাচক শক্তি প্রতিফলিত হয়ে গোটা বাড়িতে ছড়িয়ে পড়ে, যা গৃহস্থের মানসিক ও আর্থিক ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

আয়নার আকারের ওপরও নির্ভর করে গৃহের সুখ-সমৃদ্ধি। বাস্তুশাস্ত্রে আয়তাকার বা চৌকো আকৃতির আয়নাকেই সবচেয়ে শ্রেয় এবং কল্যাণকর বলে মনে করা হয়। এই ধরনের জ্যামিতিক গঠন শুভ শক্তির ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। অন্যদিকে, আধুনিক ফ্যাশনের গোল বা ডিম্বাকৃতি আয়না বাথরুমে এড়িয়ে চলাই মঙ্গলজনক, কারণ এগুলো বাস্তুর ভারসাম্যে বিঘ্ন ঘটায়। এর পাশাপাশি আয়নার উচ্চতার দিকেও নজর দেওয়া দরকার। দর্পণ এমন উচ্চতায় ঝোলানো উচিত যাতে নিজের অবয়ব স্পষ্ট ও সম্পূর্ণ দেখায়। খণ্ডিত প্রতিবিম্ব অশুভ সংকেত বহন করে।

ছবি: সংগৃহীত

সর্বোপরি, দর্পণের পরিচ্ছন্নতাই শেষ কথা। বাথরুমের আর্দ্রতায় আয়নায় জল বা সাবানের দাগ বসা স্বাভাবিক, কিন্তু তা জমতে দেওয়া যাবে না। নোংরা আয়নায় মুখ দেখে দিন শুরু করলে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে মনস্তত্ত্বে। আর ভুলেও কোনও ভাঙা বা ফাটল ধরা আয়না রাখবেন না, তা জীবনের অগ্রগতির পথ রুদ্ধ করে দেয়। সামান্য সতর্কতায় শখের স্নানঘরটিই হয়ে উঠতে পারে ইতিবাচকতার এক নয়া ঠিকানা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.