সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ‘বাগানবিলাস’ নিয়ে বাগানবিলাসীর সংখ্যা কম নয়। কম-বেশি যাঁরা পছন্দ করেন এই গাছ তাঁরা বাড়িতে অল্প জায়গার মধ্যেও ঠিক লালনপালন করার চেষ্টা করেন। গন্ধ না থাকলেও এই ফুলের গাছ কিন্তু রূপ এবং রং সবকিছুতেই সেরা। বাগানবিলাস, কাগজফুল, বাগান বাহার, বোগেনভেলিয়া বহু নামের মতোই এই ফুল গাছের অনেক রংও। বাজারে বা নার্সারিতে অনেক রকম রঙের এই গাছ পাওয়া যায়। বাড়িতে মাটিতে হোক বা টবে এই গাছ বসালে তার যত্ন কীভাবে নেবেন জেনে নিন।
বাড়ি বা নিজের বাগানের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করতে অনেকেই এই বাগানবিলাস বা কাগজ ফুলের গাছ বসান। দু’কামরা ছোট্ট ফ্ল্যাটের জানলা বা এক ফালি বারান্দা আলো করে থাকে বাগানবিলাস। গোলাপি, সাদা, কমলা বিভিন্ন রঙে এই ফুলের গাছ মেলে।
কীভাবে যত্ন নেবেন?
প্রথমেই ভালো করে মাটি তৈরি করে নিতে হবে। মাটিতে মেশাতে হবে বালি মাটি, জৈব সার। ব্যবহার করতে পারেন মাটি তৈরির সময়ে এক চামচ পটাশ সার গাছের খাদ্যের প্রয়োজনে।

এই গাছের চারা কিনে নিয়ে এসে মাটিতে বসানোর পর তাতে প্রয়োজনমতো জল দেবেন। এই গাছে প্রচুর পরিমাণে জলের প্রয়োজন হয়। তবে হ্যাঁ, গাছের গোড়ার জল না শোকানো পর্যন্ত আবার জল দেবেন না।
টবে বসানোর ক্ষেত্রেও একই নিয়ম মানতে হবে। জৈব সার হিসাবে কাগজফুল বা বাগানবিলাস গাছে ব্যবহার করতে পারেন সরষের খোল, গোবর সার, পাতা পচা সার ইত্যাদি।
কাগজ ফুলের গাছে পর্যাপ্ত রোদের প্রয়োজন হয়। তাই যেখান থেকে এই গাছ পর্যাপ্ত রোদ পাবে সেরকম জায়গাতেই গাছটি রাখুন। ভরা গ্রীষ্মে এই কারণেই ফুলে ফুলে ভরে ওঠে কাগজ ফুলের গাছ।
তবে রোদ পেলে শীতকালেও এই গাছে ফুল পাওয়া যায়। তুলনামূলকভাবে বর্ষাকালে বরং কম ফুল আসে। তবে সঠিক পরিচর্যায় আপনার কাগজ ফুলের গাছ ভরে উঠবে ফুলে।
সর্বশেষ খবর
-
আজ হরিয়ালি অমাবস্যা ও সূর্যগ্রহণের বিরল যোগ, স্রেফ একটি কাজেই দূর হবে সব বাধাবিপত্তি
-
স্পিকারকে না জানিয়ে নিলম্বিত! অবশেষে সাসপেনশন উঠে গেল বিধানসভার মার্শালের
-
‘হুজুগ’ বলেছিল তৃণমূল, অভয়া কাণ্ডের দু’বছর পর ফের ১৪ আগস্ট ‘রাত দখলে’র ডাক অগ্নিমিত্রার
-
তৃণমূল সাংসদরা পিছনের সারিতে কেন, দলত্যাগীদের পদ খারিজ কবে? স্পিকার সাক্ষাতে প্রশ্ন অভিষেকদের
-
‘জীবনে শর্টকাট নিও না…’, রিলপ্রেমী জেন জি’দের নয়া বার্তা প্রধানমন্ত্রীর