সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রান্নাঘরের কোণে ডাস্টবিন রাখেন প্রায় সকলেই। বাড়ির টুকিটাকি আবর্জনা সেখানে ফেলে দেওয়া হয়। মশলার প্যাকেট থেকে প্লাস্টিকের জলের বোতল – সবই ফেলে দেওয়া হয় ওই নোংরা ফেলার জায়গায়। তবে জানেন কি বাড়িতে থাকা এই ১০টি জিনিস ডাস্টবিনে ফেললে হতে পারে সর্বনাশ।

রান্নাঘরে থাকা ডাস্টবিনে ভুলেও হেয়ার স্প্রে, ডিওডোরেন্ট, স্প্রে রঙের বোতল ফেলবেন না। কারণ, তা অন্যান্য ময়লার সঙ্গে মিশে রাসায়নিক বিক্রিয়া হতে পারে। তার ফলে ঘটতে পারে বিস্ফোরণও। তাই ভুলেও এই ধরনের বোতল ডাস্টবিনে ফেলবেন না।

ক্যাডমিয়াম এবং লিথিয়াম থাকে ব্যাটারিতে। তা রান্নাঘরে থাকা ডাস্টবিনে ফেলবেন না। নইলে পরিবেশ দূষণ হতে পারে।

সাধারণ কাগজ মাটির সঙ্গে মিশে যায়। তার ফলে দূষণের সম্ভাবনা অনেক কম। কিন্তু রঙিন কাগজের উপর থাকা রঙ পরিবেশ দূষণ করে। তাই তা ভুলেও ডাস্টবিনে ফেলবেন না।

মাটি এবং সেরামিক পাত্র ভুলেও রান্নাঘরের কোণে থাকা ডাস্টবিনে ফেলবেন না। পরিবর্তে তা অন্যভাবে ব্যবহারের চেষ্টা করুন।

প্লাস্টিক এবং জেল দিয়ে তৈরি হয় ডায়পার। যেহেতু এতে খুদেরা প্রস্রাবও করে। শৌচকর্মও সারে তারা। তার ফলে জীবাণু সংক্রমণের সম্ভাবনা তৈরি হয়। তাই যেখানে সেখানে তা ফেলবেন না।

রঙ, রাসায়নিক এবং জীবাণুনাশকের ফাঁকা বোতল যেখানে সেখানে ফেলবেন না। তার ফলে মাটি দূষণ হতে পারে।

ভাঙা কাচ, বাল্ব কিংবা কাচের জানলা ও দরজা ভুল করেও ডাস্টবিনে ফেলবেন না। তাতে কারও হাত, পা কেটে বড়সড় বিপদ হতে পারে।

প্লাস্টিক এবং অ্যালুমিনিয়ামের মিশ্রণে বিভিন্ন ধরনের জুসের ট্রেটা প্যাক তৈরি করা হয়। ভুলেও তা রান্নাঘরে থাকা ডাস্টবিনে ফেলবেন না। তার ফলে পরিবেশ দূষণের সম্ভাবনা বাড়ে অনেকটা।

ব্যান্ডেজ, সিরিঞ্জ, গ্লাভসের মতো জিনিসপত্র ভুল করেও রান্নাঘরে থাকা ডাস্টবিনে ফেলবেন না। তা থেকে জীবাণু সংক্রমণের সমস্যা বাড়ে।

পরিবেশের জন্য ক্ষতিকারক কাগজ দিয়ে ন্যাপকিন তৈরি হয়। দূষণ রুখতে চাইলে ভুলেও রান্নাঘরে থাকা ডাস্টবিনে ফেলবেন না।

সর্বশেষ খবর
-
সরকারি চাকরির প্রস্তুতিতে চার দশক, সমাবর্তনের মঞ্চে উজ্জ্বল রাইসের কৃতীরা
-
৫ জুনেই ৫৮ লক্ষ উদ্ধার, তারপরও কেন এফআইআর হয়নি? রাম মন্দিরের টাকা চুরিতে প্রশ্নের মুখে ট্রাস্ট
-
বীরের ঠোঁট কামড়ে রক্তারক্তি করেছেন কঙ্গনা! ‘চুমুকাণ্ড’ বিতর্কে মুখ খুললেন যুগলে
-
‘দেরি হলে মাথায় আকাশ ভেঙে পড়বে না’, রামমন্দিরে চুরির তদন্ত নিয়ে বলল সুপ্রিম কোর্ট
-
‘এটাই শেষ বক্তব্য’, হুমায়ুনের ‘স্যাটাভাঙা মার’ মন্তব্যে বিধানসভায় ‘সবক’ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর