সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পরিচ্ছন্ন থাকতে ভালোবাসেন সকলেই। সুস্থ থাকতে পরিষ্কার থাকাটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে কেউ কেউ আবার পরিচ্ছন্নতার দিকে প্রয়োজনের অতিরিক্ত নজর দেন। খাওয়াদাওয়া শেষ হতে না হতেই বাসন মেজে ফেলেন। কোনও পরিস্থিতিতেই খাওয়া বাসন রেখে দিতে রাজি নন তাঁরা। বিশেষজ্ঞদের দাবি, এই সকল মানুষ কয়েকটি বিশেষ গুণের অধিকারী। চলুন জেনে নেওয়া যাক সেগুলি কী কী।
১. যাঁরা খাওয়াদাওয়া শেষ হতে না হতেই বাসন মাজেন। তারা বাসন পরিষ্কারকেও খাওয়ার অংশ মনে করেন। যে কোনও কাজই শেষ না করা অবধি এরা শান্তি পান না। এদের কাছে বাসন না মাজা-ধোওয়া অবধি খাওয়া দাওয়া শেষ হয় না। আসলে অসমাপ্ত কাজ, একটা চাপা টেনশন তৈরি করে। এদের ক্ষেত্রে সেসবের সমস্যা থাকে না।

২. এরা দায়িত্ব ভাগ করে নিতে ভালোবাসেন। অন্যের কাঁধে কোনও কিছু চাপিয়ে দেওয়া এদের না-পসন্দ! নোংরা বাসনপত্র রেখে দিলে তা অন্যের উপর চাপিয়ে দেওয়া বলেই মনে করেন, তাই সময়ের কাজ সময়ে সেরে ফেলেন।
৩. এটা রুটিন মেলে চলতে ভালোবাসেন। খাওয়াদাওয়া শেষেই বাসন পরিষ্কার করাটাকেও এরা দৈনিক রুটিনের মধ্যেই মনে করেন।
৪. নিয়ম মেনে চলতে ভালোবাসেন এরা। খাওয়াদাওয়ার পর বিশ্রাম নিতেই ভালোবাসেন প্রায় সকলে। যারা বাসনপত্র পরিষ্কার না করে বিশ্রাম নেন না, তারা অত্যন্ত নিয়মানুবর্তী।

৫. খাওয়া শেষেই বাসন পরিষ্কার করা শুধুই সাফাই নয়, বরং এটা একটা অভ্যাস।
৬. নোংরা বাসনপত্র কিছুটা হলে স্ট্রেস বাড়ায়। যে কোনও কাজ ফেলে রাখা মানেই, মাথায় ঘুরতে থাকে তা। এরা এসব ঝঞ্ঝাট একেবারেই পছন্দ করেন না। যা আদতে একটা ভীষণ ভালো গুণ।
সর্বশেষ খবর
-
হড়পা বানে মৃত্যুমিছিল, নেপালে একতা চাইছেন ‘ভারতবিদ্বেষী’ বলেন্দ্র! নয়াদিল্লির পাঠানো ত্রাণ নেবেন?
-
যজ্ঞেই শয়তান তাড়ানোর কথা বলে ‘শ্লীলতাহানি’, গয়না নিয়ে উধাও সঙ্গিনী-সহ তান্ত্রিক
-
হড়পা বানে আটকে কৈলাসযাত্রী শিষ্যরা, বিধ্বস্ত নেপালে উদ্ধারকাজে নামতে চান সদগুরু!
-
রাজ্যে উড়ল প্যালেস্তাইনের পতাকা! ‘জাতীয় মর্যাদার সঙ্গে আপস নয়’, কড়া বার্তা শুভেন্দুর
-
হাতে হাত, রংমিলান্তি পোশাক, ফের একফ্রেমে রাজ-শুভশ্রীকে দেখে শান্তি ভক্তদের