সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দিনভর ব্যস্ত জীবন। ক্লান্ত শরীরে শোওয়ার ঘরে পৌঁছনো যেন স্বর্গসুখের মতো। আর কী বা চাইতে পারেন একজন মানুষ। তবে অনেকের আবার চোখে ঘুম নেই। আপনিও কি রাতজাগা পাখি? দু’চোখের পাতা এক করতে পারেন না? বাস্তুবিদদের মতে, শুধু স্মার্টফোন নয়। এই দশ জিনিস ঘরে থাকলে হতে পারে বিপদ। ঘুম কাড়তে পারে এই জিনিসগুলি।

* শোওয়ার ঘরে ভুলেও ইংলিশ আইভি, বস্টন ফার্নসের মতো গাছ রাখবেন না। কারণ, এই দু’টি গাছের ফলে শ্বাসকষ্টের সমস্যা হতে পারে। তার ফলে ব্যাঘাত ঘটতে পারে ঘুমের।
* শোওয়ার ঘরে ভুলেও ট্রেডমিল, ডাম্বেলের মতো শরীরচর্চার সামগ্রী রাখবেন না। কারণ, শরীরচর্চার সময় আমাদের ঘাম হয়। তা থেকে নানা ব্যাকটেরিয়া ছড়াতে পারে। তাই তা আপনার শারীরিক অসুস্থতার কারণ হয়ে উঠতে পারে।

* ভুল করেও ঘরে নোংরা জামাকাপড় রাখবেন না। তার দুর্গন্ধে ঘরের পরিবেশ নষ্ট হবে। অ্যালার্জি, শ্বাসকষ্টও হতে পারে। স্বাভাবিকভাবে ঘুমের ঘাটতিও হতে পারে।

* ছেঁড়া কাগজপত্র শোওয়ার ঘরে রাখবেন না। তাতে নানা পোকামাকড়ের উপদ্রব হতে পারে। তার ফলে ঘুমের ব্যাঘাত হওয়ার সম্ভাবনাও থাকে।
* উজ্জ্বল আলো কিংবা উজ্জ্বল আলোযুক্ত ঘড়ি ভুলেও রাখবেন না। তাতে শোওয়ার ঘর স্নিগ্ধতা হারায়। জোরাল আলো ঘুমও কেড়ে নিতে পারে।

* ঝাঁজালো গন্ধও ঘুমে বাধা তৈরি করতে পারে। তাই ঝাঁজাল গন্ধের কোনও প্রসাধন সামগ্রী শোওয়ার ঘরে না রাখাই ভালো।

* মশারোধী ঝাঁজালো গন্ধযুক্ত স্প্রে-ও শোওয়ার ঘরে না রাখাই উচিত। তাতে শ্বাসকষ্ট হতে পারে।
* শোওয়ার ঘরে কাঁচি, ছুরির মতো ধারালো সামগ্রী রাখবেন না। বাস্তুবিদদের মতে, তার কুপ্রভাবে আপনার ঘুম নষ্ট হতে পারে।
* অব্যবহার্য জিনিসপত্র শোওয়ার ঘরে বোঝাই করবেন না। বাস্তুবিদদের মতে, তাতে ঘর যেমন শ্রী হারায়। তেমনই আবার তা আপনার স্বাস্থ্যেও কুপ্রভাব ফেলতে পারে।
* অতিরিক্ত বালিশ বিছানায় রাখবেন না। তাতে শোওয়ার সমস্যা দেখা দিতে পারে। আর আরাম করে না শুতে পারলে ঘুমে ব্যাঘাত ঘটাই স্বাভাবিক।

সর্বশেষ খবর
-
ঋতুপর্ণর সঙ্গে আরেকটি ছবিতে কাজের কথা ছিল, আজ ও থাকলে ভীষণ খুশি হত: অনুপম খের
-
চিনের হাতে বাংলাদেশের তিস্তা প্রকল্প! ‘উদ্বিগ্ন’ দিল্লিকে কী বার্তা দিল বেজিং?
-
ভারতের সড়ক পরিকাঠামোয় নয়া মোড়, জোট বাঁধল বিপিসিএল, শেল এবং টিকি টার
-
খামেনেইয়ের শেষকৃত্যে ইরান যাচ্ছেন না মোদি, নেপথ্যে কোন কূটনীতির ‘খেলা’?
-
অক্সফোর্ড স্ট্রিটের আদলে সাজবে বইপাড়া! কলেজ স্ট্রিট এবার ‘নো ভেহিকেল জোন’